জন্মান্ধ ও মাজুর ছেলের আরোগ্য লাভ:
একটি লম্বা দস্তরখানা বিছানো হলো, যার উপর বিভিন্ন খাবার রাখা হলো। ঢাকনা দেয়া একটি বড় পাত্রও দস্তরখানার এক কিনারে রাখা হলো। অতঃপর দাওয়াতকারী আবু গালেব ফজলুল্লাহ বিন ইসমাইল বললেন, ‘খাওয়া শুরু করতে পারেন। সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার মাথা মুবারক অবনত করে রাখলেন। তিনি নিজেও খেলেন না এবং অন্যদেরকেও খেতে বললেন না। সবাই একেবারে নিশ্চুপ বসে রইলেন।
কিছুক্ষণ পর তিনি আমাকে ও আলী হায়তী উনাকে সেই ঢাকনা দেয়া বড় পাত্রটি উনার সামনে নিয়ে আসার জন্য বললেন। আমরা গিয়ে পাত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاءَ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٥٧﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের দ্বীন উনাকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে এবং যারা কাফির, তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো যদি মু’মিন হয়ে থাকো। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭) বাকি অংশ পড়ুন...
তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ’ রাষ্ট্র দাবিদার ভারতে বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনার মুসলিম নাম পরিবর্তন করে হিন্দুয়ানী নাম দেয়া হচ্ছে। হিন্দুত্ববাদী বিজেপির সরকার ক্ষমতায় আসার পর যেন নাম পরিবর্তনের প্রতিযোগিতা চলছে।
সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের (আল্লাহাবাদ) এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করে প্রয়াগরাজ রাখা হয়েছে। এলাহাবাদ উত্তর প্রদেশের একটি ঐতিহাসিক শহর। ১৬শ’ শতাব্দীতে দিল্লির মোঘল শাসকরা এই শহরের নাম রেখেছিলেন এলাহাবাদ। প্রায় ১০ লাখ লোকের বাস এখানে। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক বৈঠক ও সংগ্রামের স্মৃতি বহন কর বাকি অংশ পড়ুন...
এরপরে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, আরেকজন মহিলা ছাহাবী বর্ণনা করতেছেন-
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهَا، قَالَتْ: أَوْلَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى بَعْضِ نِسَائِهِ بِمُدَّيْنِ مِنْ شَعِيرٍ
মহিলা ছাহাবী উনি বর্ণনা করেন যে, আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একজন উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম উনার নিছবতে আযীমাহ মুবারকে অলীমা করেছিলেন মাত্র দুই মুদ যব দিয়ে। এক মুদ হচ্ছে আমাদের দেশের হিসাবে প্রায় ১৪ ছটাক, প্রায় ১৪ ছটাক হচ্ছে এক মুদ। দুই মুদ দিয়ে অর্থাৎ ২৮ ছটাক দিয়ে অলীমা করে বাকি অংশ পড়ুন...
“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রথম মাকতুবাত বা চিঠি মুবারক:
কুতুবুল মাশায়িখ, হযরত খাজা উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বললেন, এক ব্যক্তির নিকট ছাহিবে জওক অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য ও কুরবতের ক্ষমতাসম্পন্ন একজন গোলাম ছিলেন। তিনি অর্ধরাত অতিবাহিত হলে অন্যান্য কাজ হতে মুক্ত হতেন। অযু করে নামায আদায় করে মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করতেন। অতঃপর দোয়া করতেন। বলতেন, আয় খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক! আমি আপনা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পক্ষ থেকে গরু কুরবানী করেছেন
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حضرت ام المؤمنين الثالثة الصديقة عليها السلام أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى اللهُ عليه وسلم نَحَرَ عَنْ آلِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ بَقَرَةً وَاحِدَةً.
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই সেজন্য বিবাহের সাথে সংশ্লিষ্ট হচ্ছে পর্দা, যা করা ফরয। আর বিবাহ করা সুন্নত, ফরয এবং হারাম, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে।
কাজেই এরপর এ আয়াত শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে, আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিবাহ উপলক্ষ্যে অলীমা করেছেন। অলীমা করাও সুন্নত।
হাদীছ শরীফে রয়েছে, আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রত্যেক নিছবতে আযীমাহ মুবারকে (বিবাহ মুবারকে) অলীমা করেছেন। অন্যকেও বলেছেন অলীমা করার জন্য-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ ت বাকি অংশ পড়ুন...












