ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ্বালক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৫
, ২৪ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ মে, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
আমার বলার মূল উদ্দেশ্য হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে বুলন্দী শান মুবারক, এটা মানুষ বুঝতে পারেনি। এটা হলো মূল কথা। আর উনার যে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক হলেন, হওয়ার পরে উনি তাহলে কোথায় ছিলেন? পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যে। আচ্ছা; ঠিক আছে। এটার কাইফিয়্যাতটা কি? কাইফিয়্যাতটা বলো। কাইফিয়্যাত বুঝো না? কাইফিয়্যাত অর্থ কি? বলো।
আরযী: সাধারণভাবে ধরন।
জওয়াব মুবারক: অবস্থান, হাল। কাইফিয়্যাতের এখানে অর্থ হলো- কিভাবে? কোন্ তর্জ-তরীকায়? তাহলে কোন্ তর্জ-তরীকায় ছিলেন? এটা কী ব্যাখ্যা করবে মানুষ? আমার কথা হলো- এটা না বুঝার কারণেই আক্বীদাহ্গুলি ত্রুটি হচ্ছে। যদি মূলটা বুঝে, তাহলে তো আক্বীদাতে ত্রুটি হওয়ার কথা না। যেমন- ইস্তাওয়া তারা বুঝতে পারেনি, এজন্য তারা অনেক অপব্যাখ্যা করেছে। মহান আল্লাহ পাক উনাকে বানিয়েছে- ‘আরশে আযীম উনার উপর গিয়ে বসেছেন!’ তাহলে যখন আরশে আযীম ছিলো না, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি কোথায় বসা ছিলেন? হ্যাঁ? ‘আরশে আযীম হওয়ার পরে গিয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি আরশে আযীম উনার উপর উঠে বসেছেন!’ ঠিক আছে। তাহলে আরশে আযীম যখন ছিলো না, তখন কোথায় বসেছিলেন? তাহলে কি দাঁড়িয়ে ছিলেন তখন? যখন আরশে আযীম ছিলো না, তখন দাঁড়িয়ে ছিলেন; যখন আরশে আযীম হলো, তখন গিয়ে বসলেন! ‘ইস্তাওয়া’ না বুঝার কারণে এরকমই তো ব্যাখ্যা করেছে। ঠিক পবিত্র কুদরত মুবারক না বুঝার কারণে এরকমই ব্যাখ্যা করে। বুঝোনি আমার কথা মুবারকগুলি? এরকমই তো ব্যাখ্যা দেখা যায়। যে, ‘আরশে আযীম তৈরি করে মহান আল্লাহ পাক তিনি গিয়ে আরশে আযীমে বসেছেন।’ তাহলে আগে কি দাঁড়িয়ে ছিলেন? তারপরে বানিয়ে বসেছেন! তাহলে মানুষ বুঝলোটা কি? আমার মূল বক্তব্য মুবারক হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এই বুলন্দী শান মুবারক না বুঝার কারণে মানুষ নানান রকম এলোমেলো বক্তব্য দেয়। না‘ঊযুবিল্লাহ!
এর আরেকটি ব্যাখ্যা হলো- ঐ যে ভাব সম্প্রসারণ করে না? কবিতা বা প্রবন্ধের একটি বা দুইটি লাইন দেয়। দিয়ে বলে এর ব্যাখ্যা করো। এক হাজার, দুই হাজার, পাঁচ হাজার লোককে দিলে এক হাজার, দুই হাজার, পাঁচ হাজার রকম লিখে। কেউ হাক্বীক্বতটা জানে না। যে লিখেছে সেই জানে, সে কি উদ্দেশ্যে লিখেছে বা কি বুঝাতে চেয়েছে। লেখককে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে, ‘তুমি কেন লিখেছো বা কি বুঝাতে চেয়েছো বলো দেখি।’ তখন সে সঠিকটা বলে দিবে। কিন্তু এক হাজার, দুই হাজার, পাঁচ হাজার লোক লিখলো ব্যাখ্যা, তারা কেউ কিন্তু জানে না। তার সাথে সংযোগ নেই। নিজের ভাব, নিজে যা বুঝলো, সেটাই সে লিখলো। শুদ্ধ হতেও পারে, নাও হতে পারে। বিষয়টা হচ্ছে এরকম। এই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের ব্যাখ্যা যা আছে, এরকমই হয়েছে। যার জন্য অনেক কিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। রূহানিয়াত না থাকার কারণে, নিসবত না থাকার কারণে এরকম হয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক যদি মানুষ বুঝতে পারতো, তাহলে কথা বলার কোনো সুযোগ ছিলো না। কথা বলে কিভাবে? কিভাবে কথা বলে? নানান চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল।
এই যেমন সামনে মহাসম্মানিত ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ মহাসম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার তারীখ মুবারক আসতেছেন। তারা ইখতিলাফ করেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত মি’রাজ শরীফ-এ গিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে কি দেখেছেন, নাকি দেখেননি? এটা নিয়ে কিতাবাদিতে অনেকে অনেক বিরাট ইতিহাস রচনা করেছে। যেমন- ‘শরহে আক্বাইদে নাসাফী’ কিতাবে উল্লেখ রয়েছে,
اَلصَّحِيْحُ اَنَّهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ اِنَّمَا رَاٰى رَبَّهٗ بِفُؤَادِهٖ لَا بِعَيْنِهٖ
“বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে হৃদয় দ্বারা দেখেছেন, পবিত্র নূরুল মুনাওওয়ার মুবারক (চোখ মুবারক) দ্বারা দেখেননি।” না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! (শরহে আক্বাইদে নাসাফী ৯২ নং পৃষ্ঠা)
তাহলে কী বুঝলো এরা?
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ সত্য। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ সশরীর মুবারক-এ সংঘটিত হয়েছেন। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কা’বা শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুক্বাদ্দাস শরীফ হয়ে সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক-এ তারশরীফ মুবারক, আনুষ্ঠানিকভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী দীদার মুবারক লাভ এবং যমীনে প্রত্যাবর্তন পুরোটা বিশ্বাস করা ফরযে আইন।
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৮
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৫১)
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৭
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৬
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১৫)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৪
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












