মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি আমার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বান্দাদের প্রতি ইহসান করে ও ইহসান করার জন্য পাঠিয়েছি। তিনি বান্দাদেরকে কিতাব শিক্ষা দিবেন, হিকমত শিক্ষা দিবেন, পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ তিলাওয়াত করে শুনাবেন এবং তাযকিয়াহ বা ইছলাহ করবেন। ”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তাযকিয়াহ বা হাক্বীক্বী ইছলাহ ছাড়া কোনো বান্দার পক্ষে কামিয়াবী হাছিল করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উ বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সুমহান ক্বওল শরীফ :খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরবানী উনার সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَنْ يَّنَالَ اللهَ لُـحُوْمُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلكِنْ يَنَالُهُ التَّقْوÙ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে-
পবিত্র হজ্জ এবং পবিত্র উমরাহ উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে
(১)اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَ رَحْـمَةُ اللهِ.
اَلْـحَمْدُ لِلّٰهِ نَـحْمَدُهٗ وَ نَسْتَعِيْنُهٗ وَنَسْتَغْفِرُهٗ وَ نُؤْمِنُ بِهٖ وَ نَتَوَكَّلُ عَلَيْهِ وَ نَعُوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّاٰتِ اَعْمَالِنَا مَنْ يَّهْدِي اللهُ فَلَا مُضِلَّ لَهٗ وَ مَنْ يُّضْلِلْهُ فَلَا هَادِيَ لَهٗ وَ نَشْهَدُ أَنْ لَّا إلٰهَ إلَّا اللهُ وَ نَشْهَدُ أَنَّ سَيِّدَنَا نَبِيَّنَا حَبِيْبَنَا شَفِيْعَنَا مَوْلٰنَا مُـحَمَّدًا عَبْدَهٗ وَ رَسُوْلُهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. أَمَّا بَعْدُ: فَأَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ. ب বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত যাকাত উনার টাকা দিয়ে ব্যবহার অযোগ্য নিম্নমানের কাপড় ক্রয় ও তা গরীবের মাঝে বিতরণ সম্মানিত যাকাত ইহানত করার শামীল : বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, সম্মানিত যাকাত উনার টাকা-পয়সা দিয়ে এমন নি¤œমানের শাড়ী-লুঙ্গি ক্রয় করে যা ব্যবহারের অযোগ্য। যা সম্মানিত যাকাতদাতা ও তার পরিবার-পরিজন কখনোই সেটা পরিধান করবে না।
অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يُؤْمِنُ اَحَدُكُمْ حَتّٰى يُـحِبَّ لِاَخِيْهِ مَا يُـحِبُّ لِنَفْسِهٖ.
অর্থ : “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উঠবাকি অংশ পড়ুন...
সমঝ ও বিচক্ষণতা-২
খ. লোকটি মাসয়ালা জিজ্ঞাসা করলো, নামাযে প্রবেশ করা হয় ফরযের মাধ্যমে না পবিত্র সুন্নত উনার মাধ্যমে? তিনি বললেন, ফরযের মাধ্যমে। লোকটি বলল, ভুল হয়েছে। তিনি আবার বললেন, পবিত্র সুন্নত উনার মাধ্যমে। সে বলল, তাও ভুল। অতঃপর সে নিজেই সঠিক কথা ব্যক্ত করে বলল, উভয়টির মাধ্যমেই মানুষ নামাযে প্রবেশ করে। কেননা তাকবীরে তাহরীমা ফরয এবং রফয়ে ইয়াদাইন সুন্নত।
গ. তৃতীয় মাসায়ালা জিজ্ঞাসা করলো, চুলার উপর ডেগ রয়েছে। তাতে গোশত ও শুরা। উপর থেকে একটি পাখি এতে পড়ে মরে যায়। এমতাবস্থায় ডেগের তরকারি খাওয়া জায়িয হবে কিনা? তিনি বললেন, খাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য: বাতিলপন্থীরা বলে থাকে যে, মৃত ব্যক্তিকে কবরস্থ করার পর কবরের উপর আযান দেয়া সুন্নত। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া: মৃত ব্যক্তিকে দাফনের পর কবরের উপর আযান দেয়া বিদ্য়াতে সাইয়্যিয়াহ্। কেননা কুরআন শরীফ-সুন্নাহ্ শরীফ-এর কোথাও কবরের উপর আযান দেয়ার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না। বরং তালক্বীনের প্রমাণ পাওয়া যায়। তালক্বীন হলো মৃত ব্যক্তিকে দাফনের পর সকলে কবরের পাশে দাঁড়াবে এবং একজন (মুনকির-নকীর কবরে মৃত ব্যক্তিকে যে প্রশ্নগুলো করে থাকে) সে প্রশ্নগুলো উচ্চারণ করবে আর সকলেই তার জবাব দিবে। এটাই মূলতঃ খাছ সুন্নত বাকি অংশ পড়ুন...
শিক্ষকতা:
শায়খুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ হযরত আবু সাঈদ মুবারক মাখযূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাদরাসায়ে নিযামিয়া-এর অন্যতম সুযোগ্য মুয়াল্লিম বা অধ্যাপক ছিলেন। সাইয়্যিদুল আওলিয়া, ইমামে রব্বানী, মাহবূবে সুবহানী, মুহিউদ্দীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছাত্র অবস্থায় উনার সেই মাদরাসায়ে নিযামিয়া উনার শিক্ষার্থী হিসেবে যোগদান করলেন। তিনি উনাকে অত্যন্ত ¯েœহ ও যতœ করতেন এবং উনার তা’লীম-তরবিয়ত বা শিক্ষা-দীক্ষার প্রতি বিশেষ নজর রাখতেন। তিনি ছিলেন তৎকালীন বাগদাদ শরীফ-উনার একজন শ্রেষ্ঠ আলিম, খ্যা বাকি অংশ পড়ুন...
মুসাফিরের পরিচিতি ও নামাযের তারতীব :
সম্মানিত হানাফী মাযহাব অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে ৩ দিন পায়ে হাটার পথ সফর করলে, শরয়ী মুসাফির হিসেবে গণ্য হবে। এখন সেটা পায়ে হেটে বা বাহন চড়ে অথবা যানবাহনে আরোহন করে হতে পারে, একইভাবে নৌযানে চড়ে পানিতে বা উড়োজাহাজে চড়ে আকাশ পথেও সফর করতে পারে। যেভাবেই সফর করুক না কেন, সফরের বাহন বা চলাচলের রাস্তা অনুযায়ী এর দূরত্ব, গতি ও সময় কম-বেশী হয়ে থাকে, তবে তৈরী রাস্তায় সফর করলে এর দূরত্ব শরয়ী মাপে দৈনিক ১৮ ফারসাখ হয়। সে হিসেবে ১৮X৩ = ৫৪ শরয়ী মাইল হচ্ছে মুসাফিরী পথের দূরত্ব। যা বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত বৃটিà বাকি অংশ পড়ুন...
ক্বাছীদা শরীফ লেখা, পাঠ করা, শোনা, আয়োজন করা, প্রচার করা প্রতিটি সুন্নত। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এই সুন্নতসমূহ যথাযথভাবে আদায় করলেন- এর অন্তর্নিহিত কারণসমূহ কি কি হতে পারে? কয়েকটি কারণসমূহেই বোধগম্য যেমন-
১। সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার আমল করা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক সন্তুষ্টি হাছিলের কারণ।
২। সম্মানিত সুন্নত আমলে সম্মানিত সুন্নত জিন্দা হয় এবং বিদয়াত দূরীভূত হয়। কিঠবাকি অংশ পড়ুন...
(২৬৫)
আজকের খুতবা মুবারক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের কিছু খুছূছিয়াত মুবারক, বৈশিষ্ট ও ফযীলত মুবারক সম্পর্কে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল ঠবাকি অংশ পড়ুন...
বিবাহের প্রস্তাব দেয়া এবং সম্মতি জ্ঞাপন করার সুন্নতী তরতীব
ছেলে পক্ষ কিংবা মেয়ে পক্ষ উভয়পক্ষ থেকে বিবাহের প্রস্তাব আসতে পারে। আবার সম্মতির বিষয়টিও উভয় পক্ষ থেকে হতে পারে। বিবাহের প্রস্তাব দানের ক্ষেত্রে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, সংশয়-সন্দেহ থাকা সমীচীন নয়। তবে যে কোন পক্ষ থেকে বিবাহের প্রস্তাব আসুক না কেন তা বিবেচনায় নেয়া উচিত। তার মূল্যায়ন করা দরকার। আর যদি একান্ত সামঞ্জস্যশীল না হয় বা কুফু (সমকক্ষতা) না মিলে তাহলে হিকমতে জাওয়াব দেয়া আবশ্যক। সেক্ষেত্রে উচ্চ্য বাচ্চ্য করা, প্রতিপক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করা, অসৌজন্যমূলক আচরণ করা ঠবাকি অংশ পড়ুন...
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা সকল প্রকার অপছন্দনীয় কাজ থেকে পবিত্র
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা সকল প্রকার অপছন্দনীয় কাজ থেকে পবিত্র। কেমন অপছন্দনীয় কাজ? একটি ওয়াকেয়াহ-ই যথেষ্ট বুঝার জন্য। একদিন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার হুজরা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অবস্থান মুবারক করছিলেন। এমন সময়ে একজন লোক আসলেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্à বাকি অংশ পড়ুন...












