SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হারামাইন%' OR titleBn LIKE '%হারামাইন%' OR descriptionEn LIKE '%হারামাইন%' OR descriptionBn LIKE '%হারামাইন%' OR slug LIKE '%হারামাইন%' OR metaTag LIKE '%হারামাইন%' OR metaDescription LIKE '%হারামাইন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ত্রয়োদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَن حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ يَبْعَثُ لِهَذِهِ الأُمَّةِ عَلَى رَأْسِ كُلِّ مِائَةِ سَنَةٍ مَنْ يُجَدِّدُ لَهَا دِينَهَا"
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের জন্য প্রত্যেক শতাব্দীর শুরুতে এমন একজন ব্যক্তিকে প্রেরণ করেন, যিনি উনার যামানায় সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করেন।” (আবূ দাউদ শরীফ)
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় আল্লামা রুহুল আমী বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকার সোনারগাঁয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করার জন্য যারা এসেছিলেন উনাদের মধ্যে হযরত হাজী বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাম উল্লেখযোগ্য। হযরত বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি বাংলায় স্বাধীন সুলতানদের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামল থেকে আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সোনারগাঁও অঞ্চলে ছিলেন। কোন কোন বর্ণনা অনুযায়ী তিনি প্রশাসনিক একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
১৪৮২ খৃ: তিনি বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর বামতীরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৫০৪ খৃ: তিনি আমীন বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের সত্য কখনো কখনো কল্পকাহিনীর চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়। গত কয়েক দশক ধরে মুসলিম বিশে^র অনৈক্য, চরমপন্থা এবং ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার মূলে যে মতবাদটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে, তা হলো নজদ থেকে উদ্ভূত ‘ওহাবি’ মতবাদ। অভিশপ্ত দেওহিন্দু কর্তৃক সুদীর্ঘকাল ধরে এই মতবাদকে দ্বীন ইসলাম উনার একটি সংস্কারপন্থী ধারা হিসেবে অপপ্রচার করা হলেও, ইরাকি গোয়েন্দা সংস্থার এক টপ সিক্রেট প্রতিবেদন ভয়াবহ সত্য প্রকাশ করেছে। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাদ্দাম এর শাসনামলে ইরাকের জেনারেল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট কর্তৃক প্রণীত একটি অতি গোপনীয় নথিত বাকি অংশ পড়ুন...
আজকাল দেখা যাচ্ছে অনেক খাবারের দোকানে (হোটেলে) এই হারাম খাবারগুলো অবাধে খাওয়ানো হচ্ছে। তাই এই হারাম পরিহারের ব্যাপারে সরকারীভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।
সম্মানিত হানাফী মাযহাবের মাশহুর মূলনীতি হলো:
لَا يَحِلُّ مِنْ حَيَوَانِ الْبَحْرِ إِلَّا السَّمَكُ
অর্থ: সমুদ্রের প্রাণীদের মধ্যে শুধু মাছই হালাল। (হিদায়া, বাদায়েউস সানায়ে, ফাতাওয়া হিন্দিয়া)
سمك বা মাছ-এর ব্যাখ্যায় বলা হয় ;
“سمك (মাছ)” ছাড়া সমুদ্রের বা নদীর সব প্রাণী হালাল নয়। যেহেতু সর্বপ্রকার কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টপাস, ঝিনুক, শামুক, কেঁচো, কুঁচিয়া, স্কুইড, সামুদ্রীক প্রাণী শাপলা পাতা, স বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
কর্মজীবন:
শারীরিকভাবে শক্তিশালী, প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য অতি অল্প সময়েই তিনি উসমানীয় বাহিনীতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হন। সূক্ষ যন্ত্রচালনা, যুদ্ধ ও সৈন্য পরিচালনায় অসাধারণ দক্ষতা, এবং অস্ত্র-শস্ত্রের নিপুণ কারিগর হিসেবে উনার সেনাবাহিনীতে নিজেকে অপরিহার্য করে তুললেন। সুলতান সেলিম প্রথম এর সাম্রাজ্য কালেই উনার প্রায় ১৫০টির অধিক নৌ যুদ্ধযান তৈরী করেছিলেন যার সাহায্যে উসমানীয়রা তার বহিঃশত্রুর বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠতর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৫২০ খৃ: সুলতান সেলি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আসছে পবিত্র রমজানে পবিত্র মসজিদে হারামাইনে তারাবীহ নামাজের কাঠামো চূড়ান্ত করা হয়েছে। পবিত্র দুই মসজিদে প্রতিদিন ১০ রাকায়াত তারাবীহ নামাজ আদায় হবে, এরপর ৩ রাকাত বিতর। মোট ১৩ রাকাত নামাজে পাঁচবার সালাম ফিরানো হবে, শেষ সালাম বিতরের মাধ্যমে।
দুই মসজিদের জেনারেল প্রেসিডেন্সি জানিয়েছে, তারাবীহ নামাজ এই নিয়মে আদায় করা হবে এবং মাস শুরু হওয়ার আগে নির্দিষ্ট সময়সূচি ও ইমামদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
করোনার আগে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী শরীফে ২০ রাকায়াত তারাবীহ জামাতের সঙ্গে আদায় হতো। পরে সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করে বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবস মুবারকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন কায়িনাতবাসীকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।” (প বাকি অংশ পড়ুন...
(১৯২-১৯৪)
قَالَ الْعَارِفُ الشَّعْرَانِيُّ: فَإِنْ قُلْت فَهَلْ يَجِبُ عَلَى الْمَحْجُوبِ عَن الِاطِّلَاعِ عَلَى الْعَيْنِ الْأُولَى التَّقَيُّدُ بِمَذْهَبٍ مُعَيَّنٍ؟
فَالْجَوَابُ: نَعَمْ يَجِبُ عَلَيْهِ ذَلِكَ لِئَلَّا يَضِلَّ فِي نَفْسِهِ وَيُضِلَّ غَيْرَهُ.
অর্থ: হযরত ইমাম আরিফ শা’রানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, যদি আপনি প্রশ্ন করেন, যে লোক শরীয়ত উনার প্রথম ঝরণা (কুরআন মাজীদ ও সুন্নাহ শরীফ) উনার প্রকৃত মর্মার্থ সম্পর্কে না জানে, তার জন্য কি (মাযহাব চতুষ্ঠয়ের মধ্যে) এক নির্দিষ্ট মাযহাবের অনুসরণ করা ওয়াজিব হবে? এ প্রশ্নের জবাবে আমি বলবো- হ্যাঁ, সে লোকের জন্য (মাযহাব চতুষ্ঠয়ের মধ্যে) এক নির্দিষ্ট ম বাকি অংশ পড়ুন...












