পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক শুনে দুরূদ শরীফ পাঠ করা ফরয। আম ফতওয়া হলো একই মজলিসে একাধিকবার নাম মুবারক উচ্চারিত হলে একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব, আর প্রতিবারই দুরূদ শরীফ পাঠ করা মুস্তাহাব। আর খাছ ফতওয়া হলো একই মজলিসে যতবার নাম মুবারক উচ্চারিত হবে ততবার দুরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব।
তদ্রুপ শরীয়তের হুকুম হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার না বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করার তরতীব
পাক-পবিত্র স্থানে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিলের আয়োজন করতে হবে এবং সে জায়গাটি সুগন্ধি তথা আগর বাতি, আতর ও গোলাপের পানি দ্বারা খোশবুযুক্ত করে নিতে হবে। উপস্থিত শ্রোতাম-লী চুপ করে আলিম ছাহেব অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ পরিচালনাকারী যা পাঠ করবেন তা গভীর মনোযোগের সাথে শ্রবণ করতে থাকবেন। আর যেখানে সকলেই সম্মিলিতভাবে পাঠ করা প্রয়োজন সেখানে সম্মিলিতভাবে পাঠ করবেন। পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করার সময় আদবের সঙ্গে দাঁড়িয়ে পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করবেন।
اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ.
অর্থ : মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন, বিশেষ করে পর্দা হচ্ছে বিবাহের জন্য অন্যতম জরুরী বিষয়। যদি কেউ পর্দা রক্ষা করতে না পারে তাহলে তার জন্য বিবাহ করা যে ফরয বা সুন্নত থাকে সেটা ছাকেত হয়ে যায়। যেহেতু পর্দা করা হচ্ছে ফরয। তাই তার সুন্নত ছাকেত হয়ে যাবে যদি সে পর্দা রক্ষা করতে না পারে, পর্দা করা হচ্ছে ফরয।
যেটা আগেও আমি বলেছি, এক একটা দৃষ্টিতে এক একটা কবীরাহ্ গুণাহ্, হাদীছ শরীফে আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন।
সেজন্য বলা হয়েছে, যখন কেউ বিবাহ করবে সে যেন সতর্ক হয়ে সাবধান হয়ে করে অর্থাৎ সমস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
শরীয়তের ফতওয়া অনুযায়ী ক্বদমবুছী নেয়া বা করার জন্য অনুমতি দান করা আখাছ্ছুল খাছ সুন্নত মুবারক:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ أَبَانَ بِنْتِ الْوَازِعِ بْنِ زَارِعٍ رَحْمَة اللهِ عَلَيْهَا عَنْ جَدِّهَا زَارِعٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ وَكَانَ فِي وَفْدِ عَبْدِ الْقَيْسِ قَالَ لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: হযরত উম্মু আবান বিনতে ওয়াযি’ ইবনে যারি’ রহমতুল্লাহি আলাইহা তিনি উনার সম্মানিত দাদা হযরত যারি’ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণ বাকি অংশ পড়ুন...
কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফে এসেছে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلنِّكَاحُ نِصْفُ الْإِيمَانِ
“বিবাহ করা হচ্ছে অর্ধেক ঈমান। ”
অন্য হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا تَزَوَّجَ الْعَبْدُ فَقَدِ اسْتَكْمَلَ نِصْفَ الدِّينِ، فَلْيَتَّقِ اللهَ فِي النِّصْفِ الْبَاقِي.
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...












