নিম্নে সে বিষয়সমূহ সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো-
সনদ ছহীহ না হলেও উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের
আমলের দ্বারা তা ছহীহ সাব্যস্ত হয়
হযরত উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যদি গ্রহণ করে নেন তবে তা ছহীহ বলে সাব্যস্ত হয়। এ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বিখ্যাত আলিমে দ্বীন হযরত খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কয়েকটি হাদীছ শরীফ উল্লেখ করেন যা সনদগতভাবে দুর্বল।
কিন্তু সকল আলিম এই হাদীছ শরীফগুলো আমল করে আসছেন। আর তাই তিনি বলেন-
وَإِنْ كَانَتْ هٰذِهٖ أَحَادِيْثَ لَا تُثَبِّتُ مِنْ جِهَةِ الْإِسْنَادِ لٰكِنَّ لَـمَا تَلَقَّتْهَا الكَافَّةُ عَنِ الْكَافَّةِ বাকি অংশ পড়ুন...
সেটাই আবার পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিনি বলেন-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا وَقَعَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ فِى الْمَعَاصِى نَهَتْهُمْ عُلَمَاؤُهُمْ فَلَمْ يَنْتَهُوا فَجَالَسُوهُمْ فِى مَجَالِسِهِمْ وَوَاكَلُوهُمْ وَشَارَبُوهُمْ فَضَرَبَ اللَّهُ قُلُوبَ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ وَلَعَنَهُمْ عَلَى لِسَانِ دَاوُدَ عليه السلام وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ عليه السلام ذَلِكَ بِمَا عَصَوْا وَكَانُوا يَعْتَدُونَ
হযরত আ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামে পাক উনার অসংখ্য স্থানে “গান-বাজনা” নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। যেমন “সূরা লুকমান শরীফ” উনার ৬নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ
অর্থ: “মানুষের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে যারা لَهْوَ الْحَدِيثِ “লাহ্ওয়াল হাদীছ” খরীদ করে থাকে। যেন বিনা ইলিমে মানুষদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ থেকে বিভ্রান্ত করে এবং উহাকে হাসি-ঠাট্টারূপে ব্যবহার করে। এদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি রয়েছে। ”
অসুসরণীয় মুফাস্সিরীনে কিরাম রহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُوا لِلَّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا مُّبِينًا ﴿١٤٤﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। (কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে) তোমরা কি চাও, তোমাদের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করতে? (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-১৪৪)
উক্ত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্টভাবেই নিষেধ করে দিয়েছেন যেন কোন মু’মিন মুস বাকি অংশ পড়ুন...
১. উদ্দেশ্য
আত-তাক্বউয়ীমুশ শামসী :
মুসলমানরা যেন কাফিরদের গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুসরণ না করেন বরং এই মুবারক বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করার মাধ্যমে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের পূর্ণ অনুসরণ করতে পারেন।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি :
ইউরোপের খ্রিস্টানরা ২১শে মার্চে ইস্টার দিবস পালন করতো (যেদিন দিন-রাত সমান হয়)। কিন্তু দেখা গেলো জুলিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করলে ইস্টার ডে চলে আসে ১১ই মার্চ। ফলে তারা তাদের এই ইস্টার ডে পালনের জন্যই জুলিয়ান বর্ষপঞ্জি সংশোধন করে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি তৈরি করে। উল্লেখ্য, ইস্টার ডে হচ্ছে কাফিরদে বাকি অংশ পড়ুন...
ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার আহলিয়া (স্ত্রী) হযরত যয়নব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বলেন, একজন ইহুদী বৃদ্ধা মহিলা আমাদের নিকট আসতো। চর্ম প্রদাহে (চামড়া লাল হওয়া, চুলকানো ও ব্যথা রোগে) ঝাড়, ফুঁক করতো। আমাদের একটি লম্বা পায়া বিশিষ্ট চৌকি ছিল। সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উচু স্বরে গলা খাকর বা কাশি দিয়ে বাড়ীতে প্রবেশ করতেন।
তিনি একদিন বাড়ীতে প্রবেশ করলেন। উনার গলার আওয়াজ শুনে উক্ত বৃদ্ধা মহিলা আড়াল হলেন।
فَجَاءَ فَجَلَسَ إِلَى جَانِبِي فَمَسَّنِي فَ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম শরীফে বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اُنْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَ دِينَكُمْ
তোমরা লক্ষ্য করো, কার কাছ থেকে দ্বীন শিক্ষা করতেছো।
কাজেই উলামায়ে ‘সূ’রা টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করে। নাউযুবিল্লাহ! এদের ঈমান নষ্ট হয়ে গেছে অনেক আগেই। এদের থেকে সম্মানিত ইসলাম শিক্ষা গ্রহণ করার কোন প্রয়োজন নেই। এদের থেকে শিক্ষা করা আর কাফির মুশরিকদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা একই হুকুম।
কাজেই এর থেকে ইস্তিগফার তওবা করতে হ বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই, ফিকির করতে হবে। এবং মুসলমানদের ঈমান হিফাযত করতে হবে। পর্দা করা ফরয মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে, আপনারা মনে রাখবেন। পর্দা করতেই হবে। এ বিষয়ে কোন চূ-চেরা চলবে না।
যদি কেউ করতে না পারে সে তওবা করবে, সে ইস্তিগফার করবে, বেপর্দা হারাম জানবে, ঈমানদার থাকবে। আর যদি উলামায়ে “সূ”দের সাথে মিলে মনে করে, এতো পর্দার দরকার নেই তাহলে সে ঈমানদার থাকতে পারবে না। তার কোন সন্তান বৈধ হবে না। সে মুরতাদ হবে। ঠিক ছবি তোলা, রাখা, আঁকা হারাম। এটা সরকার কেন, চৌদ্দ সরকারও যদি জায়িয বলে, আমেরিকা, রাশিয়াও যদি জায়িয বলে, যারাই বলুক না কেন তা কখনও গ্রহণয বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই, ফিকির করতে হবে। এবং মুসলমানদের ঈমান হিফাযত করতে হবে। পর্দা করা ফরয মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে, আপনারা মনে রাখবেন। পর্দা করতেই হবে। এ বিষয়ে কোন চূ-চেরা চলবে না।
যদি কেউ করতে না পারে সে তওবা করবে, সে ইস্তিগফার করবে, বেপর্দা হারাম জানবে, ঈমানদার থাকবে। আর যদি উলামায়ে “সূ”দের সাথে মিলে মনে করে, এতো পর্দার দরকার নেই তাহলে সে ঈমানদার থাকতে পারবে না। তার কোন সন্তান বৈধ হবে না। সে মুরতাদ হবে। ঠিক ছবি তোলা, রাখা, আঁকা হারাম। এটা সরকার কেন, চৌদ্দ সরকারও যদি জায়িয বলে, আমেরিকা, রাশিয়াও যদি জায়িয বলে, যারাই বলুক না কেন তা কখনও গ্রহণয বাকি অংশ পড়ুন...












