যিনি খলিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন -
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللَّـهَ فَاتَّبِعُوْنِيْ يُحْبِبْكُمُ اللَّـهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّـهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থঃ আমার মহা সম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি জীন-ইনসান সারা কায়িনাত কে বলে দিন তোমরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মারিফত চাও তাহলে আমাকে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইত্তেবা করে,অনুসরণ করে। আর তাহলে মহান আ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এখন রোযা রেখেছেন ইফতার করবেন, ইফতারের সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে বা বন্দোবস্তও করা হয়েছে। এমন সময় একজন ইয়াতীম এসে উনাদের বাড়ির দরজায় হাক দিলো যে, আমাকে দয়া করে কিছু খাদ্য দান করুন, আমি কয়েকদিন ধরে না খাওয়া রয়েছি।
যখন সে ইয়াতীম ছেলে হাক দিল তখন সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত আন নূরুর রবিআহ যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আসাদুল্লাহিল গালিব হযরত ইমামুল আউওয়াল র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে বললেন, আমরাতো গত রাতে সাহরী করেছি; এখন এই ইয়াতীম বলতেছে, সে কয়েকদিন ধরে না খাওয়া তাহলে আমাদের ইফতারীর যা ব বাকি অংশ পড়ুন...
কেউ কেউ برنس ‘বুরনুস’ শব্দের উপর ভিত্তি করে বলে থাকে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও বিশেষজ্ঞ আলিমগণ কিস্তি টুপি পরিধান করেছেন। কেননা برنس ‘বুরনুস’ শব্দের একাধিক অর্থের মধ্যে একটি অর্থ হলো- “লম্বা টুপি”। সুতরাং কিস্তি টুপি পরিধান করাও সুন্নত। তাদের বক্তব্যের জবাবে প্রথমতঃ বলতে হয় যে, برنس ‘বুরনুস’ শব্দের উপর ভিত্তি করে কিস্তি টুপিকে সুন্নত বলা জিহালত বা মূর্খতার চরম বহিঃপ্রকাশ। মূলতঃ যারা এরূপ বলে, তারা “বুরনুস” শব্দের হাক্বীক্বত মোটেও বুঝেনি। কারণ برنس ‘বুরনুস’ শব্দের একাধিক অর্থের মধ্যে একটি অর্থ যদিও বাকি অংশ পড়ুন...
নাসী বা মাসের তারিখ হেরফের করা একটি জঘন্যতম কুফরী কাজ যা কুফরীকে আরো বৃদ্ধি করে
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّـمَا النَّسِيءُ زِيَادَةٌ فِي الْـكُفْرِ ۖ يُضَلُّ بِهِ الَّـذِيْنَ كَفَرُوْا يُـحِلُّونَهٗ عَامًا وَيُـحَرِّمُوْنَهٗ عَامًا لِّيُوَاطِئُوْا عِـدَّةَ مَا حَرَّمَ اللهُ فَيُحِـلُّوْا مَا حَرَّمَ اللهُ ۚ زُيِّنَ لَـهُمْ سُوْءُ اَعْـمَالِـهِمْ ۗ وَاللهُ لَا يَـهْدِي الْقَوْمَ الْـكَافِرِيْـنَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই নাসী বা মাসকে আগে পিছে করা কুফরীকে বৃদ্ধি করে থাকে। এর দ্বারা কাফিরেরা গুমরাহীতে নিপতিত হয়। তারা (ছফর মাসকে) এক বছর হালাল করে নেয় এবং আরেক বছর হারাম বাকি অংশ পড়ুন...
বুদ্ধিমত্তা
ইমামুল মুহাদ্দিসীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন প্রত্যুৎপন্নমতি। অসাধারণ উপস্থিত বুদ্ধি সম্পন্ন। যে কেউ যখনই কোন প্রশ্ন করতেন তা দুনিয়াবী হউক বা উখরোবী হউক তিনি তৎক্ষণাৎ তার জাওয়াব দিতে পারতেন। সুবহানাল্লাহ!
একদিন শহরে একটি ময়ুর চুরি হয়। ময়ূরের মালিক সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে অভিযোগ দায়ের করলেন। তিনি নামায শেষ হওয়ার সাথে সাথে মসজিদে দাঁড়িয়ে বললেন, ময়ূর চোরের লজ্জা করে না যে, সে নামায পড়ে আর তার মাথায় ময়ূরের পালক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র তরীক্বাসমূহ উনাদের ইমাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা বলেন, “প্রতিটি মানুষের শরীরে দশটি লতিফা রয়েছে। যেমন- ক্বলব, রূহ, সির, খফী, আখফা, নফস, আব (পানি), আতেশ (আগুন), খাক (মাটি) ও বাদ্ (বাতাস)।”
উল্লিখিত লতিফাসমূহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত এবং প্রত্যেকটি লতিফাই এক একটি নেক খাছলতের মাক্বাম। যেমন-
(১) ক্বল্ব্ : বাম স্তনের দু’আঙ্গুল নিচে অবস্থিত। আর ক্বলব হচ্ছে তওবার মাক্বাম। অর্থাৎ সালিক যখন ক্বলবের সবক আদায় করে, তখন সে পাপ বা নাফরমানী থেকে ফিরে আসে। তওবার বিপরীত হচ্ছে পাপ বা নাফরমানীর মধ্যে মশগুল থাকা। অর্থাৎ যার তওবার মাক্বাম বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন যে, ‘সম্মানিত যমযম কূপ মুবারক খনন করার সময় কুরাইশদের সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে বিবাদ হয়েছিলো, তার প্রেক্ষিতে তিনি সম্মানিত মানত মুবারক করেছিলেন যে, যদি উনার দশ জন সম্মানিত আওলাদ (পুত্র সন্তান) আলাইহিমুস সালাম উনারা সম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন এবং প্রাপ্ত বয়স মুবারক-এ উপনীত হয়ে উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়ার উপযুক্ত হন, তাহলে উনাদের একজনকে মহান আল্লাহ পাক উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে মহাসম্মানিত ও বাকি অংশ পড়ুন...
যদিও সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মুল মু’মিনীন, উম্মুল কায়িনাত আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থেকে ছিলেন সম্পূর্ণরূপে পবিত্র থেকে পবিত্রতম। উনারপরও বর্ণনায় যা এসেছে তা হচ্ছে- বয়স মুবারক বৃদ্ধি পাওয়ায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে আনজামে ব্যঘাত হচ্ছে কিনা এ আশঙ্কায় বারবার দুঃখ প্রকাশ করতেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার দরবারে ক্রন্দন করে ফরিয়াদ মুবারক করতেন, ওগো পরম করুণাময় মহান আল্লাহ পাক! বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাস ও সীরাত গ্রন্থসমূহে উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার ব্যবসা-বাণিজ্যের আলোচনায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে দরিদ্র, গরিব, অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব, কপর্দকহীন ইত্যাদি শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! অপর দিকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার কর্মচারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! ন বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি পূর্ব থেকেই মনোনীত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে আনজাম দেয়ার জন্য উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছেন। যা উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার একখানা বিশেষ স্বপ্ন মুবারক দ্বারা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট হয়। ‘হায়াতুল ক্বুলূব’ নামক কিতাবে উল্লেখ করা হয়- উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি উনার একখানা স্বপ্ন মুবারক বর্ণন বাকি অংশ পড়ুন...












