মহান আল্লাহ পাক এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার শুকরিয়া আদায়ে আমি-আপনি-আমরা অবশ্যই বাধ্য। পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয় দিক হতে তিনি আল হাসানী-আল হুসাইনী, তিনি সাইয়্যিদ, তিনি আওলাদে রসূল, অর্থাৎ আখেরী রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধর। আওলাদে রসূল উনাদেরকে মুহব্বত করতে এবং উনাদের বিদ্বেষ হতে পরহেজ থাকতে হাদীছ শরীফে আদেশ করা হয়েছে।
বিশেষ বিশেষ ঘটনার মাধ্যমে অনেকবার সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং আখেরী রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দায়েমী নিসবত বা সম্পর্কযুক্ত হয়ে, কুরবত বা নৈকট্যপ্রাপ্ত হয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার প্রতিটি ক্ষণ যে অতিবাহিত হয়, তা কি আলাদা করে লেখার প্রয়োজন আছে? হ্যাঁ, আছে। বাতিনী বিষয় তো সাধারণ মানুষের দৃষ্টির আড়ালে। জাহিরী অনেক বিষয় আছে যেগুলো অনেকেরই অজানা।
১৪৪২ হিজরীতে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করার অপরাধে ফ্রান্স বিরোধী হয়ে পুরো বাংলাদেশ ফুসে উঠে। এই ফুসে উঠার নেপথ্যে ছাত্র আনজুম বাকি অংশ পড়ুন...
উনার হাক্বীক্বত বুঝা কি কারো পক্ষে সম্ভব? সূর্য পশ্চিমে উদিত হতে পারে কিন্তু উনার হাক্বীক্বত অনুধাবন করা অসম্ভব।
প্রাথমিক অবস্থায় উনাকে ‘ভাইয়া হুযূর’ হিসেবে সম্বোধন করা হতো। একটা সময় আসলো ‘শাহজাদা হুযূর’ নামে তিনি পরিচিত হন। সময়ের আবর্তনে সারা বিশ্বব্যাপী ‘খলীফাতুল উমাম’ লক্বব মুবারকে তিনি প্রসিদ্ধ ও পরিচিত হন।
হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ দীদার মুবারকের ঘোষণা যতবার দিয়েছেন, প্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত হিসেবে প্রত্যেক বান্দা-বান্দীর হৃদয়েই উনাকে দেখার, উনার যিয়ারত মুবারক লাভ করার, ছোহবত মুবারকে ধন্য হওয়ার আকাঙ্খা রয়েছে। কিন্তু উনাকে সরাসরি দেখার সেই সুজোগ এখন আর নেই। কারণ তিনি আমাদের থেকে জাহিরী পর্দা মুবারক করেছেন। তবে বর্তমানে জমীনে এমন এক সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক রয়েছেন যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ নক্বশা মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছি বাকি অংশ পড়ুন...
রোগ নিরাময়ের জন্যে আমরা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ওষুধ সেবন করি। বিভিন্ন Dosage Form (Dosage Form বলতে বোঝায়- ওষুধ গ্রহণের যত রকম পদ্ধতি আছে যেমন- ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সাসপেনশান, সিরাপ, ইনজেকশন ইত্যাদি)-এর মধ্যে ইনজেকশনও একটি পদ্ধতি। ইনজেকশন পদ্ধতিটি মূলতঃ Parenteral পদ্ধতির একটি অংশ। Parenteral পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়-
The term Parenteral (Gk. Para enteron = beside the intestine) refers to the route of administration of drugs by injection under or through one or more layers of skin or mucous membrane. অর্থাৎ পেরেনটারাল পদ্ধতিটি হচ্ছে সেই পদ্ধতি, যেখানে এক অথবা বেশী সংখ্যক শরীরের ত্বকের স্তর অথবা মিউকাস মেমব্রেনের স্তরের মধ্য দিয়ে ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে ওষুধ প্রবেশ করানো বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৩)
হযরত ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
سيف بن مسكين السلمي البصري يروي عن سعيد بن أبي عروبة قال الدارقطني ليس بالقوي وقال ابن حبان يأتي بالمقلوبات والأشياء الموضوعات لا يحل الاحتجاج به لمخالفته الأثبات
অর্থ: সাঈফ ইবন মিসকীন আস সুলামী আল বছরী। তিনি সাঈদ ইবনে আবী আরূবাহ উনার থেকে বর্ণনা করতেন। হযরত দারা কুত্বনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, তিনি শক্তিশালী নয়। হযরত ইবনে হিব্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, তিনি হাদীছ শরীফ পরিবর্তন করে বর্ণনা করতেন এবং বানোয়াট জাল হাদীছ বর্ণনা করতেন। প্রমাণের বিপরীতে উনার বর্ণনাকে দলীল হিসেবে পেশ করা জায়িয নেই। ( বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকে ইনজেকশন সম্পর্কে এ ফতওয়াকেই দলীল হিসাবে পেশ করে থাকে এবং এটাকেই ইনজেকশন সম্পর্কে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত বা ফায়সালা মনে করে থাকে। আর এর উপর ভিত্তি করে বর্তমানে অনেকে ফতওয়া দিচ্ছে যে, রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়না। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
স্মর্তব্য, ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে ফতওয়া দেওয়ার পূর্বে উচিৎ ছিল ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্যকে ভালরূপে তাহ্ক্বীক্ব করা। বিনা তাহ্ক্বীক্বে ফতওয়া দেওয়ার পরিণামও খুব ভয়াবহ।
কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـيْ هُرَيْرَةَ رَضِ বাকি অংশ পড়ুন...












