২৫. اَلْاِمَامُ (আল্ ইমাম):
(৭৬)
الامام هو الذى له الرياسة العامة فى الدين والدنيا جميعا فى الامامة الكبرى والخليفة عند الـمتكلمين ومن يقتدى به فى الصلوة فى الامامة الصغرى.
অর্থ: যিনি দ্বীনি ও দুনিয়াবী ব্যাপারে ব্যাপকভাবে নেতৃত্ব দেন উনাকে ইমাম বলা হয়। উনাকে ইমামাতুল কুবরাও বলা হয়। আক্বায়িদ বিশারদগণের মতে এমন ইমাম উনাকে খলীফাও বলা হয়ে থাকে। আর ছলাত বা নামাযে যাঁর ইক্তিদা করা হয় এমন ইমামতকে ইমামতে ছুগরা বলা হয়ে থাকে। (আত্ তা’রীফাতুল ফিক্হিয়্যাহ-মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ আমীমুল ইহ্সান মুজাদ্দিদী বরকতী হানাফী মাতুরীদী রহমতুল্লাহি আলাইহি ১৯০ পৃষ্ঠা)
২৬. اَلْمُجْتَهِدُ(আল্ মুজতাহ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمَّارِ بْنِ يَاسَرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰي عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثَلَاثَةٌ لَا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ أَبَدًا: اَلدَّيُّوثُ مِنَ الرِّجَالِ، وَالرَّجُلَةُ مِنَ النِّسَاءِ، وَمُدْمِنُ الْخَمْرِ.
অর্থ: হযরত আম্মার বিন ইয়াসার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন ব্যক্তি কখনই জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
(১) দাইয়ূছ (যে পুরুষ নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থ মহিলাদের পর্দা করায় না)।
(২) ঐ সকল মহিলা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
অর্থ: যে ব্যক্তি খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে, মেহমানদারী করার মাধ্যমে আমার মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার মহাসম্মানিত তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) রাত্র মুবারক (ও দিবস মুবারক) উনাকে সম্মান করবেন, আমি ক্বিয়াম বাকি অংশ পড়ুন...
“গান-বাজনা” ও “বাদ্য-যন্ত্র” হারাম হওয়া সম্পর্কে অসংখ্য হাদীছ শরীফ বর্ণিত হয়েছে। যেমন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى مَعْصِيَةٌ وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا فِسْقٌ وَالتَّلَذُّذُ بِهَا مِنَ الْكُفْرِ
অর্থ: গান শোনা গুণাহের কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসেকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। (মিরকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাছাবীহ)
বাকি অংশ পড়ুন...
উমাইয়া বিন খ্বলফের পরিণতি:
এরপর উমাইয়া (তার স্ত্রীকে) বললো, হে উম্মে ছাফওয়ান! আমার সফরের ব্যবস্থা করো। তখন তার আহলিয়া তাকে বললো, হে আবূ ছাফওয়ান! তোমার মদীনা শরীফ উনার ভাই যা বলেছিলেন, তা কি তুমি ভুলে গিয়েছো? সে বললো, না। আমি তাদের সাথে কিছু দূর যেতে চাই মাত্র। রওয়ানা হওয়ার পর রাস্তায় যে মনযিলেই উমাইয়া কিছুক্ষণ অবস্থান করেছে, সেখানেই সে তার উট বেঁধে রেখেছে, গোটা পথেই সে এরূপ করলো। পরিশেষে বদর প্রান্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুমে সে মারা গেলো। (বুখারী শরীফ: হাদীছ শরীফ নং ৩৯৫০)
পবিত্র বদর জিহাদে সে যেভাবে মারা যায়:
পবিত্র বদর জিহাদে বাকি অংশ পড়ুন...
একটা সময় ছিলো যখন বৃষ্টির ঠিক পরে আকাশে ভেসে উঠতো সাতরঙা রংধনু। কিন্তু এখন তা প্রায় এক বিরল দৃশ্য হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, এখন যদিও বা মাঝে মাঝে চোখে ধরা পড়ে রংধনু, ধীরে ধীরে তা বিলুপ্তির পথে এগিয়ে চলেছে। কারণ, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও আবহাওয়ার পরিবর্তন রংধনুর উপস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।
সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে প্রতিফলিত হয়, তখনই রংধনু সৃষ্টি হয়। ফলে বৃষ্টির ধরণ বদলালে সাত রঙের সেই সংখ্যাও পাল্টে যেতে বাধ্য। এই গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগৃহীত রংধনুর ছবি দিয়ে একটি বৈ বাকি অংশ পড়ুন...
মোগল আমলের অন্যতম পুরাকীর্তি বিবিচিনি শাহী মসজিদ। উপকূলীয় জেলা বরগুনার বেতাগী উপজেলা থেকে মহাসড়ক ধরে উত্তর দিকে ১০ কিলোমিটার গেলেই বিবিচিনি গ্রাম। সেখানেই সবুজের সমারোহের মধ্যে উঁচু এক টিলার ওপর মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে আছে মসজিদটি।
কথিত আছে এই মসজিদকে ঘিরে উপকূলীয় বাংলায় ইসলাম প্রচার শুরু হয়। প্রায় ৩৫০ বছরের পুরানো এই স্থাপনা আকারে বড় না হলেও স্থাপত্য শৈলীতে বেশ রাজসিক হওয়ায় মসজিদটি দেখে মুগ্ধ হন সবাই। তাই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। এই মসজিদ ঘিরে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনাও।
ইতিহাস ও স্থানীয়দ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজার ৯০ শতাংশ স্কুলই দখলদার ইসরায়েলের গোলাবষর্ণে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ ও কর্মসংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ১০টি স্কুলের মধ্যে নয়টিই সন্ত্রাসী ইসরায়েলের গোলাবর্ষণে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ ও কর্মসংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। ধ্বংস হওয়া স্কুলগুলোর মধ্যে তাদের নিজস্ব স্কুলও রয়েছে। সংস্থাটি রোববার জানিয়েছে, ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জন্য এই স্কুলগুলোকে পুনঃনির্মাণ করা প্রয়োজন।
এর আগে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের গাজায় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামছে না। ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে প্রতিদিনই রক্তস্রোত বইছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় দখলদার ইসরায়েলের টানা বিমান ও গোলাবর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৮৬ জন নিহত এবং ৪৯২ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে চলমান আগ্রাসনে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ৭৪৪ জনে। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৫৯ জন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন ইসরায়েলি বাহিনীর গোলায় প্রাণ হারান এবং ২৮ জন খাদ্য সংগ্রহের সময় নিহত হন। মন্ত্রণালয়ের ব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের রাষ্ট্রদূত আহমদ সাদেগিকে অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে সাত দিন সময় দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ ইরানি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। সে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে সিডনি ও মেলবোর্নে ইহুদীবিদ্বেষী হামলার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আলবানিজ জানায়, গত বছর অক্টোবর মাসে সিডনির একটি ক্যাফেতে অগ্নিসংযোগ এবং ডিসেম্বরে মেলবোর্নের একটি সিনাগগে অগ্নিসংযোগের ঘটনার সঙ্গে ইরানের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে গোয়েন্দা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
তিব্বতে চীন তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঁধ নির্মাণ করলে শুষ্ক মৌসুমে প্রধান একটি নদীর পানিপ্রবাহ ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ভারত।
রয়টার্সের হাতে পাওয়া সরকারি বিশ্লেষণ এবং চারটি নির্ভরযোগ্য সূত্রও একই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
এই উদ্বেগের জেরে দিল্লি দ্রুত নিজেদের একটি বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে, যেন সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবিলা করা যায়।
ভারত সরকার ২০০০ সালের পর থেকেই তিব্বতের আংসি হিমবাহ থেকে নেমে আসা পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বিবেচনা করে আসছে। এই হিমবাহ থ বাকি অংশ পড়ুন...












