আসামের মুসলমানদের যদি সেখানকার যালেম সরকার দেখতে না পারে- ভারতের সংবিধানে বর্ণিত ধর্মনিরাপত্তার খেলাফ করে
মুসলমানদের উপর নিপীড়ন, নির্যাতন, উচ্ছেদ, বৈষম্য আর মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংসের উৎসব করে রাষ্ট্রয়ী সন্ত্রাস করে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তাহলে তারা ‘আসাম’ বাংলাদেশের কাছে প্রত্যার্পন করুক। আর আসামের মুসলমান তো সব মরছেই। তাহলে তারা বিদায় হজ্জের ভাষণ অনুযায়ী তাদের জান-মাল রক্ষায় জিহাদে অবতীর্ন হোক।
, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
হিমন্ত নেতৃত্বাধীন সরকারের পরিচালিত এ অভিযান গত শনি ও রোববার নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাট জেলায় চালানো হয়।
বিজেপি সরকার ভারতে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আসামজুড়ে উচ্ছেদ অভিযান তীব্রভাবে বেড়েছে, লাখ লাখ পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করেছে এবং শত শত মুসলমানদের শহীদ করা হয়েছে। এ অত্যাচার থেকে মিয়া মুসলিমও বাদ যায়নি, যারাই এ অঞ্চলে কয়েক দশক ধরে বসবাস করছেন।
ইন্ডিয়া হেট ল্যাবের তথ্য বলছে, শর্মার বক্তব্য অন্তত ১৪টি জেলার ১৮টি ঘটনাকে উসকে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মুসলিমদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ উদ্যাপন, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া ঘৃণ্য বক্তব্য এবং ‘অবৈধ অভিবাসীদের’ বসতি আরও ভেঙে ফেলার জন্য প্রকাশ্যে আহ্বান। এসবের মধ্যে অনেকগুলোই বিজেপি নেতা ও তাদের সহযোগী সংগঠন দ্বারা সংগঠিত বা সমর্থিত ছিল।
আসামের মিয়া মুসলিমরা প্রধানত বন্যাপ্রবণ চর চাপরি (নদীর দ্বীপ এবং বাঁধ) এলাকায় বসবাস করে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ নদীভাঙনে তাদের জমি হারিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫০ সাল থেকে ব্রহ্মপুত্র ও এর উপনদীগুলোর ভাঙনে ১০ লক্ষাধিক একর জমি বিলীন হয়েছে-যা আসামের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৭.৪ শতাংশ। অনেক ভূমিহীন পরিবার, যাদের বেশির ভাগই মিয়া মুসলিম, তারা সরকারি জমিতে পুনর্বাসিত হয়েছে বা জীবিকার সন্ধানে বিভিন্ন শহর এবং আসামের অন্যান্য জেলায় পাড়ি জমিয়েছে। কিন্তু এখন তারা গণ-উচ্ছেদ, পুলিশি হয়রানি এবং জাতীয়তাবাদী দলগুলোর সহিংসতার শিকার হচ্ছে।
তবে বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী এখন প্রকাশ্যে মিয়াদের বিরুদ্ধে কথা বলছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, উচ্চ আসামের এক মুসলিম নারী মিয়া সম্প্রদায়ের কাউকে বিয়ে না করার জন্য উৎসাহিত করছে। তার দাবি, এমন বিবাহ ‘অসমীয়া সংস্কৃতি’কে ধ্বংস করবে।
ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনের শিকার প্রচুর দরিদ্র মানুষ আশপাশের চর-চাপরির বিভিন্ন স্থানে বসতি করে আছে বহুকাল। কাকতালীয়ভাবে এরা মুসলমান এবং অনেকে বাঙালি মুসলমান। আসামের পরিচয়বাদী রাজনীতিতে এরা বহুকাল নিরীহ ‘টার্গেট’। এই দরিদ্রদের সেখানে বুদ্ধিজীবীও নেই, সংবাদমাধ্যমও নেই। এদের সম্পর্কে ‘ইচ্ছেমতো’ লেখা হয় বলা যায়। রাজনৈতিক বক্তৃতায় এদের কখনো ‘পাকিস্তানের এজেন্ট’, ‘কখনো ‘প্রতিবেশী দেশের বাসিন্দা’ বানানো হয়। এ রকম সিলমোহর থাকায় এসব মানুষকে সামাজিকভাবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক করায় বিবিধ সুবিধা আছে। কম মজুরিতে খাটানো যায়। এসব প্রচারণা এড়িয়ে কোনোভাবে জীবন ধারণ করে যেতে স্থানীয় এই বাংলাভাষীদের অধিকাংশ ইতিমধ্যে মাতৃভাষায় শিক্ষাদীক্ষার অধিকার ছেড়ে দিয়েছে। জমি ও কৃষি ছাড়া তাদের জীবনধারণের বিকল্প কম। তারপরও জাতিবাদের হাত থেকে রেহাই মেলেনি তাদের।
আসামের পরিচয়বাদী রাজনীতিতে এরা বহুকাল নিরীহ ‘টার্গেট’। এই দরিদ্রদের সেখানে বুদ্ধিজীবীও নেই, সংবাদমাধ্যমও নেই।
আসামের বাঙ্গালী মুসলমানদের বিরুদ্ধে বোড়াদের প্রধান অভিযোগ হ’ল এই যে, তারা বহিরাগত। অতএব তাদের বাংলাদেশে পাঠাতে হবে। অথচ আসামে তাদের বসবাস অহমিয় হিন্দুদের আগমনের বহু আগে থেকেই। কেননা বাংলাভাষী মুসলমানেরা বাংলা থেকে আসামে যায় ১২০৬ খৃষ্টাব্দে। আর অহমিয়রা বার্মা থেকে এখানে আসে ১২২৮ সালে। অথচ তারাই এখন মুসলমানদের ‘ফরেনার’ বলছে। আদি হিন্দু বোড়ো কাচাড়ি সম্প্রদায় এখানকার প্রথম অধিবাসী হ’লেও ব্রাহ্মণ, কায়স্থ ও কলিতরা আসে অনেক পরে কনৌজ ও উড়িষ্যা থেকে। কিন্তু তাদের বিতাড়ন করা হচ্ছে না।
কেবল আসাম নয় ভারতের প্রায় সর্বত্র মুসলিম নির্যাতনের ইতিহাস প্রধানতঃ বৃটিশ শাসনের যুগ থেকে শুরু হয়ে আজও চলছে। অথচ প্রায় সাড়ে ছয়শো বছর মুসলমানেরা ভারতবর্ষ শাসন করেছে। তখন ধর্মীয় দাঙ্গার কোন খবর ছিল না। বরং মুসলিম শাসনামলে অমুসলিমরা যে স্বাধীনতা ভোগ করেছে, তার তুলনা ইতিহাসে বিরল। বৃটিশরা এসে সদ্য শাসনহারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে হিন্দুনেতাদের ব্যবহার করে। অতঃপর ‘বিভক্ত কর ও শাসন কর’ এই নীতি সামনে রেখে তারা এদেশকে কব্জায় রাখতে চেষ্টা করে। ১৯৪৭ সালে তারা চলে গেলেও রেখে যায় ‘গণতন্ত্র’ নামক ইলাহী সার্বভৈৗমত্বহীন মেজরিটির শাসনের এক অত্যাচারী মতবাদ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












