যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন,
وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللَّهُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন এই পবিত্র আয়াতে মুতাশিবাহার অর্থ মুবারক মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া কেউ জানেন না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ يَقُولُونَ آمَنَّا بِهِ
ইলমে যারা রাসিখূন অর্থাৎ মিন্ লাদুন্না ইলমা প্রাপ্ত যারা। হাক্বীক্বী যারা আলিম হাক্বানী উনারা বলেন, কি বলেন? আমরা এর মধ্যে ঈমান আনলাম, বিশ্বাস করলাম যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া কেউ জানেন না। সুব বাকি অংশ পড়ুন...
إِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَاللَّهُ يُعْطِي
যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে হাদীয়া মুবারক করেছেন আর তিনি যাকে ইচ্ছা তাকেই বন্টন মুবারক করেন, আর সে ততটুকু পায়। এর চাইতে এক জাররাহ পরিমাণ বেশী ইলম নাই, এরা মিথ্যাবাদী। উনারা যাকে যতটুকু দেন সে ততটুকু লাভ করবে এর বাইরে ইলম-কালাম নেই। এই জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক বলা হয়েছে। আমি অনেক বার বলেছি,
هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কিতাব নাযিল করলেন। এ পবিত্র আয়াত শরীফ মুখস্থ রাখতে হবে সবার।
مِنْهُ آيَاتٌ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সাথে পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক-এর অনবদ্য পবিত্র সুন্নত উনার অনুসরণ, প্রতিপালন, বাস্তবায়ন, প্রতিষ্ঠা ও জারি করার লক্ষ্যে যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূল, ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, নকশায়ে রসূল, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, হুজ্জাতুল ইসলাম, মুজাদ্দিদ আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ১৯শে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلَى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ وَالْحِكْمَةِ إِنَّ اللَّهَ كَانَ لَطِيفًا خَبِيرًا
অর্থ: “আপনারা স্মরণ করুন, নছীহত মুবারক করুন, আপনাদের মহাসম্মানিত হুজরা শরীফে যা তিলাওয়াত মুবারক করা হয়েছে বা নাযিল মুবারক করা হয়েছে, পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন। অর্থাৎ পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ আপনারা স্মরণ করুন এবং উনাদের মাধ্যমে নছীহত মুবারক করুন। নিশ্চয়ই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত সূক্ষ্ম খবর রাখনেওয়ালা। অর্থাৎ ঠবাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে উনাদের শান-মান কতটুকু? এখানেতো প্রকাশ্য মৃত্যুদন্ড দেয়া হলো না। যেহেতু সে প্রকাশ করে নাই বিষয়টা। কিন্তু তার ভিতরে বিদ্বেষ ছিলো, এই বিদ্বেষের কারণে তাকে জাহান্নামে দেয়া হলো। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই ফিকির করতে হবে উনাদের শান-মান মুবারক কতো? মুখে আসলেতো বলা যাবে না। কিতাবে আসলো, কাগজ কলম পাওয়া গেল আর তাফসীর লেখা শুরু হয়ে গেল, কাগজ কলম পাওয়া গেল পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার শরাহ লেখা শুরু হয়ে গেল, কাগজ কলম পাওয়া গেল উনাদের ছাওয়ানেহ উমরী মুবারক লেখা হয়ে গেল যে উনারা উমুক করেছেন তমুক করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এসà বাকি অংশ পড়ুন...
দুনিয়ার যমীন কখনোই মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে খালি নয়। ক্বিয়ামত পর্যন্ত সবসময়ই দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা অবস্থান মুবারক করবেন। যখন উনারা বিদায় নিবেন, তখন সমস্ত কায়িনাত ধ্বংস হয়ে যাবে:
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النُّجُوْمُ اَمَانٌ لِّاَهْلِ السَّمَاءِ اِذَا ذَهَبَتِ النُّجُوْمُ ذَهَبَ اَهْلُ السَّمَاءِ وَاَهْلُ بَيْتِـىْ اَمَانٌ لِّاَهْلِ الْاَرْضِ فَاِذَا ذَهَبَ اَهْلُ بَيْـتِـىْ ذَهَبَ اَهْلُ الْاَرÙ বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের পত্রিকায় দেয়া হয়েছে কতগুন শাস্তি হবে। তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে চূ-চেরা কিল ও কাল করার সুযোগটা কোথায়। এখানে স্পষ্ট বলতে হবে যে আমরা এ বিষয় কিছু জানি না। আর যদি জানো তাহলে যতটুক জানো ততটুকু বলবে এর বাইরে বলতে পারবে না। পিতা-মাতার হক্বতো সব বলে দেয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কোন বাদ দেয়া হয়নি। সাধারণ পিতা-মাতার হক্ব এতটুকু তাহলে উনাদের সম্মান, ফযীলত কতটুকু। তাহলে উনাদের শান মুবারকে কিভাবে কথা বলতে হবে এটা মানুষের জানা নাই আদব শরাফত। পবিত্র কালামুলà§ বাকি অংশ পড়ুন...
বিবাহ মানব জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আগামী দিনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্না এ সময়ই রচিত হয়। এমনকি জান্নাত ও জাহান্নামের রাস্তা খুলে যায়। তাইতো কবি যথার্থ বলেছেন-
زن نیک و پارسہ فرماں بود کند مرد درویش را پادشہ
زن بد در سرائی مرد نکوں ھم دریں عالم است دوزخ او
অর্থ: নেককার স্ত্রী গরীব স্বামীকে বাদশাহ বানায়। আর বদকার স্ত্রীর কারণে নেককার ব্যক্তির দুনিয়াটা জাহান্নামে পরিনত হয়। নাউযুবিল্লাহ্ !
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الدُّنْيَا كُلُّهَا مَتَاعٌ، وَخَيْرُ مَتَاع বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত যুননুন মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি বড় বুজুর্গ মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী ছিলেন। তিনি একদিন গিয়েছেন পবিত্র কাবা শরীফ-এ হজ্জ করতে। হজ্জ শেষে তিনি বসে রয়েছেন পবিত্র কাবা শরীফ উনার সীমানার মধ্যে পবিত্র কাবা শরীফ উনার পাশে। হঠাৎ দেখলেন, একটা মেয়েলোক একটা বাচ্চাসহ সেখানে এসেছে। সে এসে বলছে, “মহান আল্লাহ পাক! সেই গোপন ওয়াদা।” বার বার সেই মেয়েলোকটা একই কথা বলছে। যখন সে এই কথা বার বার বলছে, হযরত যুননুন মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, যেখানে বসা ছিলেন সেখান থেকে উঠে গিয়ে সেই মহিলার নিকটে গিয়ে বললেন, হে মহিলা কিসের গোপন ওয়াদা? কোন গোপন ওয়াদ বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই সে একটা কাফির, তার গরদান ফেলে দাও। তার গরদান ফেলে দেয়া হলো। তার ফায়সালা কি তাহলে? তাহলে দেখা যাচ্ছে সম্মানিত শরীয়ত উনার মাসয়ালা হচ্ছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা কিল ও কাল করলেই তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। এটা কিন্তু মৃত্যুর পরিবর্তে না, উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারকের বিরুদ্ধে বললেই তার শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদন্ড। এটা মনে রাখতে হবে। আমরা একটা ফতওয়া বের করতেছি। এই কাফিরগুলি উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা কিল ও কাল করে যাচ্ছে, বিষয়টা কঠিন একটা বিঠবাকি অংশ পড়ুন...
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য: বালা-মুছীবতের সময় ফযরের নামাযে ‘কুনূত’ পাঠ করা জায়িয। কেননা, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একমাস ফযরের নামাযে কুনূত পাঠ করেছিলেন।
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া: আখিরী রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একমাস ফজরের নামাযে ‘কুনূত’ পাঠ করলেও পরবর্তীতে তা ‘মানসূখ’ হয়ে গেছে। তাই এর পূর্বে ও পরে কখনো তিনি ‘কুনূতে নাযিলা’ পাঠ করেননি। এমনকি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারাও কখনো ‘কুনূতে নাযিলা’ পাঠ করেননি। তাই আমাদের হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমাম আ’যম হযরত আবূ হানী বাকি অংশ পড়ুন...
রিয়াজত-মাশাক্কাত:
ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত ত্বরীকত, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিযামিয়া মাদরাসায় অধ্যয়নকালে বাগদাদ শরীফ-এর বিভিন্ন আওলিয়ায়ে কিরাম তথা পীর মাশায়িখগণের দরবার শরীফ-এ যাতায়াত করতেন। মাদরাসায় ইলমে ফিকাহ তথা জাহিরী ইলিম হাছিলের পাশাপাশি বাতিনী ইলিম তথা ইলমে তাছাউফ হাছিলের লক্ষ্যেই ছিল সেই যাতায়াত। তিনি অতি অল্প বয়সেই এই উপলব্ধির চরম স্তরে পৌঁছেছিলেন যে, শুধু ইলমে ফিক্বাহ তথা জাহিরী ইলিম দ্বারা বাকি অংশ পড়ুন...












