৯৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’লীম মুবারক نُوْرُ الْوَحْىِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়াহ্ই মুবারক
১০১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক উনার চামড়া মুবারক نُوْرُ الْاُنْسِ مُبَارَكٌ নূরুল উন্স মুবারক
১০২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক উনার হাড় মুবারক نُوْرُ الرِّضَا مُبَارَكٌ নূরুর রিদ্বা মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
ইবরাহীম আল-ফাযারী:
কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, ‘যখন তার ফাঁসির কাষ্ঠ উপরে উত্তোলন করা হলো এবং তার থেকে ফাঁসি কার্যকরী ব্যক্তিদের হাত সরে গেলো, হঠাৎ কাষ্ঠ নরাধমটার চেহারা কিবলার দিক থেকে ফিরিয়ে দিলো। ঠিক তখনই কোথা থেকে দৌড়ে এসে একটি কুকুর নরাধমটার দেহ থেকে দরদর করে বেয়ে পড়া জমাট রক্তে মুখ লাগিয়ে চপচপ করে তা পান করে নিলো!
এই ঘটনাটি উপস্থিত সকলের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এক বিরাট নিদর্শন ছিলো। এটা দেখে সকলেই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তুললো। তখন কাযী ইয়াহইয়া বিন উমর বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৯ হিজরী শরীফ উনার ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমুআহ্ শরীফ ইরশাদ মুবারক করেন “গত জুমুআয় (১২ই যিলহজ্জ শরীফ ইয়াওমুল জুমুআহ্ শরীফ) আমি যখন জুমুআর আলোচনা মুবারক ও খুতবা মুবারক শেষ করে সম্মানিত নামায মুবারক শুরু করবো, সে মুহূর্তে আমি দেখতে পেলাম যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হয বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সূরা বাক্বারা শরীফের ৭৮ নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنْهُمْ أُمِّيُّونَ لَا يَعْلَمُونَ الْكِتَابَ إِلَّا أَمَانِيَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ
তোমাদের কিছু লোক উম্মী। তারা মিথ্যা আকাঙ্খা ছাড়া মহান আল্লাহ পাক উনার গ্রন্থের কিছুই জানে না। তাদের কাছে কল্পনা ছাড়া কিছুই নেই।
এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে ইমাম জারীর তাবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন-
عن ابن عباس: (ومنهم أميون)، قال: الأميون قوم لم يصدقوا رسولا أرسله الله، ولا كتابا أنزله الله، فكتبوا كتابا بأيديهم ثم قالوا لقوم سِفلة جهال: هذا من عند الله
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৮শে যিলক্বদ শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার রাত্রে) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাক্বামটা কঠিন একট বাকি অংশ পড়ুন...
মাওলানা জালালুদ্দীন রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘মছনবী শরীফ’ উনার ফযীলত বর্ণনা করতে যেয়ে হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেছেন, “যারা ‘মছনবী শরীফ’ পাঠ করবেন, উনারা ওলীউল্লাহ না হলেও ‘মছনবী শরীফ’ পাঠ করা অবস্থায় উনাদের নামগুলো ওলীউল্লাহ উনাদের দফতরে লিখা থাকবে।” সুবহানাল্লাহ!
আর দ্বিতীয় হাজারের মুজাদ্দিদ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘মাকতূবাত শরীফ’ উনার ব্যাপারে বলেছেন, “কেউ যদি উনার সম্মানিত ‘মাকতূবাত শরীফ’ পাঠ করেন, ‘মাকতূবাত শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَلْبَـرَاءِ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ لَمَّا مَاتَ حَضْرَتْ اِبْـرَاهِيْمُ عَلَـيْهِ السَّلَامُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ لَه مُرْضِعًا فِـى الْـجَنَّةِ
অর্থ: “হযরত বারা ইবনে আযিব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নির্দেশ মুবারক প্রদান:
হুজ্জাতুদ্দীন হযরত ইমাম আবূ আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহম্মদ ইবনে যুফার মাক্কী ছিক্বিল্লী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ৪৯৭ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৫৬৫ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
وَقَدْ عَمِلَ الْمُحِبُّوْنَ لِلنَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرْحًا بِـمَوْلِدِهِ الْوَلَائِمَ فَمِنْ ذٰلِكَ مَا عَمِلَهٗ بِالقَاهِرَةِ الْم বাকি অংশ পড়ুন...
৯৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুসাফিরী শান মুবারক نُوْرُ الرَّاكِبِ مُبَارَكٌ নূরুর রকিব মুবারক
৯৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুক্বীমী শান মুবারক نُوْرُ النَّعِيْمِ مُبَارَكٌ নূরুন না‘ঈম মুবারক
৯৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’লীম মুবারক نُوْرُ الْوَحْىِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়াহ্ই মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম অর্থাৎ লক্বব মুবারক রয়েছে, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম অর্থাৎ লক্বব মুবারক দ্বারা আহ্বান করো।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা আ’রাফ শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ১৮০)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বা ব্যাখ্যায় বর্ণিত রয়েছেন,
وَلِلرَّسُوْلِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا
অর্থ: “এবং যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারও অনেক সুন্দর সুন্দর স বাকি অংশ পড়ুন...












