মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ فَمَا جَزَاءُ مَنْ يَفْعَلُ ذَلِكَ مِنْكُمْ إِلَّا خِزْيٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرَدُّونَ إِلٰى أَشَدِّ الْعَذَابِ وَمَا اللهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অর্থ: তোমরা কিতাবের কিছু হুকুম মানবে আর কিছু হুকুম অমান্য করবে (তা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়)। যে ব্যক্তি এরূপ করবে তার পরিণাম হচ্ছে, সে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছিত হবে এবং পরকালে কঠিন আযাবে নিক্ষিপ্ত হবে। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের আমল সম্পর্কে খবর রাখেন। ” (সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ৮৫)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন-
فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ
“নেক কাজে তোমরা প্রতিযোগিতা করো।
যেমন হযরত ছাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণ উনারা প্রতিযোগিতা করেছেন, হযরত ইমাম-মুজতাহিদগণ উনারাও করেছেন, ঠিক সেরকম করতে হবে। এ প্রসঙ্গে একটা ওয়াকেয়া বলা হয়ে থাকে যে, পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার প্রতি হাক্বীক্বী আমল করতে হলে, কি জরুরত। হযরত হাতেম আসেম রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি খুব বড় বুযুর্গ ছিলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী ছিলেন। উনার একটা ওয়াকেয়া উল্লেখ করা হয়। হযরত শাক্বীক্ব বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পীর ছাহে বাকি অংশ পড়ুন...
বাদশাহ জাহাঙ্গীরের উজিরে আ’যম ছিল আসফ খাঁ। সে ছিল শিয়া। সে সবসময় বাদশাহকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতো।
অপরদিকে বাদশাহর দরবারে একজন মুফতী ছিলেন। উনার নাম হযরত আব্দুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ছিলেন আফদ্বালুল আওলিয়া, ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ। তিনি বাদশাহকে সবসময় হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকতে পরামর্শ দিতেন। একবার উজিরে আ’যম আসফ খাঁর নেতৃত্বে শিয়ারা ইউরোপ থেকে চৌদ্দ জন পাদ্রীকে নিয়ে আসলো। বাদশাহ যাতে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করতে রাজী হয়। পাদ্রীরা এসে বাদশাহর দরবারে বীজ লা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা ইখলাছ শরীফ উনার
تحقيقات الكلمات الطيبات (পবিত্রতম শব্দাবলী উনাদের বিশ্লেষণ)
:قل অর্থ : আপনি বলুন। ছীগাহ : واحد مذكر حاضر বাহাছ : امر حاضر معروف বাব : نصر ينصر মাদ্দাহ : ق-و-ل মাছদার : القول জিন্স : اجوف واوى
:لم يلد অর্থ : উনার থেকে কেউ জন্মগ্রহণ করেননি। ছীগাহ : واحد مذكر غائب বাহাছ : نفى جحد بلم در فعل مستقبل معروف বাব : ضرب يضرب মাদ্দাহ : و-ل-د মাছদার : الولد জিন্স : مثال واوى
:لم يولد অর্থ : উনিও কারও থেকে জন্মগ্রহণ করেননি। ছীগাহ : واحد مذكر غائب বাহাছ :نفى جحد بلم در فعل مستقبل مـجهول বাব : ضرب يضرب মাদ্দাহ : و-ل-د মাছদার : الولد জিন্স : مثال واوى
:لم يكن অর্থ : নেই। ছীগাহ : واحدمذكر غائب বাহাছ : نفى جحد بلم در فعل مستقبل معروف বাব : ن বাকি অংশ পড়ুন...
উনি ওয়াজ-নছীহত করলেন তারপর সেই কাগজটা বের করলেন। দেখ,
كافراند مفتى اور مستفتى هر دو
অর্থাৎ যে ফতওয়া চেয়েছে, যে ফতওয়া দিয়েছে, সকলেই কাফির হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!
কারণ রেশমী কাপড় পুরুষের জন্য পরিধান করা হারাম। বাদশাহ কি করে এটা চাইলেন? আর মুফতী ছাহেব কি করে ফতওয়া দিলেন? দু’জনই কাফির হয়ে গেছে, তাদের তওবা করতে হবে।
যখন উনি এটা বলে দিলেন, বাদশাহ উযীর নাযির যারা ছিল, সবাই মাথা নীচু করে ফেললো। জুমুয়ার নামায তারা তাড়াতাড়ি পড়ে বের হয়ে গেল।
বাদশাহ শাহ্জাহান গিয়ে তার যে সৈন্য-সামন্ত ছিল, সিপাই ছিল, তাদেরকে বললো যে, এক কাজ করো, হযরত মোল্লা জিয়ূন রহমত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ لِيَصُدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ فَسَيُنْفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً ثُمَّ يُغْلَبُونَ وَالَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ يُحْشَرُونَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা কাফির তারা তাদের মাল-সম্পদ খরচ করে সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তা থেকে ফিরিয়ে রাখার জন্য। আর অচিরেই তারা পর্যায়ক্রমে (ক্বিয়ামত পর্যন্ত) খরচ করতেই থাকবে। তারপর সেটাই তাদের জন্য আফসুসের কারণ হবে। অতঃপর তারা পরাস্ত হবে, পরাজিত হবে। আর যারা কাফির তাদেরকে জাহান্নামে একত্রিত করা হবে। ” সুবহানাল্লাহ! (স বাকি অংশ পড়ুন...












