কিতাবের মধ্যে একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়, হিন্দুস্থানে মহান আল্লাহ পাক উনার একজন ওলী ছিলেন উনার বিছাল শরীফ গ্রহণ করার পর অন্য একজন বুযুর্গ ব্যক্তি উনাকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞাসা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী আপনি কেমন আছেন? মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী তিনি জাওয়াবে বললেন, আপাতত আমি ভালোই আছি কিন্তু আমার উপর দিয়ে এক কঠিন সময় অতিবাহিত হয়েছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমার ইন্তিকালের পর আমাকে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মুখে পেশ করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে বলেন, “হ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ وفى رواية لَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ
অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় বা হারাম কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেনো তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেনো যবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি যবানের দ্বারাও বাধা দিতে না পারে তাহলে যেনো অন্তরে তা ঘৃণা করে উক্ত অন্যায় বা হা বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবুস সির সাইয়্যিদুনা হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু একদিন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যান। তিনি সেই অসুস্থ ব্যক্তির বাহুতে একটি তাগা বা মন্ত্রপড়া সুঁতা দেখতে পান। সাইয়্যিদুনা হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন এটা কি? সেই অসুস্থ ব্যক্তি বললো, এটা তাগা যাতে মন্ত্র পড়া হয়েছে। সাইয়্যিদুনা হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তা ছিড়ে ফেললেন এবং বললেন-
لَوْ مُتَّ وَهُوَ عَلَيْكَ مَا صَلَّيْتُ عَلَيْكَ
অর্থ: যদি আপনি এটা পরিহিত অবস্থায় ইন্তিকাল করতেন তাহলে আমি আপনার জানাযার নামায পড়তাম না। (মুছা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলেছেন-
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ
অর্থ : নেকী এবং পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য করো। বদী আর পাপের মধ্যে সাহায্য করো না।
এই পবিত্র আয়াত শরীফ প্রসঙ্গে একটা ঘটনা উল্লেখ করা হয়।
হযরত মোল্লা জিয়ূন রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন খুব বড় আলেম, বুযুর্গ। উনার অনেক কিতাব মাদ্রাসায় পড়ানো হয়। যেমন নূরুল আনোয়ার আর তাফসীরে আহমদী, যা আহকামের উপর লেখা তফসীর। উনি খুব বড় মুহাক্কিক আলেম ছিলেন এবং বাদশাহ আলমগীরের ওস্তাদও ছিলেন।
এই মোল্লা জিয়ূন রহমতুল্লাহি আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলেছেন-
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ
অর্থ : নেকী এবং পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য করো। বদী আর পাপের মধ্যে সাহায্য করো না।
এই পবিত্র আয়াত শরীফ প্রসঙ্গে একটা ঘটনা উল্লেখ করা হয়।
হযরত মোল্লা জিয়ূন রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন খুব বড় আলেম, বুযুর্গ। উনার অনেক কিতাব মাদ্রাসায় পড়ানো হয়। যেমন নূরুল আনোয়ার আর তাফসীরে আহমদী, যা আহকামের উপর লেখা তফসীর। উনি খুব বড় মুহাক্কিক আলেম ছিলেন এবং বাদশাহ আলমগীরের ওস্তাদও ছিলেন।
এই মোল্লা জিয়ূন রহমতুল্লাহি আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলেছেন-
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ
অর্থ : নেকী এবং পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য করো। বদী আর পাপের মধ্যে সাহায্য করো না।
এই পবিত্র আয়াত শরীফ প্রসঙ্গে একটা ঘটনা উল্লেখ করা হয়।
হযরত মোল্লা জিয়ূন রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন খুব বড় আলেম, বুযুর্গ। উনার অনেক কিতাব মাদ্রাসায় পড়ানো হয়। যেমন নূরুল আনোয়ার আর তাফসীরে আহমদী, যা আহকামের উপর লেখা তফসীর। উনি খুব বড় মুহাক্কিক আলেম ছিলেন এবং বাদশাহ আলমগীরের ওস্তাদও ছিলেন।
এই মোল্লা জিয়ূন রহমতুল্লাহি আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ :
কাফির মুশরিকরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অস্ত্র সফলভাবে ব্যবহার করেছে তার মধ্যে সর্বাধিক শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে মিডিয়া। বর্তমান যুগে মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করেই কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে একচেটিয়া কাজ করে থাকে। এ মিডিয়ার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যাপকহারে অপপ্রচার করা হয়, সকল খবর প্রচার করা হয় কাফিরদের পক্ষে এবং মুসলমানদের বিপক্ষে। ফলে সারা বিশ্বের জনমত চলে যায় কাফিরদের পক্ষে।
উল্লেখ্য বর্তমান সময়ে যে সকল মিডিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছে ইহুদীরা, তন্মধ্যে ২০০টি রেডিও স্টেশন, বাকি অংশ পড়ুন...
একটি সত্য ঘটনা:
ঘটনাটি ঘটে প্রায় এক’শ বছর আগে সৌদি আরবের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে। ঘটনাটি তৎকালীন মিডিয়াতেও প্রচার করা হয়। ঘটনাটা ইব্নু জাদআন নামক এক ব্যক্তির। তার ছিল অনেকগুলো মোটা-তাজা উট। এই উটগুলোর ওলান এতই পূর্ণ ছিল যে, দেখে মনে হতো ভারে ফেটে যাবে।
ইব্নু জাদআন নিজের কথায় বর্ণনা করেন যে, আমার পাশেই দরিদ্র এক প্রতিবেশী ছিল। সেই প্রতিবেশীর ছিল সাতটি কন্যা সন্তান। আমি আমার উটের পালের একটা উটনী বাচ্চাসহ তাকে ছদক্বাহ হিসেবে দিয়ে দেওয়ার জন্য মনস্থির করলাম। আমি তখন এই আয়াত শরীফটি আবৃত্তি করলাম যেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ ম বাকি অংশ পড়ুন...












