ই’তিকাফ উনার ফযীলত
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিন (সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ কিফায়া) ই’তিকাফ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে দুটি হজ্জ ও দুটি উমরাহ করার সমতুল্য ছওয়াব দান করবেন। সুবহানাল্লাহ!
আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার অতীতের গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন। সুবহানাল্লাহ!
আরো বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি একদিন ই’তিকাফ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জাহান্নাম থেকে তিন খন্দক দূরে রাখবেন। প্রতি খন্দকের দূরত্ব ৫০০ বছরের রাস্তা। সুবহানাল্লাহ!
ই’তিকাফ উনার হ বাকি অংশ পড়ুন...
খতম তারাবীহ পড়িয়ে উজরত গ্রহণ করা জায়িয
দেওবন্দীদের অনেক কিতাবেই তারা ফতওয়া দিয়েছে- “পবিত্র তারাবীহ উনার নামায বা অন্যান্য সময়ে পবিত্র কুরআন শরীফ খতম করে উজরত বা পারিশ্রমিক গ্রহণ করা হারাম। নাঊযুবিল্লাহ!
মূলতঃ পবিত্র কুরআন শরীফ খতম বা তিলাওয়াত করে উজরত গ্রহণ করা সম্পর্কিত দেওবন্দীদের উক্ত ফতওয়া অসম্পূর্ণ ও অশুদ্ধ। কারণ উজরত গ্রহণ করা শর্ত সাপেক্ষে জায়িয, আবার শর্ত সাপেক্ষে নাজায়িয। অর্থাৎ সময় অথবা স্থান নির্ধারণ করে দেয়া হলে ইমামতী, শিক্ষকতা, হজ্জের মাসয়ালা-মাসায়িল ও পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা দিয়ে খতম বা তিলাওয়াত করে উজরত বাকি অংশ পড়ুন...
سيد الامم“সাইয়্যিদুল উমাম” দু’খানি আরবী শব্দের সমন্বয়ে এই সম্মানিত লক্বব মুবারকখানি প্রদত্ত হয়েছে। পৃথকভাবে শব্দ মুবারক দু’খানি হচ্ছে سيد “সাইয়্যিদ” এবং الامم “আল উমাম”।
سيد (সাইয়্যিদুন) শব্দ মুবারকখানি একবচন এবং পুরুষবাচক শব্দ। এর বহুবচন হচ্ছে سادة “সা-দাতুন” ও اسياد “আসইয়াদুন”। এর স্ত্রীবাচক শব্দ মুবারকখানি হচ্ছে سيدة “সাইয়্যিদাতুন” এবং এর বহুবচন হচ্ছে سيدات “সাইয়্যিদা-তুন”। অর্থ মুবারক হচ্ছে সাইয়্যিদ, ইমাম, শ্রেষ্ঠ, সম্মানিত, পথপ্রদর্শক, নেতৃস্থানীয়, মুনীব, অভিভাবক ইত্যাদি।
الامم শব্দখানির মধ্যে ال আলিফ ও লাম অক্ষরদ্বয় সংযোগ স্থ বাকি অংশ পড়ুন...
সিবতু রসূল আর রবি’ ওয়া খ্বমিস সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী ও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্বায়িম-মাক্বাম
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لكل قوم هاد
অর্থ: “প্রত্যেক ক্বওম বা জাতির জন্য পথপ্রদর্শক রয়েছেন।”
আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
الشيخ لقومه كا نبى فى امته
অর্থ: “উম্মতের মাঝে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা যেমন, মুরীদের মাঝে শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি তেমন।” সুবহানাল বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির মুশরিকরা আসলে কি চায় তা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে জানিয়ে দিয়েছেন-
পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৮৯ নাম্বার পবিত্র আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “তারা এটাই কামনা করে যে, তারা যেরূপ কুফরী করেছে তোমরাও সেইরূপ কুফরী করো, যাতে তোমরা তাদের সমান হয়ে যাও।” নাউযুবিল্লাহ!
এছাড়া পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফের ১০৯ নাম্বার আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “ইহুদী-নাছারা তথা আহলে কিতাবদের মধ্যে অনেকেই প্রতিহিংসাবশতঃ চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদের কিভাবে কাফির বানানো যায়।” নাউযুবিল্লাহ!
এখন বিগত কয়েক দশ বাকি অংশ পড়ুন...












