জিসিম বা দেহ মুবারক সংরক্ষণ:
পুত্র হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, ছয় মাস পরে আমি আমার পিতার জন্য একটি পৃথক কবর খনন করে উনাকে উহাতে স্থানান্তরিত করি। তখন উনার কিছু দাঁড়িতে মাটি লেগে যাওয়া ছাড়া উনার আর কিছুই বিকৃত ও পরিবর্তিত হতে দেখিনি। আরো বর্ণিত আছে যে, উহুদের জিহাদের ৪৬ বৎসর পর হযরত আমর ইবনে জামুহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের কবর স্থানান্তরিত করার উদ্দেশ্যে খনন করা হলে দেখা যায় যে, উনাদের দেহ এতটুকু বিকৃত হয়নি। মনে হয় যেন উনারা মাত্র গতকাল শহীদ হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
বিলাদত শরীফ: (তারিখ উল্লেখ নেই)
বিছাল শরীফ: ৩য় হিজরী (৬২৪ খৃ:)
শাহাদাত বরণ:
উহুদের জিহাদে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে হারাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি অত্যন্ত সাহসের সাথে জিহাদ করে শাহাদাত বরণ করেন। তিনিই ছিলেন প্রথম শহীদ। (বুখারী শরীফ)
মুশরিকরা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জিসিম মুবারক কেটে একেবারে টুকরা টুকরা করে বিকৃত করে ফেলে। হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি আমার পিতার শাহাদাত মুবারকের খবর শুনে ছুটে এসে দেখলাম, জিসিম মুবারক একটি চাদর দিয়ে ঢাকা। আমি চাদরটি সরিয়ে উনার চেহারায় বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ: হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর শ বাকি অংশ পড়ুন...
(সংশোধিত)
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এতই বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত ও মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী যে, স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণনা করেছেন। যেমন কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “এই সম্পদ (অর্থাৎ মহান আল্লাহ প বাকি অংশ পড়ুন...
কাফিরেরা বলবে যে, এই সমস্ত উলামায়ে ‘সূ’, আমির- উমরাহ, রাজা- বাদশা, যারা জিন- ইনসানের মধ্য থেকে গোমরাহ করে কাফির করেছে, বারে ইলাহী! তাদেরকে দেখিয়ে দিন, কি হবে দেখিয়ে দিলে, কাফিরেরা বলতে থাকবে, এদেরকে আমরা পা দিয়ে মাড়িয়ে এদেরকে দলিত মথিত করে লাত্থি দিয়ে জাহান্নামে ফেলে তাদের উপর দিয়ে কাফিরেরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু তখনতো এ কথা বললে কাজ হবে না। তখনতো সেও জাহান্নামী হয়ে গেছে, সেও কাফির হয়ে গেছে। আগেইতো তাকে তওবা করা উচিত ছিলো, তার ঈমান শুদ্ধ করা উচিত ছিলো। কাজেই উলামায়ে ‘সূ’রা হচ্ছে এর প্রধান, এর মূল।
সেজন্য পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ اَنَّ قُرَيْشًا اَهَمَّهُمْ شَأْنُ الْمَرْأَةِ الْمَخْزُومِيَّةِ الَّتِـىْ سَرَقَتْ فَقَالُوْا مَنْ يُكَلِّمُ فِيْهَا رَسُوْل اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا وَمَنْ يَجْتَرِئُ عَلَيْهِ إِلَّا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ حِبُّ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَلَّمَهُ أُسَامَةُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَشْفَعُ فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللهِ ثُمَّ قَامَ فَاخْتَطَبَ ثُمَّ قَالَ إِنَّمَا أَهْلَكَ الَّذِينَ قَبْلَكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ বাকি অংশ পড়ুন...
(বিলাদত শরীফ ৮০ হিজরী, বিছাল শরীফ ১৫০ হিজরী)
সম্মানিত নামায ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত:
ইমামুল মুহাদ্দিসীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আখিরাত বা পরকালের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতেন। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি, তায়াল্লুক-নিসবত, কুরবত মুবারক হাছিলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতেন। শ্রেষ্ঠতম সুফীও তিনি ছিলেন। তিনি রিয়াজত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নছর শরীফ উনার
تحقيقات الكلمات الطيبات (পবিত্রতম শব্দাবলী উনাদের বিশ্লেষণ)
:اذا جاء অর্থ : যখন আসবে। ماضى معروف এর পূর্বে حرف شرط ব্যবহৃত হলে সেক্ষেত্রে فعل مضارع এর অর্থ হয়, اذا শব্দটি حرف شرط সে জন্য مضارع معروف এর অর্থ দিয়েছে। ছীগাহ : واحد مذكر غائب বাহাছ : ماضى معروف বাব : ضرب يضرب মাদ্দাহ : ج-ء-ى মাছদার : الـمجئ ‘আল-মাজীউ’।
:الفتح অর্থ : বিজয়। শব্দটি বাবে فتح- يفتح এর মাছদার।
:رأيت অর্থ : আপনি দেখবেন। ছীগাহ : واحد مذكر حاضر বাহাছ : فعل ماضى معروف বাব : فتح-يفتح মাদ্দাহ : ر-ء-ى মাছদার : الرؤية জিন্স : مهموز عين وناقص يائى
:يدخلون অর্থ : প্রবেশ করবে। ছীগাহ : جمع مذكر حاضر বাহাছ : اثبات فعل مضارع معروف বাব : نصر ينص বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (সূরা আম্বিয়া : আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মু বাকি অংশ পড়ুন...












