পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যে আছেন। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ন্ত্রণ মুবারক-এ, যিয়ারত মুবারক-এ, দীদার মুবারক-এ এবং ছোহবত মুবারক-এ আছেন। তখন কিছুই ছিলো না। আর কোন্ কাইফিয়্যাতে আছেন? যিনি খ্বাালিক্ব যিনি মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনি যেই কাইফিয়্যাতে আছেন, ঐ কাইফিয়্যাতে আছেন। এখন যদি বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে মশহূর একখানা ঘটনা মুবারক। একবার হযরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিলেন যে, সমস্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয। এটা শুনে উনার সমসাময়িক বড় বড় হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এসে উনাকে বললেন যে, হে হযরত ইমাম হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আমরা তো আপনাকে অনেক বড় বুযূর্গ-ওলীআল্লাহ, ইমাম-মুজতাহিদ, বিশিষ্ট ফক্বীহ্ হিসাবে মানি এবং অনেক সম্মান করি। কিন্তু আপনি এটা কি ফতওয়া দিলেন? আমরা তো জানি ফরয পালন করা ফরয, ওয়াজিব পালন করা ওয়াজিব এবং সুন্নত পালন করা সুন্নত। আপনি য বাকি অংশ পড়ুন...
উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে أَبَدًا অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে দায়িমীভাবে প্রতি বছর সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার জন্য সম্মানিত আদেশ মুবারক ও ওছিয়ত মুবারক করেছেন। তাই ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি যতদি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
অধম নালায়েক গোলামের আরযী: আরো সহজ হচ্ছে- মামদূহজী যেটা বলেছেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ২৪ ঘণ্টা দায়িমীভাবে সম্মানিত ছলাত মুবারক পেশ করে যাচ্ছেন, কেন? মহান আল্লাহ পাক তিনি যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মত মহান ওজূদ মুবারক উনাকে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করিয়েছেন, সেজন্য শুকরিয়াস্বরূপ উনি দায়িমীভাবে সম্মানিত ছলাত মুবারক পেশ করে যাচ্ছেন।
জওয়াব মুবারক: শুকরিয়া এবং নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
৬৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে এক সাথে গোসল মুবারক نُوْرُ النِّسْبَةِ الْعَظِيْمِ شَرِيْفٌ নূরুন নিস্বাতিল ‘আযীম শরীফ
৬৮ মাসিক স্বাভাবিক অসুস্থতা نُوْرُ الشَّاْنِ الشَّهْرِيَّةُ مُبَارَكٌ নূরুশ শা’নিশ শাহ্রিইয়্যাহ্ মুবারক
৬৯ আওলাদ হলে যে অসুস্থতা نُوْرُ الشَّاْنِ السَّنَوِيَّةُ مُبَارَكٌ নূরুশ শা’নিস সানাওইয়্যাহ্ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
যারা উম্মী অর্থ নিরক্ষর করে তাদের মূল দলীল হচ্ছে বুখারী শরীফের একটি হাদীছ শরীফ। কিন্তু তারা একবারও হাদীছ খানা ফিকির করেছে?
হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে-
عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: ্রإِنَّا أُمَّةٌ أُمِّيَّةٌ، لَا نَكْتُبُ وَلَا نَحْسُبُ،
“আমরা উম্মী জাতি। লিখি না, হিসাব করি না”। (বুখারী শরীফ: ১০৮০)
উম্মী শব্দকে নিরক্ষর অর্থকারীরা এই হাদীছ শরীফ থেকে অর্থ করে আমরা নিরক্ষর জাতি। আমরা লিখতে পারি না, আমরা হিসাব করতে পারি না। কিন্তু এই হাদীছ শরীফের যদি এরকম অর্থ করা হয় তাহলে মারাত্মক স্ববিরোধিতা তৈরী হয় সেই সাথে অনেক বিকৃতিরও স বাকি অংশ পড়ুন...
১ম দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ اَمَرَنِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا
“বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হানাশ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে সম্মানিত নির্দেশ মুবারক করেছেন আমি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
অধম নালায়েক গুনাহ্গার গোলামের আরযী: মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরুল ইযহার মুবারক করিয়েছেন। এতটুকুই পার্থক্য।
জওয়াব মুবারক: হ্যাঁ; এতটুকুই পার্থক্য।
আরযী: মহান আল্লাহ পাক তিনি যেই কাইফিয়্যাতে আছেন; তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ঐ কাইফিয়্যাতেই রেখেছেন।
জওয়াব মুবারক: হ্যাঁ; কাইফিয়্যাতটা একই। তখন তো কোনো ছামান-আসবাব ছিলো না। তাহলে থাকলেন কোথায়? এখন বলো, ব্যাখ্যা করো। হ্যাঁ? বলো। এটা জী বাকি অংশ পড়ুন...
৬৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাটু মুবারক نُوْرُ الْـخُضُوْعِ مُبَارَكٌ নূরুল খুদ্বূ’ মুবারক
৬৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উরু মুবারক نُوْرُ الْـمُطَهَّرَةِ مُبَارَكٌ নূরুল মুত্বহ্হারহ্ মুবারক
৬৬ উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে যে আরীহ্নী আরীহ্নী বলতেন نُوْرُ الرَّاحَةِ مُبَارَكٌ নূরুর রাহাত মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
- আরযী: মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো মেছাল নেই।
জওয়াব মুবারক: হ্যাঁ; নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারও কোনো মেছাল নেই। তাহলে কিভাবে এখন বলো দেখি।
আরযী: এটা বুঝিনি।
জওয়াব মুবারক: মহান আল্লাহ পাক উনি মহান আল্লাহ পাক উনার মত। মহান আল্লাহ পাক তিনি তো মহান আল্লাহ পাক। তাহলে মেছাল থাকে কিভাবে?
আরযী: উনার কোনো মেছাল নেই।
জওয়াব মুবারক: ঠিক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...












