মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالثَةِ الصَّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ اِذَا اَخَذَ اَهْلَهُ الْوَعْكُ أَمَرَ بِالْحَسَاءِ قَالَتْ وَكَانَ يَقُوْلُ إِنَّهٗ لَيَرْتُوْ فُؤَادَ الْحَزِيْنِ وَيَسْرُوْ عَنْ فُؤَادِ السَّقِيْمِ كَمَا تَسْرُوْ إِحْدَاكُنَّ الْوَسَخَ عَنْ وَجْهِهَا بِالْمَاءِ.
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
১৮২
مَنْ قَالَ فِي الْقُرْآنِ بِرَأْيِهِ فَقَدْ كَفَرَ
যে পবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে তার মন মতো ব্যাখ্যা করলো সে কুফরী করলো। নাউযুবিল্লাহ!
مَنْ قَالَ فِي الْقُرْآنِ بِغَيْرِ عِلْمٍ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ.
আর যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মনগড়া ব্যাখ্যা করলো সে যেন তার স্থান দুনিয়ায় থাকতেই জাহান্নাম নির্ধারণ করে নেয়। নাউযুবিল্লাহ!
عَنْ حَضْرَتْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِىَ اللهُ تَعَالىَ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم্র مَنْ قَالَ فِى الْقُرْآنِ بِرَأْيِهِ فَأَصَابَ فَقَدْ أَخْطَأَ গ্ধ.
হযরত জুনদুব ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। বাকি অংশ পড়ুন...
একবার ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার অতি প্রিয় ও মূল্যবান লৌহ বর্ম হারিয়ে গেল। এরপর একদিন তিনি দেখলেন কুফার বাজারে এক ইহুদী সেই বর্মটি বিক্রি করতে নিয়ে এসেছে। কাছে গিয়ে তিনি বর্মটি ভালোভাবে পরখ করে বললেন, ‘বর্মটি আমার। এটি আমার উটের পিঠ থেকে অমুক রাতে অমুক স্থানে পড়ে গিয়েছিল।’ ইহুদী বললো, ‘জ্বী না, আমিরুল মুমিনীন! এটি আমার বর্ম এবং আমার হাতেই রয়েছে।’ ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম বললেন, ‘এটি অবশ্যই আমার বর্ম কারণ এটি আমি বিক্রিও করিনি বা কাউক বাকি অংশ পড়ুন...
অতঃপর এই বিষয়টি জানিয়ে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট চিঠি লিখলেন। উক্ত চিঠির জবাবে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি চিঠি লিখে পাঠালেন যে, আপনি তার হাত কাটবেন না। বরং আপনি নামাযের স্থানটি (একটু পেছনে) সরিয়ে নেন। আর ‘বাইতুল মাল’ সামনের দিকে ক্বিবলা বরাবর নির্ধারণ করুন। কেননা, নামায আদায়ের স্থানে (সাধারণতঃ) মুছল্লীগণ সবসময় অবস্থান করবেন (তখন বাইতুল মাল সামনে থাকায় কোনো ক্ষতি হবে না)। অতঃপর হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাস’ঊদ রদ্বিয় বাকি অংশ পড়ুন...
সাবধান! কোটি কোটি মানুষ আসে যায়: দৈনিক- জন্ম ৩.৬ লক্ষ, মৃত্যু ১.৫১৬ লক্ষ, ঘন্টায়- জন্ম ১৫ হাজার; মৃত্যু ৬.৩১ হাজার। কারো জন্যে দুনিয়ার কোন কাজ থেমে থাকবেনা। কাজেই, এখন থেকেই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
সংকীর্ণতা অবস্থায় খরচ করলে প্রশস্ততা আসে। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لِيُنفِقْ ذُوْ سَعَةٍ مِّنْ سَعَتِهِ ۖ وَمَنْ قُدِرَ عَلَيْهِ رِزْقُهُ فَلْيُنفِقْ مِمَّا اٰتَاهُ اللهُ لَا يُكَلِّفُ اللهُ نَفْسًا إِلَّا مَا اٰتَاهَا ۚ سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرٍ يُّسْرًا
অর্থ: বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি তার রিযিকের ব্যাপারে সংকীর্ণতা অনুভব বাকি অংশ পড়ুন...
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য: পীর ছাহেবকে ক্বিবলা বলা জায়িয নেই। কারণ মুসলমানদের একমাত্র ক্বিবলা হচ্ছে কা’বা শরীফ।
দ্বীন ইসলামের ফতওয়া: শরীয়তে পাঁচ প্রকার ক্বিবলা রয়েছে, (১) সকল ক্বিবলার বিলীনকারী ক্বিবলা হচ্ছেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি। (২) সকল কায়িনাতের ক্বিবলা হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। তাই উনাকে ক্বিবলা ও কা’বা বলা হয়। (৩) নামাযের ক্বিবলা হচ্ছে, কা’বা শরীফ। (৪) দোয়া বা মুনাজাতের ক্বিবলা হচ্ছে, আসমান। তাই মুনাজাতের সময় হাতের তালু আসমানের দিকে রাখতে হয়। (৫) ক্বলবের ক্বিবলা হচ্ছেন, বাকি অংশ পড়ুন...
অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর উনাদের মধ্যে বিশেষ ভাবে হচ্ছেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান, উনাদের খুছূছিয়াত-বৈশিষ্ট্য উনাদেরকে ইত্তেবা করার জন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাসে দান করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ عَنِ النَّبِى ِّصَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَصَدَّقَ فِيْهِ بِصَدَقَةٍ فَكَاَنَّما تَصَدَّقَ بِاَلْفِ دِيْنَارٍ وَ كَتَبَ اللهُ لَهُ بِكُلِّ شَعْرَةٍ عَلَى جَسَدِهِ اَلْفَ حَسَنَةٍ وَ رَفَعَ لَهُ اَلْفَ دَرَجَةٍ وَ مَحَا عَنْهُ اَلْفَ سَيِّئَةٍ وَ كَتَبَ اللهُ لَهُ بِكُلِّ صَدَقَةٍ يَتَصَدَّقُ بِهَا اَلْفَ حَجَّةٍ وَ اَلْفَ عُمْرَةٍ وَ بَنَى اللهُ لَهُ فِى الْجَنَّةِ اَلْفَ قَصْرٍ
অর্থ: “হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু তিনি নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে একটি ওয়াকিয়া বর্ণিত রয়েছে।
সালাবা ইবনে হাতিবের ওয়াকিয়া : পবিত্র সূরা তওবা শরীফ উনার ১০৩ নং আয়াত শরীফ নাযিল হওয়ার পর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ২ জন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনাদেরকে ‘সালিম গোত্রে’ এবং ‘জোহাইনা গোত্রে’ যাকাতের হুকুম-আহকাম লিখে পাঠালেন। সালাবা ইবনে হাতিবের কাছে এবং আরেক জন ‘সালিম গোত্রের’ ব্যক্তির কাছে। যিনি অনেক সম্পদশালী ছিলেন, উনার অনেক গরু-ছাগল, দুম্বা-বকরী ছিলো।
দুইজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনারা প্রথমে সালাবা ইবনে হাত বাকি অংশ পড়ুন...
১৮০
আজকের খুতবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন উনাদের খুছূছিয়াত, উনাদের বৈশিষ্ঠ্য, উনাদের ফযীলত মুবারক আমরা অতীতেও অনেক আলোচনা করেছি। গত কয়েক সপ্তাহে আলোচনা করা হয়েছে এবং আজকেও একটা বিশেষ বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। এখন বিষয়গুলি একদিক থেকে জাহিরী ভাবে, আরেকদিক থেকে বাতিনী ভাবে। কতগুলি মাসয়ালা রয়েছে, বিষয় রয়েছে যেগুলি সাধারনভাবে কোন জাহেরী কিতাবে পাওয়াটা ক বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাসে পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করার ফযীলত মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
رُوِيَ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنَّهُ قَالَ رَاَيْتُ لَيْلَةَ الْمِعْرَاجِ نَهْرًا مَائُهُ اَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ وَاَبْرَدُ مِنَ الثَّلْجِ وَ اَطْيَبُ مِنَ الْمِسْكِ فَقُلْتُ لِجِبْرَائِيْلَ عَلَيْهِ السَّلَامُ لِمَنْ هَذَا قَالَ لِمَنْ صَلَّى عَلَيْكَ فِىْ رَجَبَ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণিত, তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ রজনীতে আমি একটি নহর ব বাকি অংশ পড়ুন...
রোমান সৈন্যদের একদল কানাতীরের নেতৃত্বে লাজিকিয়ার পথ ধরে এগুতে আরম্ভ করলো। আরেকদল জার্জিরের নেতৃত্বে জাদাতুল উজমার এবং সাওমীনের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল কাওরীনের নেতৃত্বে হালাব ও হামাতের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল দীরজানের নেতৃত্বে আওয়াসিমের পথ ধরে এগুতে থাকলো। মাহান তার নেতৃত্বাধীন সৈন্যদের নিয়ে সবার পিছনে চললো। জাবালা বিন আইহাম গসসান, লাখম, ও জুযাম গোত্রের আরব খ্রিস্টানদের নিয়ে সবার আগেই রওয়ানা হয়।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট খ্রিস্টানদের ব্যাপক প্রস্তুতির সংবাদ প্রেরণ করা হলে, তিনি সম্ বাকি অংশ পড়ুন...












