হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রশংসা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিনের অন্তরে (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) উনাদের ঈমানকে আরো দৃঢ় করে দেন। আর আসমান এবং যমীনের বাহিনীসমূহ মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যই। আর মহান আল্লাহ পাক তিনিই সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। ইহা এজন্য যে, তিনি মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন মহিলাকে (পুরুষ-মহিলা সকল ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে) প্রবেশ করাবেন জান্নাতে যার নিম্নদেশে নহর প্রবাহিত, সেখানে উনারা স্থায়ী হবেন। এ বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ববর্তী আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের সুসংবাদ:
হযরত ইমাম আবুল হাসান শাত্বনুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব “বাহজাতুল আসরার”-এর ৬ষ্ঠ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন, হযরত শায়েখ আবু বকর ইবনে হাওয়ার রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজের মুরীদ, মু’তাকিদীন, মুহিব্বীনগণের মাঝে হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের জীবনী মুবারক আলোচনা করতেন। তিনি প্রায়ই বলতেন, ইরাকে একজন আজমী (অনারবী) ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটবে। তিনি সমস্ত লোকের মধ্যে সবচেয়ে উঁচু মর্যাদাসম্পন্ন হবেন। উনার মুবারক নাম হবে হযরত আব্দু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা মাঊন শরীফ উনার সংক্ষিপ্ত ছহীহ্ তাফসীর বা ব্যাখ্যা মুবারক
‘পবিত্র সূরা মাঊন শরীফ’ উনার প্রথমেই মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খুছূছিয়ত মুবারক বর্ণনা করেন তথা উনার ইল্ম মুবারক সম্পর্কে সমস্ত ক্বায়িনাতবাসীকে জানিয়ে দিলেন যে, তিনি মুত্তালা’ আলাল গইব অর্থাৎ ইলমে গইব উনার অধিকারী। যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাব ‘মুসলিম শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে যে, ‘আমাকে সৃষ্টির শুরু হতে শেষ পর্যন্ত সমস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সেই কাফেলা খাদ্যশস্য বোঝাই করে নজদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে সে সময় সেই ইহুদী ব্যবসায়ী তাদের কাফেলার সঙ্গী হতে চাইলো। সে তার মাতৃভূমিতে ফিরে যাবার জন্যে আকুল ইচ্ছা প্রকাশ করলো। তার এই অভিপ্রায়ের কথা শুনে কাফেলার সবাই তাকে চরম উৎসাহে অভিনন্দন জানালো। সেই ছদ্মবেশী ইহুদী, কাফিলার সাথে নজদে এসে উপস্থিত হলো।
নজদে এসে শুরু হয় তার ভিন্ন রকমের কার্যকলাপ। সে তার নিজস্ব কিছু লোক দিয়ে নিজের সম্পর্কে অনেক প্রোপাগান্ডা শুরু করে এবং ধর্মীয় অনেক বিষয়ে নিজের মনমত ফতওয়াও দিতে থাকে। সেই সুবাদে কিছু ভক্তও জুটিয়ে ফেলে। কিন্তু সে সময় আল- বাকি অংশ পড়ুন...












