সেটাই আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অন্য হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْوَلِيمَةِ فَلْيَأْتِهَا.
“যদি কোন অলীমাতে তোমাদেরকে দাওয়াত দেয়া হয়, তাহলে তোমরা সেখানে যেও, দাওয়াত কবুল করো। ”
আরো বলেছেন-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دُعِىَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ فَلْيُجِبْ فَإِنْ شَاءَ طَعِمَ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ
“যখন তোমাদেরকে দাওয়াত দেয়া হবে ত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফে বলা হয়েছে, যখন কেউ প্রবেশ করতে চায়, অনুমতি নিতে চায়, তাহলে তাকে স্পষ্ট করে তার বর্ণনা দিতে হবে, কে এসেছে?
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي دَيْنٍ كَانَ عَلَى أَبِي فَدَقَقْتُ الْبَابَ فَقَالَ مَنْ ذَا فَقُلْتُ أَنَا فَقَالَ أَنَا أَنَا كَأَنَّهُ كَرِهَهَا.
“হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, আমি একবার আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুজরা শরীফে গেলাম। যাওয়ার কারণ ছিলো, আমার পিতার উপর ঋণ ছিল সে ঋণের ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য। দরজা খটখটি বাকি অংশ পড়ুন...
ছবি তোলা, আঁকা, বানানো, রাখা হারাম
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, বানানো হারাম এবং শক্ত কবীরা গুনাহ্ ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ। যারা বলে বা বলবে বর্তমানে ছবির প্রয়োজন রয়েছে, তারা কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে, যদি তওবা না করে। এদের ছোহবত থেকে দূরে থাকতে হবে। কারণ সাধারনভাবে এরাই গুমরাহীর মূল।
১ম দলীল:
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ
“তোমরা মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, ছবির অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো। ” (পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ: ৩০)
২য় দলীল:
আর মহাসম্মানিত ও মহাপব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ حَرِّضِ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى الْقِتَالِ إِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ عِشْرُونَ صَابِرُونَ يَغْلِبُوا مِائَتَيْنِ وَإِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ مِائَةٌ يَغْلِبُوا أَلْفًا مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَا يَفْقَهُونَ.
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি মু’মিনদেরকে জিহাদ করার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনাদের মধ্যে যদি ২০ জন ধৈর্য্যশীল, দৃঢ়চিত্ত ব্যক্তি থাকেন, তাহলে আপনারা ২০০ কাফিরের মোকাবেলায় বিজয়ী হবেন। আর যদি আপনাদের মধ্যে ১০০ লোক থাকেন, তাহলে আপনারা ১০০০ কাফিরদের উপর বিজয়ী হবেন। কারণ তারা জ্ঞানহীন। (পবিত বাকি অংশ পড়ুন...
শা‘য়ায়িরুল্লাহ” তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تُـحِلُّوْا شَعَآئِرَ اللهِ
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদেরকে অবমাননা করো না অর্থাৎ সম্মান করো। ” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يُّعَظِّمْ شَعَآئِرَ اللهِ فَاِنَّـهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوْبِ.
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নিদর্শন মুবারকসমূহ বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মে জামিলের পরিণতি:
তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার ভিতরে অবস্থান মুবারক করছিলেন। আর উনার সাথে ছিলেন সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি। সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি তাকে দেখে বললেন, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই বদবখত মহিলা এসেছে। আমার আশংকা হচ্ছে, সে আপনাকে দেখে ফেলবে। ’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন-
إِنَّهَا لَنْ تَرَانِيْ
‘সে আম বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর বলা হয়েছে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ
“অনুমতি ব্যতীত তোমরা প্রবেশ করোনা। খাদ্য খাওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে সত্যি, খাদ্য পাকানোর পূর্বে অপেক্ষা না করে, অনুমতি না নিয়ে প্রবেশ করোনা। ”
إِلَّا أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ
“অনুমতি ব্যতীত তোমরা প্রবেশ করোনা, অনুমতি নিয়ে এরপর প্রবেশ করবে। বিনা অনুমতিতে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে। ”
এই অনুমতি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, স্বয়ং আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যদি কোথাও যেতেন সেখানেও বাড়ীর যে আহলে ব বাকি অংশ পড়ুন...
পর্দা
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পর্দা করা ফরয। আর বেপর্দা হওয়া হারাম ও শক্ত কবীরা গুনাহ্ এবং জাহান্নামী হওয়ার কারণ। যারা বলে- এত পর্দা প্রয়োজন নাই বা এত পর্দা লাগে না। তারা কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে যদি তওবা না করে।
১ম দলীল:
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
قُلْ لِّلْمُؤْمِنِـيْـنَ يَـغُضُّوْا مِنْ اَبْصَارِهِمْ وَيَـحْفَظُوْا فُـرُوْجَهُمْ ذٰلِكَ اَزْكٰى لَـهُمْ اِنَّ اللهَ خَبِيْـرٌ بِۢـمَا يَـصْنَـعُوْنَ. وَقُلْ لِّـلْمُؤْمِنٰتِ يَـغْضُضْنَ مِنْ اَبْصَارِهِنَّ وَيَـحْفَظْنَ فُـرُوْجَهُنَّ وَلَا يُــبْدِيْنَ زِيْـنَـتَـهُنَّ
“(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব বাকি অংশ পড়ুন...












