পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَخْرِجُوا الْمُشْرِكِينَ مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ
অর্থ: তোমরা মুশরিকদেরকে (অর্থাৎ সমস্ত কাফির-মুশরিককে) জাজিরাতুল আরব থেকে বের করে দাও।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
৩১ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান, বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওয়াছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
২য় দলীল
নিম্নোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে এই ফতওয়াটি আরো শক্তিশালী হয়,
عَنْ حَضْرَتْ عَلْقَمَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ لَعَنَ اللهُ الْوَاشِـمَاتِ وَالْمُوْتَشِمَاتِ وَالْمُتَـنَمِّصَاتِ وَالْمُتَـفَلِّجَاتِ لِلْحُسْنِ الْمُغَيِّـرَاتِ خَلْقَ اللهِ فَـبَـلَغَ ذٰلِكَ اِمْرَاَةً مِّنْ بَۢـنِـىْ اَسَدٍ يُـقَالُ لَـهَا حَضْرَتْ اُمُّ يَـعْقُوْبَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَـنْـهَا فَجَاءَتْ فَـقَالَتْ اِنَّهٗ بَـلَغَنِـىْ عَنْكَ اَنَّكَ لَعَنْتَ كَـيْتَ وَكَـيْتَ বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ)
ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত
আউওয়ালা র্মারাতিন ফ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০২)
হযরত আবূ দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মারাসীল’ গ্রন্থে উনার থেকে রেওয়ায়েত করেছেন। সেটা আবার হযরত ওয়ালিউদ্দীন আহমদ ইবনে আব্দুর রহীম ইবনে হুসাইন আবূ যুরআ ইরাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮২৬ হিজরী) তিনি উনার ‘তুহফাতুত তাহছীল ফী যিকরি রুওয়াতিল মারাসীল’ নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। (তুহফাতুত তাহছীল ১/৩৭৯ দ্রষ্টব্য)
উক্ত বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হয় এই হাদীছটা মুরসাল।
ইমামগণ যে সকল ক্ষেত্রে মুরসাল হাদীছ শরীফ দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন তার কয়েকটি হলো:
(১) যদি মুরসাল হাদীছ শরীফ কোন ছহীহ হাদীছ শরীফের পক্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালিমা শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা পাশাপাশি। সমস্ত সৃষ্টির জন্য মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালিমা শরীফ। আসমান-যমীন, লওহো-কলম, আরশ-কুরসী যা আছে, বেহেশত-বালাখানা, সব জায়গায় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালিমা শরীফ। এটা একটা যাহিরী ছূরত। এই কথা মুবারক বুঝতেছো? এটা একটা যাহিরী ছ বাকি অংশ পড়ুন...
১৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লিহান বা স্বর মুবারক نُوْرُ الْـمُنَوِّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুনাওওইর মুবারক
১৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গাল মুবারক نُوْرُ الْاَنْوَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আনওয়ার মুবারক
১৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাঁত মুবারক نُوْرُ اللهِ مُبَارَكٌ নূরুল্লাহ্ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
আমার বলার উদ্দেশ্য ছিলো যে, পবিত্র কুদরত মুবারক দুই ভাগ।
একটা হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ন্ত্রণ, যিয়ারত, ছোহবত ও দীদার মুবারক-এ আছেন।
আরেকটা হলো- এখন এগুলি তো আসলে মেছাল দেওয়াও কঠিন ব্যাপার। মেছাল দেওয়াও কঠিন। মহান আল্লাহ পাক তিনি আছেন। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি কিভাবে আছেন? মহান আল্লাহ পাক তিনি কুদরতময়। এটা মানুষের চিন্তা-কল্পনার বাইরে। আসলে ঠিক নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কপাল মুবারক نُوْرُ الْـمَلَاحَةِ مُبَارَكٌ নূরুল মালাহাহ্ মুবারক
১৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক উনার পশম মুবারক نُوْرُ الصَّفَاءِ مُبَارَكٌ নূরুছ ছফা’ মুবারক
১৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চক্ষু মুবারক نُوْرُ الْـمُنَوَّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুনাওওয়ার মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি আছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি কোনো কিছুর মুহ্তাজ না। কিছু নেই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি যাহির হলেন। যেটা আমরা পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক বলি। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
لَوْلَاكَ مَا اَظْهَرْتُ الرُّبُوْبِيَّةَ
“আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মতের প্রতি আবাদুল আবাদ বা অনন্তকাল যাবৎ কুরবানী করার আদেশ মুবারক
১ম দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ اَمَرَنِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا
“বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হানাশ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...












