নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِينَ امَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে পবিত্র ছলাত বা পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদার ব বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে: বাগদাদ শরীফে কিছু লোক ছিলো যারা ছিনতাই, মারা-মারি, কাটা-কাটি, লুটপাট করতো, নানা রকম অপকর্মে লিপ্ত ছিলো এবং মানুষ নিয়েও তারা ব্যবসা করতো। নাউযুবিল্লাহ! এখন পুরুষ যারা তারা ছিনতাই, খুন-খারাবি, মাল-সামানা আত্মসাৎ ইত্যাদি করতো। আর যারা মহিলা ছিলো তাদের দায়িত্ব ছিলো নানান মেয়েদেরকে ধোঁকা দিয়ে এনে তাদের মাধ্যমে তারা ব্যবসার কোশেশ করতো। নাউযুবিল্লাহ!
একদিন একটা ঘটনা ঘটলো। যে এলাকায় তাদের আস্তানা ছিলো, তা ছিল রাস্তার শেষ প্রান্ত। যার পরে বাড়ি ঘর নেই, সেখানে বড় ময়দান খোলামেলা জায়গা ঝোপঝাড় জঙ্গল। তারা লোকদেরকে ধে বাকি অংশ পড়ুন...
৯৩নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ أبي هريرة رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احذروا زلة العالم فإن زلته تكبكبه في النار
অর্থ : “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আলিমের পদস্খলন থেকে সতর্ক থাক। নিশ্চয়ই তার পদস্খলন তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করে।” (দায়লামী শরীফ, কানযুল উম্মাল শরীফ/২৮৬৭৯)
৯৪নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ ابن عمر বাকি অংশ পড়ুন...
যে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ভরসা করে, মহান আল্লাহ পাক তিনিই তার জন্য যথেষ্ট হন। হযরত হাতেম আছেম রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমি এই পবিত্র আয়াত শরীফ যখন পেলাম, তখন মনে মনে চিন্তা করলাম, সত্যিই একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার উপরই ভরসা করা উচিত। হযরত হাতেম আছেম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটা ঘটনা বলা হয় যে, তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর ভরসা করতেন। উনার আর্থিক অবস্থা তত স্বচ্ছল ছিলনা। একবার পবিত্র হজ্জের সময় যখন হলো তখন উনার সঙ্গী-সাথীরা বললো- হে হযরত হাতেম আছেম রহমতুল্লাহি আলাইহি আপনি কি পবিত্র হজ্জে যাবেন? তিনি বললেন, দেখ আমি হজ্জে যাব বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো জানেন তারপরেও তিনি এসে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি যে জামা মুবারক হাদিয়া করেছিলেন সেটাতো সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত আন নূরুর রবিআহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনি অনেক পছন্দ করেছিলেন, মুহব্বত করেছিলেন। উনার অন্তর চাচ্ছিল না সেটা দিয়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু যেহেতু যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, পছন্দনীয় জি বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্তম বাকি অংশ পড়ুন...
দুনিয়ার মুহব্বতের কারণে মানুষ একজন আর একজনের সম্পদ লুটপাট করে থাকে। সম্পদ আহরনের সময় বৈধ-অবৈধ সে খেয়াল করে না, যার জন্য সে গুণাহগার হয়ে যায়। হযরত হাতেম আছেম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, আমি যখন চিন্তা করলাম এবং এই পবিত্র আয়াত শরীফ ফিকির করলাম যে মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেককেই তার সম্পদ যথাযথভাবে বন্টন করে দিয়েছেন, চিন্তা ফিকিরের কোন ব্যাপারই নেই। আমার যা রয়েছে, তকদিরে সেটা তো অবশ্যই আসবে। কাজেই শরীয়ত সম্মত যা কোশেশ করা দরকার, সেই কোশেশ আমি করে যাব, আর আমার যেটা সেটা আমার কাছে আসবেই। কাজেই বৈধ-অবৈধ অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, অবৈ বাকি অংশ পড়ুন...
এবং এর বিনিময়ে উনারা কিছুই চাচ্ছেন না। শুধু সন্তুষ্টি তলব করেছেন। বিষয়টা ঠিক এই রকমই। উনাদের মর্যাদা-মর্তবা, ফযীলত বেমেছাল। যেটা পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে-
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَيِّدَةُ نِسَاءِ اَهْلِ الْجَنَّةِ حَضْرَتْ فَاطِمَةُ الزَّهْرَاءُ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِضْعَةٌ مِنِّىْ فَمَنْ اَحَبَّهَا فَقَدْ اَحَبَّنِىْ وَمَنْ اَغْضَبَهَا اَغْضَبَنِىْ.
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
سَيِّدَةُ نِسَاءِ اَهْلِ الْجَنَّةِ حَضْرَتْ فَاطِمَةُ الزَّهْرَاءُ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِضْعَةٌ مِنِّىْ
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা উনার অনুমতি মুবারক ব্যতীত চলে গেলে মুরীদের শুধু পরকালীন ক্ষতিই হয় না বরং অনেক সময় দুনিয়াবী নানা প্রকার মুছিবতেও গ্রেফতার হতে হয়।
নিম্নলিখিত ঘটনাটিই এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সুলত্বানুল আউলিয়া হযরত জা’ফর জালদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী। উনার হামযাহ আলভী নামক একজন খাছ মুরীদ ছিলেন। তিনি সর্বদা স্বীয় শায়েখের দরবার শরীফে থেকে মুর্শিদ ক্বিবলা উনার খিদমত মুবারকে আঞ্জাম দিতেন। একবার হঠাৎ উনার মনে বাড়ী যাওয়ার ইচ্ছা হল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “দুনিয়ার মুহব্বত সমস্ত গুনাহের মূল, দুনিয়ার মুহব্বত তরক করা সমস্ত ইবাদতের মূল।” সুবহানাল্লাহ!
প্রত্যেক আদম সন্তানের অন্তরে দুনিয়ার মুহব্বত থাকে, দুনিয়ার মুহব্বত অন্তরে থাকলে ইচ্ছা অনিচ্ছায় মানুষ দুনিয়ার দিকে ঝুঁকে যায়। মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের থেকে দূরে সরে যায়। নাউযূবিল্লাহ! এই দুনিয়ার মুহব্বত যদি অন্তর থেকে বের করে দেওয়া যায় তাহলে ইচ্ছা অনিচ্ছায় বাকি অংশ পড়ুন...












