“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
৪৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বড় ইস্তিঞ্জা মুবারক نُوْرُ الْغَيْبِ مُبَارَكٌ নূরুল গইব মুবারক
৪৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অঙ্গ-প্রতঙ্গ মুবারক نُوْرُ الرِّسَالَةِ مُبَارَكٌ নূরুর রিসালাহ্ মুবারক
৪৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাবাস্সুম মুবারক (মুচকি হাসি মুবারক) نُوْرُ التَّقْرِيْرِ مُبَارَكٌ নূরুত তাক্বরীর মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
হযরত রূহুল আমীন বশীরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার কিতাবে লিখেছেন, হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার তারীখে ছগীরের ১৭২ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন,
حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ قَالَ حَدَّثَنَا الْفَزَارِىُّ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ حَضْرَتْ سُفْيَانَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَنُعِىَ حَضْرَتْ اَلنُّعْمَانُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَقَالَ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ كَانَ يَنْقُضُ الْاِسْلَامَ عُرْوَةً مَا وُلِدَ فِى الْاِسْلَامِ اَشْاَمَ مِنْهُ
“(হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,) আমার নিকট নুআইম ই বাকি অংশ পড়ুন...
৪০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’লাইন শরীফ نُوْرُ الْفَخْرِ مُبَارَكٌ নূরুল ফখ্র মুবারক
৪১ স্পর্শকৃত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ধুলা-বালি মুবারক نُوْرُ الشَّرَافَةِ مُبَارَكٌ নূরুশ শরাফাত মুবারক
৪২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক نُوْرُ الشِّفَاءِ مُبَارَكٌ নূরুশ শিফা’ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইলিম মুবারক নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা কি মানুষ রাখে?
এই সৃষ্টিজগতের সকল সৃষ্টির শিক্ষাদানকারী হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার সম্মানিত রিসালাত মুবারকের একটি অন্যতম অংশ ছিলো শিক্ষাদান। পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
অর্থ: তিনিই উম্মীদের (যা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَلَوْلَآ اِذْ سَـمِعْتُمُوْهُ قُـلْتُمْ مَّا يَكُوْنُ لَـنَآ اَنْ نَّــتَكَلَّمَ بِـهٰـذَا سُبْحٰنَكَ هٰذَا بُـهْتَانٌ عَظِـيْمٌ
“তোমরা যখন (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ এলোমেলো) এ কথা শুনলে, তখন কেন বললে না যে, এ বিষয়ে আমাদের কোনো কথা বলার অধিকার নেই। তিনি (অর্থাৎ উনারা) অত্যন্ত পবিত্রতম। মহান আল্লাহ পাক তিনিও পব বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গলা মুবারক نُوْرُ النَّزَاهَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নাযাহাহ্ মুবারক
৩৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোল মুবারক نُوْرُالْاَزْهَرِ مُبَارَكٌ নূরুল আযহার মুবারক
৩৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লিবাস মুবারক نُوْرُ التَّقْوٰى مُبَارَكٌ নূরুত তাক্বওয়া মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক উনার প্রতিটি মুহূর্তেই রয়েছে হিকমত, শিক্ষা ও উম্মতের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। কখনো জীব জন্তু, কখনো জড় বস্তু উনার পবিত্র সান্নিধ্যে এসে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মেতে ওঠে যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা ও মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত বিশেষ সম্মানের স্বাক্ষ্য বহন করে। একই সঙ্গে এসব পবিত্র ই’জায শরীফ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ)
ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত
আউওয়ালা র্মারাতিন ফী বাকি অংশ পড়ুন...
৩৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সীনা মুবারক نُوْرُ الْعِلْمِ مُبَارَكٌ নূরুল ইল্ম মুবারক
৩৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পিঠ মুবারক نُوْرُ الْاَطْهَرِ مُبَارَكٌ নূরুল আত্বহার মুবারক
৩৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘাড় মুবারক نُوْرُ النُّبُوَّةِ مُبَارَكٌ নূরুন নুবুওওয়াহ্ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ)
ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত
আউওয়ালা র্মারাতিন ফী বাকি অংশ পড়ুন...












