আল ইহসান ডেস্ক:
সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানজুড়ে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে টানা আঘাত হানছে। এ সময়ে ইরান দাবি করেছে বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী তাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।
ইরানের সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, বিশ্ব তেল ও গ্যাস সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক পথে তাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এই পথ অতিক্রমের চেষ্টা করলে সেটিকে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ একজন নিরা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলে একটি কোলটান খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির খনি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে প্রায় ৭০ জন শিশু রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, টানা ভারী বৃষ্টির পর পূর্বাঞ্চলের নর্থ কিভু প্রদেশের রুবায়া এলাকার কোলটান খনিতে হঠাৎ মাটি ধসে পড়ে। সেই সময় খনির ভেতরে ও আশপাশে বহু শ্রমিক কাজ করছিলো। মুহূর্তের মধ্যে তারা মাটির নিচে চাপা পড়ে।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে বিপুলসংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করে। আহতদের দ্রুত উদ্ধা বাকি অংশ পড়ুন...
সালাফী লা’মাযহাবীরা পবিত্র ছদক্বাতুল ফিতর বিষয়ে সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার বিরোধিতা করে। তারা বলে হানাফী মাযহাবে নাকি মনগড়া ফিতরার বিধান রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ফিতরার বিষয়ে ছহীহ কোন হাদীছ শরীফ নাকি নাই। নাউযুবিল্লাহ। এছাড়া তাদের আপত্তিসমূহ নিম্নরূপ:
১) অর্ধ সা’ গম বা আটা দিয়ে ফিতরার কোন দলীল নেই।
২) টাকা দিয়ে ছদক্বাতুল ফিতর আদায় করা যাবে না সরাসরি খাদ্যদ্রব্য দিতে হবে।
৩) স্থানীয় এলাকার ফসল দিয়ে ছদক্বাতুল ফিতর আদায় করতে হবে, যেমন বাংলাদেশের জন্য চাউল।
ওহাবী লা’মাযহাবীদের এসকল চরম মিথ্যাচার ও বিভ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করেছেন-
يَا أَيُّـهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُـوْا لَا تَـتَّخِذُوا الْيَـهُوْدَ وَالنَّصٰرٰى أَوْلِيَآءَ ۘ بَـعْضُهُمْ أَوْلِيَآءُ بَعْضٍ ۚ وَمَنْ يَـتَـوَلَّهُم مِّنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْـهُمْ ۗ إِنَّ اللهَ لَا يَـهْدِى الْقَوْمَ الظّٰلِمِيْنَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী ও নাছারাদেরকে বন্ধু (অভিভাবক/সহচর/ উপদেষ্টা) হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম সম্প্রদায়কে (ইহুদি-খ্রিস্টান, হিন্দু-বৌদ্ধ, কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে) হিদায়াত দান করেন না।” অর্থা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جُبَـيْرِ بْنِ نُـفَيْرٍ رحمة الله عليه قَالَ دَخَلْتُ عَلَى حَضْرَتْ أُمّ الْمُؤْمِنِين الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْـهَا السَّلَام فَسَأَلْتُـهَا عَنْ خُلُقِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَـقَالَتِ الْقُرْآنُ
অর্থ: “হযরত জুবাইর ইবনে নুফাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার নিকট গেলাম এবং উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আখ বাকি অংশ পড়ুন...
যেসব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় এবং শুধু ক্বাযা ওয়াজিব হয় :
১. ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে।
২. আহলিয়াকে বুছা বা স্পর্শ করার কারণে গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৩. কোন অখাদ্য বস্তু তথা পাথর, লোহার টুকরো, ফলের আঁটি ইত্যাদি গিলে ফেললে।
৪. স্বাভাবিক স্থান ব্যতীত অন্যস্থানে মেলামেশায় গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৫. জোরপূর্বক সম্মানিত রোযাদারকে কিছু খাওয়ানো হলে।
৬. ভুলক্রমে কিছু খেতে আরম্ভ করে রোযা ভঙ্গ হয়েছে মনে করে পুনরায় আহার করলে।
৭. কুলি করার সময় পেটে পানি চলে গেলে।
৮. প্র¯্রাব -পায়খানার রাস্তায় ওষুধ বা অন্য কিছু প্রবেশ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُوْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ اَنَّهَا كَانَتْ قَدْ اِتَّخَذْتُ عَلٰى سَهْوَةٍ لَّهَا سِتْرًا فِيْهِ تَمَاثِيْلُ فَهَتَكَهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে অপর একটি বর্ণনা মুবারক-এ এসেছে যে, একবার তিনি পবিত্র হুজরা শরীফ উনার জানালা মুবারকে একটি পর্দা মুবারক ঝুলিয়েছিলেন, যাতে প্রাণীর ছবি ছিলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পর্দাটিকে ছিঁড়ে ফেললেন। (মিশ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কেন যমীনে পাঠিয়েছিলেন। সেটা তিনি বলে দিচ্ছেন-
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهٗ بِالْهُدٰى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهٗ عَلَى الدِّينِ كُلِّهٖ وَكَفٰى بِاللهِ شَهِيدًا. مُّحَمَّدٌ رَّسُولُ اللهِ، (صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهٗ
সেই মহান যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ২৬শে জুমাদাল উখরা শরীফ জুমু‘আহ্ শরীফ উনার সম্মানিত আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদুনা হযরত যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘আহ্ আলাইহাস সালাম উনার জুদায়ীর বিষয়টি ফায়ছালা করে নিলেন। এরপর যিনি খ্বালিক্ব যিনি মালিক বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ লাইলাতুস সাব্ত শরীফ (শনিবার রাত্র) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরুর রবি‘আহ্ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল। উনার থেকেই সব বাকি অংশ পড়ুন...
১৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাথা মুবারক نُوْرُ الْـهُدٰى مُبَارَكٌ নূরুল হুদা মুবারক
২০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কান মুবারক نُوْرُ الْـحَيَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল হায়া’ মুবারক
২১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাক মুবারক نُوْرٌ عَلـٰى نُوْرٍ مُبَارَكٌ নূরুন ‘আলা নূর মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মলমের বর্ণনা:
এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ফার্মাসিউটিক্যাল সেমিসলিড (semisolid) প্রিপারেশন্সসমূহের মধ্যে রয়েছে, মলম (ointments), পেষ্ট (paste), ক্রীম (পৎবধস), ইমালশন (emulsion), জেল (gel) ইত্যাদি। এ সবগুলো মাধ্যমই ত্বকে ওষুধ প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে খুব অল্পসংখ্যক মাধ্যম দ্বারা মিউকাস মেমব্রেনে, যেমন রেকটাল টিস্যূ (recral tissue), বাক্কাল টিস্যূ (buccal tissue), ইউরিথ্রাল মেমব্রেন (urethral membrane), কানের বাইরের ত্বকে, নাকের মিউকোসাতে এবং চোখের কর্ণিয়াতে ওষুধ দেয়া হয়। মিউকাস মেমব্রেনে ওষুধ প্রবেশ করলে, তা রক্তে ছড়িয়ে যায় কিন্তু শরীরের সাধারণ ত্বক তু বাকি অংশ পড়ুন...












