আল বাইয়্যিনাত শরীফ মুফতী মাওলানাদের জ্ঞানকে পূর্ণ ও সমৃদ্ধ করে দিচ্ছে :
আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মধ্যে যে ব্যাপক দলীল দেয়া হয় তা সাধারণভাবে কোন ব্যক্তি তো নয়ই, এমনকি কোন মাদরাসা বা অপর কোন বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের জন্যও সংগ্রহ করা সত্যিই দুস্কর। কারণ মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার এই দুর্লভ সংগ্রহশালা গড়ে উঠেছে উনার প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয যামান, আওলাদুর রসূল, আহলু বাইতে রসূল ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল প্রজ্ঞা, প্রচেষ্টা তথা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মুমিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও (বন্ধুত্বের বার বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রোগ নিরাময় বা সুস্থতার জন্য যে সকল চিকিৎসা পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন তন্মধ্যে ঝাড়, ফুঁক ও তা’বীয অন্যতম।
ঝাড়, ফুঁক করা, তা’বীয দেয়া ও ব্যবহার করা সুন্নত মুবারকের অন্তর্ভুক্ত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই দোয়া-কালাম মুবারক পড়ে ঝাড়, ফুঁক করেছেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন।
তবে বাতিল বা পরিত্যাজ্য বাকি অংশ পড়ুন...
তাই যদি হয়ে থাকে তাহলে মুসলমান কি করে বেদ্বীন-বদদ্বীন, ইহুদী-নাছারাদের অনুসরণ করতে পারে। একজন মুসলমান সে ইসলামী লিবাস পরতে লজ্জাবোধ করে।
অথচ দেখা যায়, ইউরোপ, আমেরিকার কোন দেশে খেলাধূলা হলো সেখানে কোন আস্তিক, নাস্তিক, কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন সে একটা লিবাস পরলো, মুসলমান ছেলেরা সেই লিবাসটাই পরে মনে করতেছে, তারা কিছু একটা হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!
আবার মুসলমানরাই তাদেরকে বাহবা দেয়। নাউযুবিল্লাহ! এটাতো কঠিন ব্যাপার। খুব সূক্ষ্ম ব্যাপার।
এরা কিন্তু খুব সূক্ষ্মভাবে মুসলমানদের ঈমান নষ্ট করে দিচ্ছে। ইহুদী, নাছারা, কাফির, মুশ বাকি অংশ পড়ুন...
মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ এটি একটি মাসিক পত্রিকা। এ পত্রিকাটি বর্তমান পঞ্চদশ হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, আহলে বাইতে রসূল, ক্বায়িম-মাক্বামে রসূল, মুহ্ইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদআহ, কুতুবুল আলম, গউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইউল আউওয়াল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত ও পরিচালিত। এটি উনার তাজদীদী মুখপত্র।
পত্রিকাটির মূল নাম “আল বাইয়্যিনাত”। আরবী ভাষায় ‘আল’ শব্দটি নি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًا وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ
অর্থ: হে ঈমানদাররা! মুসলমান ছাড়া তোমরা কোন বিধর্মীদের কাউকে তোমাদের উপদেষ্টা হিসেবে, বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের ক্ষতি করার জন্য কোনো ত্রুটি করে না। এবং তারা চায় তোমাদের সবসময় ক্ষতি হোক! -তোমরা কষ্টে থাকো, তাতেই তাদের আনন্দ। তারা মুখে যা প্রকাশ করে তার চেয়ে তাদের অন্তরে মুসলমানদের প্রতি আরো কঠিন বিদ্বেষ রয়ে গেছে। (ম বাকি অংশ পড়ুন...
কারেক্টিভ লেন্স:
মুসলিম বিজ্ঞানী আব্বাস ইবনে ফিরনাস (১৯৪-২৭৩ হিজরী, ৮০১-৮৭৩ খ্রি.) কারেক্টিভ লেন্স (পড়ৎৎবপঃরাব ষবহংবং) তৈরী করেছিলেন।
আলোক বিজ্ঞান ও দর্শন তত্ত্ব :
হিজরী ৪র্থ শতকে (দশম খ্রি. শতাব্দী) বিজ্ঞানী ইবনুল হাইছাম (৩৫৪- ৪৩১ হিজরী, ৯৬৫-১০৪০ খৃ.) কে আধুনিক আলোক বিজ্ঞানের জনক, আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অগ্রদুত এবং পরীক্ষামূলক পদার্থ বিজ্ঞানের সূচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি কিতাবুল মানাযির (Book of Optics) নামে ৭ খন্ডের একটি সুবিশাল বই লিখেন যা দর্শনগত উপলব্ধি এবং আলোক বিজ্ঞানে বিপ্লবের সূচনা করে।
এই বইটি হিজরী ৬ষ্ঠ শতকের (দ্বাদ বাকি অংশ পড়ুন...
কোন মুসলমান ফিকির করলো না যে, ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন বদদ্বীনরা আমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যাচ্ছে, আমাদের ঈমান নষ্ট করার জন্য আমাদের বিরুদ্ধে বলে যাচ্ছে প্রকাশ্যে পেপার পত্রিকায়। তাদের সমস্ত চ্যানেলগুলোতে, সমস্ত মাধ্যমগুলোতে তারা বলে যাচ্ছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে।
মুসলমান কোন চু-চেরা ক্বীল-ক্বাল করে না। এরপরও মুসলমান আমেরিকা, রাশিয়া, চীন, জাপান, ফ্রান্স তাদেরকে অনেক কিছু মনে করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে মুসলমানদের ঈমানটা কোথায় থাকলো। এদের ঈমানী কুওওয়াত কোথায় গেলো।
এটাতো বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُه‘ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا اُولٰئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
অর্থ: ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত মসজিদসমূহে উনার যিকির মুবারক করতে, উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় বা বিরাণ করতে চেষ্টা করে। তাদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়ি বাকি অংশ পড়ুন...












