ইউরোপীয় এক ঐতিহাসিক বলেছিলো, মুসলমানরা যে শাসন ব্যবস্থার সূচনা করেছিলেন, তাতে করে অন্তত পরবর্তী এক হাজার বছরের মধ্যে এমন কোনো দুঃসংবাদ আমরা পাই না যে, তাদের শাসিত এলাকার মানুষ দুর্ভিক্ষের শিকার হয়েছে কিংবা কোনো মানুষ না খেয়ে মরেছে।
বাংলায়ও এই ব্যবস্থাপনার ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি। মানুষ তখন চিরসুখে জীবনযাপন করছিল। দীর্ঘ সাড়ে ৬০০ বছর স্থায়ী মুসলিম শাসনে মানুষ সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা পেয়েছিল। ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছিল। শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রতিটি ক্ষেত্রে পূর্ণ বিকাশ সাধিত হয়েছিল। অর্থনৈতিক ও সামা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ৫৫ নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং আমলে ছলেহ করে; মহান আল্লাহ পাক এই মর্মে ওয়াদা মুবারক দিয়েছেন যে, তিনি নিশ্চিতভাবে তাদের জমিনের খিলাফত প্রদান করবেন। যেমন তিনি খিলাফত প্রদান করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদের এবং তিনি অবশ্যই তাদের জন্য শক্তিশালী ও সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন তাদের দ্বীনকে, যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তিনি তাদের ভয়ভীতি শান্তি-নিরাপত্তায় পরিবর্তিত করে দেবেন। তারা আমারই ইবাদত করবে, আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরীক করবে না। আর এরপর যারা অস্ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ৫৫ নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং আমলে ছলেহ করে; মহান আল্লাহ পাক এই মর্মে ওয়াদা মুবারক দিয়েছেন যে, তিনি নিশ্চিতভাবে তাদের জমিনের খিলাফত প্রদান করবেন। যেমন তিনি খিলাফত প্রদান করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদের এবং তিনি অবশ্যই তাদের জন্য শক্তিশালী ও সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন তাদের দ্বীনকে, যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তিনি তাদের ভয়ভীতি শান্তি-নিরাপত্তায় পরিবর্তিত করে দেবেন। তারা আমারই ইবাদত করবে, আমার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরীক করবে না। আর এরপর যারা অস্ব বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সময়ে মানুষ এই চিন্তা নিয়ে বড় হয় যে, শিল্পের উদ্ভাবন ও উৎপাদন পশ্চিমা সভ্যতার একক দান, যা আঠারো শতকের শিল্প বিপ্লবের পর সূচিত হয়েছিল। তাদের এই বিশ্বাস এত প্রবল যে কারো ধারণা জন্মাতে পারে, আঠারো থেকে উনিশ শতকে সম্পন্ন ইউরোপীয় শিল্প বিপ্লবের আগে পৃথিবীতে কোনো শিল্প-কারখানা ছিল না। অথচ পৃথিবীতে এর আগেও শিল্প-কারখানা ছিল এবং তার ক্রমবিকাশের ধারাও অব্যাহত ছিল। বিশেষত মুসলিম ইতিহাসের সোনালি অধ্যায়ে শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নয়ন হয়; বরং মুসলিম আমলে সাধিত শিল্প বিপ্লবই পরবর্তী সময়ে শিল্পোন্নয়নের মূল হিসেবে কাজ বাকি অংশ পড়ুন...
পৃথিবীব্যাপী নৌপথে মানুষের যাতায়াত এবং বাণিজ্য সুদীর্ঘকাল ধরে চলমান। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আগমনের পূর্ব থেকে আরবের মানুষ সমুদ্রপথে বাণিজ্য করত। সম্মানিত হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সময়ে সামুদ্রিক বাণিজ্যের ধারা আরো গতিশীল হয়। সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার পরিধি বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সমুদ্র বাণিজ্যের আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। যা উমাইয়া ও আব্বাসীয়দের যুগেও অব্যাহত থাকে।
বাণিজ্যিক এসব কাফেলার মাধ্যমেই ভারত মহাসাগরের উপকূলে, চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনসহ বিশ্বের কোনায় কোনায় সম বাকি অংশ পড়ুন...
কমোরোস ভারত মহাসাগরের একটি ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র। মাদাগাস্কার, মায়োতি, তানজানিয়া, মোজাম্বিক, সেশেলের সঙ্গে সমুদ্রসীমা রয়েছে দেশটির। মোরোনি কমোরোসের রাজধানী ও সর্ববৃহৎ শহর।
২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী এক হাজার ৮৬১ বর্গকিলোমিটারের ছোট দেশটির জনসংখ্যা আট লাখ ৫০ হাজার ৬৮৮ জন। তাদের ৯৮ শতাংশই মুসলিম। কমোরিয়ান, ফ্রেঞ্চ ও আরবি কমোরোসের রাষ্ট্রীয় ভাষা।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক সুত্রমতে, কমোরোসে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আগমন মূলত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়েই।
কমোরোসের দুই ব্যক্তি মুহম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলার যমীনে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রচার এবং প্রসারের সময় নানাবিধ প্রতিকূল পরিবেশের মুখোমুখি হয়েছেন হযরত আউলিয়া কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা। বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে রক্তক্ষয়ী বহু জিহাদও সংঘঠিত হয়েছে। এসব জিহাদে অনেক আউলিয়া কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা শহীদ পর্যন্ত হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! উনাদের মহান ত্যাগের কারণেই আজ আমরা বাংলাবাসী সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নূরে সমৃদ্ধ হয়েছি।
ইসলাম উনার প্রচার-প্রসারে নিবেদিত হযরত আউলিয়া কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মধ্যে অন্যতম এবং মশহুর হলেন হযরত শাহ সুলত বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তান স্থলবেষ্টিত একটি দেশ। এর পশ্চিমে ইরান, দক্ষিণ ও পূর্বে পাকিস্তান, উত্তরে তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তান এবং উত্তর-পূর্বে তাজিকিস্তান ও চীন। আফগানিস্তানের আয়তন দুই লাখ ৫২ হাজার ৭২ বর্গমাইল। আফগানিস্তানের বেশির ভাগ অঞ্চল পর্বতসংকুল।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়েই আফগানের ভূখন্ডে দ্বীন ইসলাম উনার আগমন হয়। এরপর আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফতকালে বোখারা-সমরকন্দ অঞ্চল অতিক্রম করে আফগ বাকি অংশ পড়ুন...
মিনার ও মসজিদের বর্তমান মিনারটি পরবর্তীতে নির্মিত, অগ্নিকাণ্ডে কয়েক দফা মসজিদটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এর সংস্কারও হয়েছে বহুবার। বর্তমান মিনারটি ৪৭২ হিজরীতে আমীর সাবেক বিন মাহমুদ বিন মিরদাস তাঁর শাসনামলে নির্মাণ করেন ও তৎপরবর্তী সুলতান তাশ ইবনে আলব আরসালান এর সৌন্দর্য বর্ধনে কিছু সংস্কার করেন। চারকোণ বিশিষ্ট মিনারের চতুর্দিকের ব্যস প্রায় পাঁচ উচ্চতা ৪৫ মিটার।
উল্লেখ্য যে, ১১৬৯ খৃ: সুলতান নূরুদ্দিন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহ উনার শাসনামলে কুচক্রী খৃষ্টানগণ কর্তৃক উমাইয়া মসজিদ সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হলেও মূল মসজিদের বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আনুষ্ঠানিক সূচনাপর্ব থেকেই মহাপবিত্র ১২ই শরীফ মহা জাকজমকের সাথেই পালিত হয়ে আসছে। সারা পৃথিবীর মতো ভারতীয় উপমহাদেশেও রয়েছে পবিত্র ১২ই শরীফ পালনের সমৃদ্ধ ইতিহাস। আজ আমরা ভারতীয় উপমহাদেশে; বিশেষ করে বাংলায় মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জানবো-
নবাবী আমল: ১৫০০ ঈসায়ী সালের দিকে বাংলার নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা নবাব মুর্শিদকুলী খান ব্যাপকভাবে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতেন। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত “বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস” বইয়ের ২ বাকি অংশ পড়ুন...
৯৬২ খৃ: তৎকালীন রোমান শাসক নাকফুর ফোকাস এক অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে আলেপ্পো গ্রান্ড মসজিদে আগুন লাগিয়ে দেয়। নাউজুবিল্লাহ! সে অগ্নিকান্ডে উমাইয়া মসজিদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে আমির আবুল মাআলী সাদ আল দওলা ক্ষতিগ্রস্থ মসজিদ পূণঃনির্মাণ করেন। ১১৬৯ খৃ: স্থানীয় খৃষ্টান সম্প্রদায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আলেপ্পো গ্রেট মসজিদে পূণঃরায় আগুন ধরিয়ে দেয়। যাতে দ্বিতীয় বারের মত মসজিদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন ঐ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ক্রুসেড জয়ী সেনাপতি ও ন্যায় পরায়ন বাদশাহ্ সুলতান নুরুদ্দিন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি মসজিদ পূ বাকি অংশ পড়ুন...












