SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%১৩৮৪%' OR titleBn LIKE '%১৩৮৪%' OR descriptionEn LIKE '%১৩৮৪%' OR descriptionBn LIKE '%১৩৮৪%' OR slug LIKE '%১৩৮৪%' OR metaTag LIKE '%১৩৮৪%' OR metaDescription LIKE '%১৩৮৪%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০২০ থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে এক হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় এক হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং দুই হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন।
নিহতের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৩৪ জন (৭৪.৭১ শতাংশ), নারী ২১৯ জন (১৫.৮২ শতাংশ) ও শিশু ১৩১ জন (৯.৪৬ শতাংশ)।
নিহতদের মধ্যে পথচারী ৫৯২ জন (৪২.৭৭ শতাংশ), মোটরসাইকেল আরোহী ৫৩৬ জন (৩৮.৭২ শতাংশ) এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ইত্যাদি বাকি অংশ পড়ুন...
৯১ হিজরীর (৭৬ শামসী, ৭০৯ খ্রিস্টাব্দ) পরে মুসলমানগণ স্পেনে প্রবেশ করেন এবং তারা কর্ডোভা এবং অন্যান্য শহরগুলিতে একটি উন্নত সভ্যতা গড়ে তোলেন। স্পেনের ইসলামী সভ্যতা ইরাক, সিরিয়া এবং মিশরের মত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্থান করেছিলেন। তেমনটি হয়েছিলো কর্ডোভায় যেমন বাগদাদ, দামেস্ক এবং কায়রোতে ছিলো। খলীফারা বই এবং লাইব্রেরির প্রতি আগ্রহী ছিলেন। চতুর্থ হিজরী শতকে স্পেনে আরবদের সত্তরটির কম গ্রন্থাগার ছিলো না, যা সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।
স্পেনের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থাগার (সম্ভবত সেই সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম), কর্ডোভা বাকি অংশ পড়ুন...
যেভাবে ‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’ উনার ব্যবহার শুরু করা যেতে পারে:
১) যে কোন একটি সন ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই সেই সনের একটি ক্যালেন্ডার আপনার হাতের কাছে থাকা প্রয়োজন। শামসী সনের ক্যালেন্ডার ছাপা হয়েছে আপনি সেটি সংগ্রহ করতে পারেন। আর আপনার অফিসে বা বাসার কম্পিউটারে আপনি শামসী ডেট কনভার্টার নিয়ে রাখতে পারেন, এতে আজ শামসী কত তারিখ বা একটা নির্দিষ্ট দিন শামসী কত তারিখ ছিল তা সহজেই জেনে নিতে পারবেন।
২) আপনার প্রতিদিনের কাজের হিসাবগুলো শামসী তারিখ অনুযায়ী করুন তাতে আপনার মনে থাকবে।
৩) খুব সহজ পদ্ধতি হচ্ছে প্রতিমাসে ঈসায়ী বা খৃষ্টাব বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ । ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধা বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসাবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে ক্বিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদিনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থানঃ
মসজিদটি পবিত্র মদিনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জানায়, শহরের বাজির মোড়ে সরকারি টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ভবনকে নরসিংদীবাসী টর্চার সেল ও হত্যাপুরী বলেই চেনে-জানে। মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণরা এর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় এখনো আঁতকে উঠেন।
পুনর্বাসন: স্বাধীনতার পরপরই রাজাকার কমান্ডার মতিউর সিকদার পালিয়ে পাকিস্তানে চলে যায়। পরে ঘাতকদের গুরু জামাতের সাবেক আমির গো’আযম দেশে ফেরার সময় তার সঙ্গে মতিউর সিকদারও দেশে ফেরে। দেশে ফিরে জামাত কর্মীদের সংগঠিত করে দল পুনর্গঠনে সক্রিয় সহায়তা করে। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে না থাকলেও মতিউর জ বাকি অংশ পড়ুন...
আওস গোত্রীয় আনছারী ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কর্তৃক ইয়াহুদী দুশমন কা’ব বিন আশরাফের মূলোৎপাটনের ঈমানদীপ্ত কাহিনী:
বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- কা’ব বিন আশরাফ দ্বীন ইসলামের ক্ষতি সাধনে মারাত্মকভাবে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। আপনাদের মধ্যে কে আছেন তার একটা বিহিত করবেন?
সাথে সাথে আওস গোত্রীয় আনছারী ছাহাবী হযরত মুহম্মদ বিন মাসলামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু দাঁড়িয়ে আরজী পেশ করলেন, ইয়া রসূলা বাকি অংশ পড়ুন...
আত তাক্বউইমুশ শামসী অনুসরণের সুফল
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি কাফিরদের তৈরি ফলে এর অনুসরণের ফলে শুধু কাফিরদের স্মরণ হয়; যা মুসলমান উনাদের জন্য সম্পূর্ণ হারাম। এ ছাড়াও এর অনুসরণে কল্যাণ নেই বরং অকল্যাণ রয়েছে। কিন্তু “আত-তাক্বউইমুশ শামসী”- এই তাক্বউইম অনুসরণে কাফিরদের অনুসরণ হয় না বরং মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের স্মরণ হয়। ফলে মুসলমান উনারা রহমত, বরকত, সাকীনা লাভ করবে। কাফিররা সব ক্ষেত্রে মুসলমান উনাদের অনুসরণ করবে। কারণ এদের সৃষ্টি করা হয়েছে মুসল বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর যাকাত ছকের সাহায্যে বিষয়টিকে নিচে দেখানো হলো-
সংখ্যা যাকাত হিসেবে প্রদানকৃত পশুর পরিমাণ ও বৈশিষ্ট্য
৩০-৩৯ ১টি তাবী’ (১ বছর পূর্ণ হয়ে ২য় বর্ষে পদার্পনকারী এঁড়ে বাছুর) অথবা ১টি তাবীয়া’ (১ বছর পূর্ণ হয়ে ২য় বর্ষে পদার্পনকারী বকনা বাছুর)
৪০-৫৯ ১টি মুসিন্নাহ (২ বছর পূর্ণ হয়ে ৩য় বর্ষে পদার্পনকারী বাছুর)
৬০-৬৯ ২টি তাবী’ অথবা ২টি তাবীয়া’
৭০-৭৯ ১টি তাবী’ ও ১টি মুসিন্নাহ অথবা ১টি তাবীয়া’ ও ১টি মুসিন্নাহ
৮০-৮৯ ২টি মুসিন্নাহ
৯০-৯৯ ৩টি তাবী’ অথবা ৩টি তাবীয়া’
১০০-১০৯ ২টি তাবী’ ও ১টি মুসিন্নাহ অথবা ২টি তাবীয়া’ ও ১টি মুসিন্নাহ
এরপর প্রতি ৩০ বাকি অংশ পড়ুন...












