মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاءَ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٥٧﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের দ্বীন উনাকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে এবং যারা কাফির, তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো যদি মু’মিন হয়ে থাকো। (সূরা মায়িদা, আয়াত শরীফ ৫৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
ফসলী সন পরিহার করার কারণ:
ফসলী সন তৈরি হয় মুঘল শাসক আকবরের নির্দেশে। সে মুসলমানদের হিজরী সন বাদ দেবার জন্যই এই বাংলা সন চালু করেছিলো। অনেকে বলে তার সিংহাসন আরোহণের দিন মনে রাখার জন্যই এই সন চালু করে। যে ব্যক্তি দ্বীন-এ-ইলাহী নামক নতুন একটি ধর্ম তৈরি করে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে ধ্বংস করার কাজে নিয়োজিত ছিল তার নির্দেশে রচিত সৌর সন অনুসরণের কোনই প্রয়োজন মুসলমানদের নেই।
আমাদের বাংলা ভাষায় অনেক হিন্দুয়ানী শব্দ আছে সেক্ষেত্রে কি হবে? মুশরিকরা গরুকে বলে মা আর মায়ের অংশকে বলে মাংস। যেহেতু মুসলমানগণ গরুকে মা মনে করে না তাই তার অং বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
প্রকৃত নাম মুবারক আবদুল্লাহ, উপনাম আবু জাবির, পিতা ‘আমর ইবনে হারাম এবং মাতা আর-রাবাব বিনতে কায়েস, বিখ্যাত ছাহাবী হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পিতা। মদীনা শরীফের খাযরাজ গোত্রের বনু সালিমা শাখার লোক, বনু সালিমার একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। তিনি বাইয়াতে আকাবায় অংশগ্রহণ করেন, আকাবার নক্বীবগণ (দল-নেতা) উনাদের একজন, তিনি এবং হযরত আল-বারা বিন মা’রূর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উভয়ে বনু সালিমার নক্বীব ছিলেন। (ইছাবা, উসুদুল গাবা)
দ্বীন ইসলাম গ্রহণ ও আকাবায় অংশগ্রহণ:
ইসলাম-পূর্ব আরবের লোকেরা পবিত্র মক্কা শরীফে গিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান, ইত্যাদি)
বাকি অংশ পড়ুন...
লা-মাযহাবীরা একটা আপত্তি করে, আপনারা অন্ধ তাকলিদ করেন কেন? কোন ইমামকে চোখ বুজে অনুসরন করেন কেন?
আপত্তির জবাবে লা-মাযহাবীকে প্রদত্ত উত্তর: আপনার কোন অসুখ হয়েছে। ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার আপনাকে কিছু ওষুধ দিলো। আপনার মনে শঙ্কা জাগলো, এই ওষুধ খেলে যদি ক্ষতি হয়!! কি জানি কি দিয়ে এই ওষুধ বানিয়েছে। আপনি নিজেই বাড়িতে এক ল্যাবরেটরি খুলে বসলেন এবং ওষুধের উপাদান পরীক্ষা করতে ক্যামিকেল এক্সপেরিমেন্ট শুরু করলেন!!! কি পাগলের প্রলাপ মনে হচ্ছে??
অথবা ডাক্তার টেষ্ট করে বললো, আপনার কিডনীতে সমস্যা হয়েছে। অপারেশন করতে হবে। আপনার অনুসন্ধিৎসু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَكِنَّ اللَّهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ أُولَئِكَ هُمُ الرَّاشِدُونَ
অর্থ: কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের অন্তর মুবারকে সম্মানিত ঈমান উনার মুহব্বত মুবারক সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং আপনাদের অন্তর মুবারকসমূহ সম্মানিত ঈমান উনার দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফরী, শিরকী, নাফরমানী ইত্যাদির প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) উনারাই সঠিক পথপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হু বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহাবী, নাম মুবারক আবদুল্লাহ, উপনাম আবু আবদুল্লাহ, পিতার নাম সালামা বিন উমাইর, পিতার উপনাম আবু হাদরাদ এবং এই নামেই তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন। মদীনা শরীফের অধিবাসী, আসলাম গোত্রের লোক। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে ছিলেন। খায়বার এবং তৎপরবর্তী যুদ্ধসমূহে অংশগ্রহণ করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে মালিক ইবনে আউফ আন-নাছরীর গতিবিধির প্রতি লক্ষ্য করার জন্য প্রেরণ করেছিলেন এবং অন্য একটি ক্ষুদ্র অভিযানেও পাঠিয়েছিলেন। হযরত আবদুল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন : খেলাধুলা সম্পর্কে শরীয়তের ফায়ছালা কি? অনেকে বলে, ‘কিছু কিছু খেলা জায়িয। ’ তা কোন কোন খেলা?
উত্তর-(১) এর জবাবে বলতে হয় যে, হাদীছ শরীফের বিখ্যাত কিতাব “মুস্তাদরাকে হাকিম”-এর মধ্যে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “সর্ব প্রকার খেলা নিষিদ্ধ, তিনটি বিষয় ব্যতীত- (১) তীর ধনুক চালনা করা, (২) অশ্বকে প্রশিক্ষণ দান করা, (৩) নিজ আহলিয়া বা স্ত্রীর সাথে শরীয়ত সম্মত হাসি-খুশী করা। ”
আবু দাউদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, নাসাঈ শরীফ, ইবনে মাজাহ শ বাকি অংশ পড়ুন...












