অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে।
, ২২ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
অর্থাৎ গড়ে প্রতি দেড় দিনের কম সময়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
২০২৫ সালে জারি হয়েছিল ৮০টি অধ্যাদেশ; অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি অধ্যাদেশের জন্য সময় লেগেছিল সাড়ে ৪ দিনের মতো।
সঙ্গতকারণেই অন্তর্বর্তী সরকারের সব গরল অধ্যাদেশের মৃত্যুই কামনা করছে সচেতন মহল
প্রসঙ্গত এগুলো নতুন সংসদে পাস না হলে এমনিতেই মরে যাবে
জুলাই গণ-অভ্যত্থানে ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগের শাসনের পতনের তিনদিন পর গঠিত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
এই সরকারের প্রতি সমর্থন দিয়েছিল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সে সময় সক্রিয় সব রাজনৈতিক দল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বড় রাজনৈতিক সমর্থন পাওয়া সেই সরকার যখন কিছু আদেশ এবং একের পর এক অধ্যাদেশ জারি করেছে, তখনই স্পর্শকাতর কিছু ক্ষেত্রে বিএনপির আপত্তি ছিল।
আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
সিনিয়র আইনজীবীরা বলছেন, অল্প সময়ে এত অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে; সেক্ষেত্রে প্রতিটি অধ্যাদেশের জন্য গড়ে পাঁচ দিনের কম সময় লেগেছে।
এখন নতুন বা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে আজ ১২ই মার্চ।
আইনজ্ঞরা সংসদ বসা থেকে ৩০ দিনের মধ্যে যে অধ্যাদেশগুলোর আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে 'মৃত' বা বাতিল হয়ে যাবে।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলোর ‘মৃত্যু’ আসন্ন।
আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি দেড় দিনের কম সময়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
২০২৫ সালে জারি হয়েছিল ৮০টি অধ্যাদেশ; অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি অধ্যাদেশের জন্য সময় লেগেছিল সাড়ে ৪ দিনের মতো। আর ২০২৪ সালে ১৩ আগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জারি হয়েছিল ১৭টি অধ্যাদেশ। প্রতিটি অধ্যাদেশের জন্য গড়পড়তা সময় লেগেছিল ৯ দিনের মতো।
স্পষ্টতই যত দিন গেছে, অধ্যাদেশ জারির দক্ষতা এন্তার বৃদ্ধি পেয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। কেননা একই কাজ করতে করতে বা বারবার করলে সাধারণত দক্ষতা ক্রমান্বয়ে প্রস্ফুটিত হয়।
প্রতিটি অধ্যাদেশের প্রারম্ভে যে মোদ্দা কথাটি বলা আছে, তা হলো সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশগুলো জারি করেছে। ৯৩ অনুচ্ছেদে মোটাদাগে যে কথাটি বলা আছে, সেটি হলো সংসদ অধিবেশনে না থাকলে অথবা সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় ‘যদি রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি অধ্যাদেশ জারি করতে পারবে।’
এর অর্থ, স্পষ্টতই রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ১৩৩ বার ‘আশু ব্যবস্থা’ গ্রহণের প্রয়োজন ‘উপলব্ধি’ করে। বলা বাহুল্য, আসল ‘উপলব্ধিটা’ হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাম-লীর এবং তাদের পরামর্শক্রমেই এত এত অধ্যাদেশ জারি হয়েছে।
অনেকের ধারণা, বেশির ভাগ নাগরিকই মনে করছেন, নতুন সংসদ বেশির ভাগ অধ্যাদেশকেই আইন হিসেবে পাস করিয়ে অধ্যাদেশগুলোর কার্যকারিতা চলমান রাখবে। কিন্তু এখানে একটা বড় বিষয় আছে।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদটি বড়ই খটমটে। প্রথমত, রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন মনে করলেও ৯৩ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির জন্য তিন-তিনটি সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে। সেগুলো হলো-(ক) সংসদ যে আইন সংবিধান অনুযায়ী প্রণয়ন করতে পারে না, সেই রকম আইন রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ রূপে জারি করতে পারবেন না; (খ) অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের কোনো বিধানকে সংশোধন অথবা বিলুপ্ত করা যাবে না। যেমন রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবে না-এমনটি করা যাবে না; (গ) পূর্বের অধ্যাদেশের কার্যকারিতা বহাল বা চলমান রাখার জন্য নতুন অধ্যাদেশ জারি করতে পারবে না।
কোনো ব্যক্তি দাবি করতে পারেন, প্রণীত ১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই এই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করেনি বা যে দু-চারটা অধ্যাদেশ এই সীমা লঙ্ঘন করেছে। সে কারণে দু-চারটা অধ্যাদেশ বাতিল হলেও হতে পারে। অর্থাৎ বেশির ভাগ অধ্যাদেশই বহাল তবিয়তে বিদ্যমান থাকবে।
রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য অধ্যাদেশ জারি করা কোনো বিচারেই মোক্ষম ব্যবস্থা নয়। এই অধ্যাদেশগুলোর অধীনে কিছু কার্যক্রম, পদক্ষেপ, নিয়োগ বা পুরোনো কোনো কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে। তবে এই অধ্যাদেশগুলোর কার্যকারিতা শেষ হয়ে গেলে, এসব অধ্যাদেশের অধীনে সূচিত বা গৃহীত কার্যক্রমের পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে নিকট ভবিষ্যতে প্রচুর তর্কবিতর্ক হবে।
তবে বড় ঝামেলা হল ৯৩ অনুচ্ছেদের উপ-অনুচ্ছেদ (২)। এই উপ-অনুচ্ছেদ (২) হয়তো বেশ কিছু সাধারণ পাঠকের জন্য গোলমেলে বা জটিল মনে হতে পারে। তাই আমরা চেষ্টা করব ভেঙে ভেঙে একটা সহজ বয়ান তৈরি করার।
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে- যখন সংসদ অধিবেশন থাকে না অথবা ভেঙে দেওয়া হয়, কেবল তখনই রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। আগামী ১২ মার্চ নতুন বা ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। উপ-অনুচ্ছেদ (২)-এর নির্দেশনা হলো-সংসদ অধিবেশন বসার প্রথম দিনই জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। সেই অনুযায়ী ১৩৩টি অধ্যাদেশের সব কটি বিবেচনার জন্য ১২ মার্চ সংসদে উপস্থাপিত হবে। এরপর কী হবে?
উপ-অনুচ্ছেদ (২) অনুযায়ী সংসদের জন্য তিনটি রাস্তা খোলা আছে। উপস্থাপনের দিনই সংসদ সব অধ্যাদেশ একযোগেই বাতিল করতে পারে। প্রথম দিনই বাতিল না করলে সংসদের দ্বিতীয় করণীয় হলো ক্রমান্বয়ে, যেমন প্রথম দিন ৫টি; তার দু-তিন দিন পর আরও ১০টি এবং পরবর্তী সপ্তাহে আরও ২০টি-এভাবেও অধ্যাদেশগুলো বাতিল করতে পারে।
আর যদি অধ্যাদেশগুলো প্রথম দিনে অথবা ক্রমান্বয়ে বাতিল না করা হয় বা কয়েকটি বাতিল হয় আর কয়েকটি সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তই না নেওয়া হয়, তাহলে উপ-অনুচ্ছেদ (২) অনুযায়ী প্রথম সংসদ অধিবেশনের ৩০ দিনের মাথায় যেগুলো বাতিল হলো, আর যেগুলোর ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তার সব কটি অধ্যাদেশেরই ‘কার্যকারিতা লোপ পাইবে’। সোজা কথায়, সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মাথায় সব অধ্যাদেশই নির্বিশেষে ‘মারা’ যাবে!
আইনজ্ঞদের অনেকের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, গণভোট হয়েছে। তাতে হ্যাঁ বিজয়ী হয়েছে। ফলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
আইনজীবীরা বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আদেশ নিয়েই যেহেতু বিএনপির আপত্তি, ফলে এ সম্পর্কিত আদেশ ও অধ্যাদেশের ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকছে।
এই আইনজীবীর বক্তব্যও বিএনপির অবস্থানের সঙ্গে মিলে যায়। তিনি বলেন, "অধ্যাদেশ জারি করে সংবিধানের কোনো অংশ বাতিল বা পরিবর্তন করা যায় না। সেখানে বেশকিছু অধ্যাদেশ করা হয়েছে, যেগুলো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক"।
এদিকে, বিএনপি সরকারের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, গণভোট, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর করা, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করাসহ স্পর্শকাতর কিছু বিষয়ে অধ্যাদেশের ব্যাপারে তাদের সরকার এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান এটুকুই বলেছেন, তারা সব অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করছেন।
সরকারের সংশ্লিষ্ট অন্য সূত্রগুলো বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সব অধ্যাদেশের আইনি ভিত্তি দেবে না বর্তমান সরকার। তারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এবং একেবারে প্রয়োজনীয় কিছু অধ্যাদেশ বাছাই করছে। সেগুলোই সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপন করে আইনে পরিণত করা হবে।
আইনজ্ঞরা বলছেন, বিএনপি সরকার যেহেতু এখনো স্পষ্ট করছে না তাদের অবস্থান, যাচাই-বাছাইয়ের কথা বলছে- ফলে শেষপর্যন্ত কতটা অধ্যাদেশের আইনি ভিত্তি তারা দেবে, এমন কথা যেমন উঠছে, আলোচনায় আসছে অনিশ্চয়তার প্রশ্ন।
জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সপ্তাহ তিনেক আগে ২৫শে জানুয়ারি জারি করা হয় 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬'।
এই অধ্যাদেশে বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে করা সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে প্রত্যাহার করা হবে। এছাড়া নতুন কোনো মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা গণ-অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে আইনত বাধা (বারিত) হবে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো আপত্তি জানিয়ে বলেছিল, গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ হত্যাকা-সহ বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধও সংগঠিত হয়েছে। কিন্তু অধ্যাদেশের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া সংবিধান পরিপন্থি।
যদিও অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সে সময় ক্ষতিগ্রস্তদের কেউ চাইলে সরকারের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ করতে পারবেন। তবে এতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি মানবাধিকার সংগঠকেরা।
তবে আইনজ্ঞরা বলছেন, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অনেক অধ্যাদেশ আছে, যেগুলো নিয়ে উচ্চআদালতে চ্যালেঞ্জ করা সুযোগ আছে। অনেক অধ্যাদেশ নিয়ে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন। ফলে এগুলোর ভাগ্য নির্ধারণের পথে জটিলতা আছে।
বিএনপি সরকারের সংশ্লিষ্টরাও জটিলতার কথা বলছেন।
তবে তাদের বক্তব্য হচ্ছে, প্রেক্ষাপট, বাস্তবতা ও সর্বোপরি আইনগত দিক বিবেচনা করে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর সে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের সব অধ্যাদেশ নয়, নির্দিষ্ট সংখ্যক অধ্যাদেশের আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব হতে পারে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি: জনগণের অজান্তে জিএমও খাদ্য অর্থাৎ বিষ ও রোগ জীবাণু ঢোকানোর ষড়যন্ত্র
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












