নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন উনার মুবারক কর্ম দ্বারা কুরবানী মুবারক করতে উম্মতকে অনুপ্রাণীত করেছেন, তেমনি তিনি উম্মতকে তাকীদ দিয়েছেন ও উদ্বুদ্ধও করেছেন। আর তাই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও পবিত্র কুরবানী করার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ اَقَامَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ يُضَحِّي.
অর্থ : “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাঠবাকি অংশ পড়ুন...
পর্ব- ১০
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِـيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يُوْجِبُ الْـحَجَّ؟ قَالَ
“হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কোন জিনিস পবিত্র হজ্জ উনাকে ওয়াজিব করে? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
والله يختصى برحمته من يشاء .
অর্থ:- “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা উনাকে খাছ রহমত দান করেন।”
তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
ذلك فضل الله يؤتيه من يشاء.
অর্থ:- “উহা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ অনুগ্রহ। তিনি যাকে ইচ্ছা উনাকে তা দান করেন।”
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি উনাদের খাছ রহমত, দয়া, দান, ইহসান যারা লাভ করতে পারেন, উনারাই কেবল সমস্ত সৃষ্টির মাঝে শ্রেষ্ঠত্বের মাক্বামে সমাসীন হন। কায়িনাতের মধ্যে বিশেষভাবে স্মরণীয়-বরণীয় হয়ে থাকেন। মহান আল্লাহ পঠবাকি অংশ পড়ুন...
জাদ্দু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম উনার কুরবানী
সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদিন পবিত্র কা’বা শরীফ উনার হাতীমের মধ্যে ঘুমিয়ে আছেন। এমন সময়ে স্বপ্নে তিনি দেখতে পেলেন, একজন অচেনা আগন্তুক উনাকে বলছেন, পবিত্র কূপ খনন করুন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কোন্ পবিত্র কূপ? আগন্তুক এর কোন জবাব না দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। পরদিন সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার হুজরা শরীফ-এ গিয়ে ঘুমালেন, এ রাতেও সেই আগন্তুক এসে উনাকে বললেন, বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পৃথিবীর চাঁদ সম্পর্কে যতগুলি সংস্থা রয়েছে, নাসা রয়েছে, যারা রকেট নিক্ষেপ করে এরাও কিন্তু চাঁদের মাসয়ালা জানে না। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, তারা রকেট সম্পর্কে অভিজ্ঞ। চাঁদ সম্পর্কে অভিজ্ঞ না। অনেকগুলি বিষয় রয়েছে, যারা এ সমস্ত বিষয় নাড়াচাড়া করে থাকে, তাদের চাঁদ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অত্যন্ত কম। যার কারণে সৌদি আরব ধোঁকা দিতে পারে, মিথ্যা বলে। এখন এ বিষয়ে ইলম অর্জন করা প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমাদের এখানে কয়েকবার চাঁদের প্রদর্শনী করা হয়েছে। আমরা বলেছি, সামনে আরো করার জন্য। যাতে চাঁদের মাসয়ালা প্রত্যেকেই বাকি অংশ পড়ুন...
সমঝ ও বিচক্ষণতা-২
পূর্ব প্রকাশিতের পর
অবশেষে ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট গিয়ে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলল। হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি সবকিছু শুনে বললেন, তোমরা মহল্লার মসিজদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং দু চার জন গন্যমান্য ব্যক্তিকে আমার নিকট নিয়ে আস। তাদেরকে আনা হলে হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “তোমরা কি চাওনা যে, এই ব্যক্তির চুরি হয়ে যাওয়া মালামাল সে আবার ফিরে পাক?” তারা বলল অবশ্যই চাই। ইমামে আ’যম রহমতুল্লাইহি আলাইহি বললেন, তাহলে তোমরা ফিরে গিয়ে তোমাদের এলাকায় যত চোর-বদমায়েশ আর সন্দেহজনক ব্যক্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ :
‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’ বলে বুঝানো হয়েছে-
হযরত ইসমাঈল যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে। আর উনাকেই পবিত্র কুরবানী করার নির্দেশ মুবারক পেয়েছিলেন হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি। অর্থাৎ তিনিই ছিলেন ‘যবীহ’ (কুরবানীকৃত)। কিন্তু ইহুদী, খ্রিস্টানরা বলে, ‘যবীহ’ ছিলেন হযরত ইসহাক্ব আলাইহিস সালাম। নাঊযুবিল্লাহ! তাদের এ উক্তি যে অসত্য, তা বলাই বাহুল্য।
মূঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে-
পবিত্র হজ্জ এবং পবিত্র উমরাহ উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, হুকুম-আহকাম সম্পর্কে
৮
পূর্ব প্রকাশিতের পর
চাঁদের মাসয়ালা মাসায়িল এটা যদিও ফরযে কিফায়া তবে আমভাবে মানুষের জানার দরকার রয়েছে। এখন মানুষ চাঁদ সম্পর্কে কিছুই জানে না। যার জন্য হজ্জ হোক, উমরাহ হোক, নামায হোক, রোযা হোক, যাকাত হোক, ঈদ হোক, শবে বরাত, শবে ক্বদর হোক কোনটাই কিন্তু মানুষ ফিকির করে না। পবিত্র শবে বরাত শা’বান মাসের ১৫ তারিখে হবে। এখন যদি চাঁদ ঠিক মত না দেখে ১৪ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে শবে বরাতে না করে ১৩ তারিখ দিবা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
قَالَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَظِّمُوْا ضَحَايَاكُمْ فِاِنَّـهَا عَلَى الصِّرَاطِ مَطَايَاكُمْ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা তোমাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরবানী উনার পশু উনাদেরকে সম্মান করো। কেননা, নিশ্চয়ই তা তোমাদের জন্য পুলছিরাত পার হওয়ার বাহন হবেন। ” সুবহানাল্লাহ! (ফায়যুল ক্বাদীর ১/৪৯৬)
কাজেই, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরবানী উনার পশু উনাদেরকে সম্মান করা, তা’যীম—তাকরীম মুবারক করা সà বাকি অংশ পড়ুন...
মূলত নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মধ্যে অবস্থান করার কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার গলা মুবারক না কাটার জন্য ছুরিকে ৭০ বার আদেশ মুবারক করেন। হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পরিবর্তে মহান আল্লাহ পাক তিনি বেহেশত হতে একটি দুম্বা কুরবানী হিসেবে কবুল করেন। উক্ত দুম্বাটি সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছে—
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فِيْ قَوْلِهِ {وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيْمٍ} قَالَ كَبْشٌ قَدْ رَعٰى فِى الْـجَنَّةِ اَرÙ বাকি অংশ পড়ুন...
৭ ) পূর্ব প্রকাশিতের পর
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে একাধিক বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে, হযরত আমর বিন আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত দাহ্ইয়াতুল কলবি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে। যখন হুদাইবিয়ার সন্ধি হয়ে গেলো তখন কুরাইশ গোত্র হতে অনেকে এসে ঈমান এনে মুসলমান হয়ে গেছেন। হযরত আমর বিন আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত দাহ্ইয়াতুল কলবি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা আলাদাভাবে তাওবাহ করার জন্য আসলেন। এসে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
তাকবীরে তাশরীক পাঠ করার শরয়ী বিধান :
পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর-
اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ وَللهِ الْـحَمْدُ.
উচ্চারণ : “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হাম্দ।”
এই পবিত্র তাকবীর মুবারক পাঠ করতে হয়। উক্ত পবিত্র তাকবীর মুবারক খানাকেই পবিত্র ‘তাকবীরে তাশরীক’ বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে পুরুষ-মহিলা প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্à বাকি অংশ পড়ুন...












