আমরা একটা ফতওয়া তৈরী করেছি সেখানে কয়েকটা ইবারত আসছে। একটা হচ্ছে,
قَالَ قَاضِيَ الْقُضَاةِ لِهَمْدَانِيَّ
হামদানী থেকে কাদ্বিউল কুজাত তিনি বর্ণনা করেছেন।
كُنْتُ يَوْمًا بِحَضْرَةِ الْحَسَنِ بْنِزَيْدٍ الدَّاعِي
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার ৬ষ্ঠ পুরুষ। উনার নামও হযরত হাসান ইবনে যায়িদ আদদায়ী আলাইহিস সালাম
بِطَبَرِسْتَانَ،
এখানে বলা হচ্ছে, সেই কাদ্বিউল কুজাত লিশ্ শাফিয়ী তিনি বর্ণনা করতেছেন, আমি একদিন ছিলাম। কোথায়? সেই ত্ববরিসতানের যিনি শাসক ছিলেন আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সদস্য ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৩২)
মিছর বা শহরের ব্যাখ্যা
মিছর বা শহরের তা’বীল বা ব্যাখ্যা হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা প্রদান করেছেন। সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ইমাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মধ্যে শহরের ব্যাখ্যায় বিভিন্ন ইখতিলাফ বা মতভেদ পরিলক্ষিত হয়। যেমন শহরের ব্যাখ্যায় কেউ বলেন-
১. শহর ওই স্থানকে বলে, যেখানে সর্বপ্রকার পেশার লোক বাস করে এবং প্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র পাওয়া যায়।
২. কেউ বলেন, শহর ওই স্থানকে বলে, যে স্থানে দশ হাজার লোক অথবা দশ হাজার সৈন্য বাস করে।
৩. আবার কেউ বলেন, শহর ওই স্থানকে বলে, যেখানে এত পরিমাণ লোক বাস করে, যদি তাদের বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে “ফাওয়ায়েদুল ফুওয়াদ” নামক কিতাবে উল্লেখ আছে যে, একদা দিল্লীর ৫০০ আলিমের সাথে সুলত্বানুল আউলিয়া হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বাহাছ হয়। কারণ দিল্লীর সেই আলিমরা অপবাদ দিয়েছিল যে, হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি গান-বাজনা করেন। বাহাছে যখন এ প্রশ্ন উত্থাপন করা হলো- তখন হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি কস্মিনকালেও গান-বাজনা করিনা বরং আমি সামা করি। আর আমার সামা পাঠের শর্ত হচ্ছে- (১) সেখানে কোন বাদ্য-যন্ত্র থাকবে না, (২) কোন বেগানা মহিলা থাকবে না, (৩) কোন নাবালেগ দা বাকি অংশ পড়ুন...
আর সেটাই মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে দেখা যাচ্ছে, হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন।
أَنَّ اُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدِتُنَا حَضْرَتْ الرَّابِعَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَتَلَتْ جَارِيَةً لَهَا سَحَرَتْهَا،
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবিয়া’হ আলাইহাস সালাম উনার এক দাসি ছিল, যেই দাসিটা উনাকে জাদু করেছিল। জাদু ক্রিয়া করতে পারেনি। কিন্তু তিনি তার শাস্তি দিলেন মৃত্যুদন্ড। তাকে ক্বতল করা হলো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে দেখা যাচ্ছে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
১৬নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عن حضرت كثير بن عبد الله بن عوف رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عن أبيه عن جده قَالَ قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اتقوا زلة العالم وانتظروا فيئته
অর্থ : “হযরত কাছীর বিন আব্দুল্লাহ্ বিন আউফ রহ্মতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা থেকে, তিনি উনার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আলিমগণের পদস্খলনকে ভয় কর এবং উনার (সুপথে) ফিরে আসার অপেক্ষা কর।” (বায়হাক্বী শরীফ, কানযুল উম্মাল শরীফ/২৮৬৭৮, হিলওয়ানী বাকি অংশ পড়ুন...
সবক্ব নং ১৭ : তাশ্দীদ উনার ব্যবহার
ইংরেজী অক্ষর ()ি এর মত তাশ্দীদ দেখা যায়। তাশ্দীদ হরফ উনার ভিতরে একটি সাকিন হরফ লুকিয়ে রয়। তাশ্দীদ ওয়ালা হরফ দু’বার উচ্চারণ হয়।
১ম বার তার ডান দিকের হরকত উনার সাথে মিলিয়ে।
২য় বার তার নিজস্ব হরকত উনার সাথে।
তাশ্দীদযুক্ত হুরূফ উনার মশ্ক্ব (অনুশীলন)
اَبَّ اَبِّ اَبُّ اَتَّ اتِّ اتُّ اثَّ اثِّ اثُّ
اَجَّ اَجِّ اَجُّ اَحَّ احِّ احُّ اخَّ اخِّ اخُّ
اَدَّ اَدِّ اَدُّ اَذَّ اَذِّ اَذُّ اَرَّ اَرِّ اَرُّ
اَزَّ اَزِّ اَزُّ اَسَّ اَسِّ اَسُّ اَشَّ اَشِّ اَشُّ
اَصَّ اَصِّ اَصُّ اَضَّ اَضِّ اَضُّ اَطَّ اَطِّ اَطُّ
اَظَّ اَظِّ اَظُّ اَعَّ اَعِّ اَعُّ اَغَّ اَغِّ اَغُّ
اَفَّ اَفِّ اَفُّ اَقَّ اَقِّ اَقُّ اَكَّ Ø বাকি অংশ পড়ুন...
وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এটা ক্ষমা করবেন। তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু। এই পবিত্র আয়াত শরীফ বলা হলো। এটা হচ্ছে পর্দার ব্যাপারে যে উনাদেরকে কষ্ট দিবে না। উনাদেরকে কষ্ট দিলে কি হবে? এখানে কিন্তু অনেক সূক্ষ্ম বিষয়। বলা হচ্ছে, কষ্ট দিবে না তারা। যখন দেখবে যে আপনারা পর্দা করেছেন, শরীফ আর তারা করবে না। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত শরীয়ত উনার হুকুমটা বর্ণনা করলেন। কি বর্ণনা করলেন?
لَئِن لَّمْ يَنتَهِ الْمُنَافِقُونَ وَالَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ وَالْمُرْجِفُونَ فِي الْمَدِينَةِ
যিনি খÂ বাকি অংশ পড়ুন...
নেককার আল্লাহওয়ালী আহলিয়া (স্ত্রী) শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয় বান্দাগণকে যত নিয়ামত দান করেছেন তন্মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত হচ্ছেন দ্বীনদার, পরহেযগার, আল্লাহওয়ালী আহলিয়া বা স্ত্রী।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اَلدُّنْيَا كُلُّهَا مَتَاعٌ وَخَيْرُ مَتَاعِ الدُّنْيَا اَلْمَرْأَةُ الصَّالِـحَةُ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাঠবাকি অংশ পড়ুন...
তাক্বওয়ার মূল জিনিস হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্ণ অনুসরণ এবং অনুকরণ। সেটাই হলো মূল তাক্বওয়া। আ’লা দরজার তাক্বওয়া। এ প্রসঙ্গে বলা হয়, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কেমন অনুসরণ করতেন। হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব আলাইহিস সালাম উনার জীবনের একটা ঘটনা বলা হয়। এই ওয়াকেয়া শুনলে আপনারা বুঝতে পঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রবৃত্তির অনুসরণ বা দাসত্ব হতে মুক্ত ব্যক্তি জান্নাতী আর প্রবৃত্তির লাগামহীন অনুসারী জাহান্নামী
কথিত খলীফা হারুনুর রশীদ মোটামুটি তার ইলম কালাম ছিল, কিছু আমলও তার ছিল। আর তার স্ত্রী জোবায়দা বেগম, সেও নেককার মহিলা ছিল। একদিন খলীফা হারুনুর রশীদের সাথে তার স্ত্রীর কিছু কথা কাটাকাটি হয়। স্ত্রী সবসময় চাইত খলীফা হারুনুর রশীদ যেন সৎমত সৎপথে চলে, কিন্তু হারুনুর রশীদের একজন সভাসদ ছিল। সে তাকে ওয়াসওয়াসা দিত। খলীফা হারুনুর রশীদ কোন একটা কাজের কথা বললো। বলার পরে তার স্ত্রী জোবায়দা বেগম বললো যে- আপনি যদি এই কাজ করেন, তাহলে আপনি জাহান্নà বাকি অংশ পড়ুন...
সেটা আলাদা নাযিল করলেন।
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ
নিশ্চয়ই যারা যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেয়
لَعَنَهُمُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
ইহকাল পরকালে তাদের জন্য যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে লা’নত। নাউযুবিল্লাহ!
وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِينًا
তাদের জন্য কঠিন লাঞ্চিত শাস্তি তৈরী করে রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ هُرَيرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ثَلَاثٌ كُلُّهُنَّ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ عِيَادَةُ الْمَرِيضِ وَشُهُودُ الْجَنَازَةِ وَتَشْمِيتُ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তিনটি বিষয় তার প্রতিটিই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ঠবাকি অংশ পড়ুন...












