সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসে তৃতীয় সপ্তাহে মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এরপর ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার তৃতীয় সপ্তাহে আবার মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। যার কারণে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন যে, সত্যিই কী নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া স বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
والذين اتبعوهم باحسان رضى الله عنهم ورضوا عنه
অর্থ: “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে যারা উত্তমভাবে অনুসরণ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের প্রতিও সন্তুষ্ট হবেন এবং তারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট। অর্থাৎ তারা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভ করতে পারবেন।” সুবহানাল্লাহ!
‘আখির’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘শেষ’। আর ‘চাহার শোম্বাহ’ ফার্সী শব্দ। যার অর্থ হচ্ছে ‘ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)’।
পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ‘শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)’ দিনটি সারাবিশ্বে পবিত্র ‘আখির বাকি অংশ পড়ুন...
‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ উনার অর্থ হলো শেষ আরবিয়া (বুধবার)। অর্থাৎ পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ আরবিয়া (বুধবার)কেই বলা হয় “আখিরী চাহার শোম্বাহ” শরীফ। এ দিনটি হচ্ছে সকল মুসলমান পুরুষ-মহিলা উনাদের জন্য মহা খুশির দিন। কারণ যিনি নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়াবী দৃষ্টিতে বেশ কিছুদিন মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করার পর এই মুবারক দিনটিতে ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন এবং মসজিদে নববী শরীফ উনার বাকি অংশ পড়ুন...
একখানা পবিত্র আয়াত শরীফই যথেষ্ট। এটাই যথেষ্ট বুঝার জন্য যদি সে বুঝতে পারে। আর না বুঝলে সে বুঝবে না কখনও। তাহলে বিষয়গুলি প্রত্যেকটা ফিকির করতে হবে। উনাদের পবিত্র শান মুবারক এটা প্রত্যেককেই মুখস্থ রাখতে হবে। এটা আমরা অনেক দিন ধরে বলে যাচ্ছি এটা মুখস্থ রাখতে হবে, এটা ঠোঁটস্থ কন্ঠস্থ করতে হবে যে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র শান মুবারকে কখনও চূ-চেরা কিল ও কাল করা যাবে না। উনাদের পবিত্র খুছূছীয়াত মুবারক, পবিত্র বৈশিষ্ট্য মুবারক সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। এটা কল্পনাতীত বিষয়। মানুষ কল্পনা করেও সেখানে পৌঁছ বাকি অংশ পড়ুন...
৬১নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ أبي هريرة رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أشد الناس عذابا يوم القيامة عالم لم ينفعه علمه
অর্থ : “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ক্বিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির সবচেয়ে কঠিন আযাব হবে, যে ব্যক্তির ইল্ম তার কোন উপকারে আসেনি। ” (ত্ববরানী শরীফ, ইবনে মানছুর, বায়হাক্বী শরীফ, কানযুল উম্মাল শরীফ/২৮৯৭৩)
৬২নং পবিত্র হাদ বাকি অংশ পড়ুন...












