SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হাম্বল%' OR titleBn LIKE '%হাম্বল%' OR descriptionEn LIKE '%হাম্বল%' OR descriptionBn LIKE '%হাম্বল%' OR slug LIKE '%হাম্বল%' OR metaTag LIKE '%হাম্বল%' OR metaDescription LIKE '%হাম্বল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব থেকে দলীল:
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মা‘আরিফ’ কিতাবের ২৭৮ নং পৃষ্ঠায় আরো বলেন,
اَرْكَانُ الْاِسْلَامِ الَّتِىْ بُنِىَ الْاِسْلَامُ عَلَيْهَا خَمْسَةٌ اَلشَّهَادَتَانِ وَالصَّلٰوةُ وَالزَّكٰوةُ وَصِيَامُ رَمَضَانَ وَالْحَجُّ فَاَعْيَادُ عُمُوْمِ الْمُسْلِمِيْنَ فِى الدُّنْيَا عِنْدَ اِكْمَالِ دَوْرِ الصَّلٰوةِ وَاِكْمَالِ الصِّيَامِ وَالْحَجُّ يَجْتَمِعُوْنَ عِنْدَ ذٰلِكَ اِجْتِمَاعًا عَامًا فَاَمَّا الزَّكٰوةُ فَلَيْسَ لَهَا وَقْتٌ مُعَيَّنٌ لِيَتَّخِذَ عِيْدًا بَلْ كُلُّ مَنْ مُلِمُّ نِصَابًا فَحَوْلَهٗ بِحَسْبِ مِلْكِهٖ وَاَمَّا الشَّهَادَتَانِ فَاِكْمَال বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব থেকে দলীল:
স্বয়ং হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজেই বলেছেন, ‘খাছ মু’মিন উনাদের জন্য প্রতিটি দিনই ঈদ।’ সুবহানাল্লাহ! এবং তিনি আরো বলেছেন, ‘খাছ মু’মিন উনাদের জন্য দুনিয়ার যমীনে এবং পরকালে প্রত্যেকটা সময় ঈদ।’ সুবহানাল্লাহ!
যেমন- হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মা‘আরিফ’ কিতাবের ২৭৮ নং পৃষ্ঠায় বলেন,
كُلُّ يَوْمٍ كَانَ لِلْمُسْلِمِيْنَ عِيْدًا فِى الدُّنْيَا فِاِنَّهٗ عِيْدٌ لَّهُمْ فِى الْجَنَّةِ يَجْتَمِعُوْنَ فِيْهِ عَلٰى زِيَارَةِ رَبِّهِمْ وَيَتَجَلّٰ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: বাতিল ৭২ ফিরক্বার কেউ কেউ বলে থাকে যে, “হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মা‘আরিফ’ নামক কিতাবে রোযার ঈদ, কুরবানীর ঈদ, আইয়্যামে তাশরীক্ব এবং জুমু‘আর দিন ব্যতীত অন্য কোনো দিনকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। কাজেই, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ার যমীনে আগমন অর্থাৎ বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের তারীখ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।” এ বিষয়ে সঠিক জবাব দানে বাধিত করবেন।
জাওয়াব: বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোকদের জাতিগত স বাকি অংশ পড়ুন...
(৪৩৯)
{والصديقين} كافاضل صحابة الانبياء عليهم السلام. والصديق: المبالغ فى صدق ظاهره بالمعاملة وباطنه بالمراقبة او الذي يصدق قوله بفعله، {والشهداء} والذين استشهدوا فى سبيل الله {والصالحين} ومن صلحت احوالهم وحسنت اعمالهم.
অর্থ: (ছদিক্বীন) হচ্ছেন হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদাময় সঙ্গীগণ উনারা। ‘ছিদ্দীক’ শব্দখানা ইসমু ফায়িল মুবালাগাহ। যিনি বাহ্যিক আমলে সত্যবাদী এবং আভ্যন্তরীণ ব্যাপারেও সজাগ তিনিই ছিদ্দীক, অথবা যিনি উনার কথাকে স্বীয় কাজ দ্বারা সত্যায়ন করেন তিনিই ছিদ্দীক।
(শুহাদা) যারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে নিজেদের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন উনারাই শুহাদা।
(ছলিহীন) যারা নিজেদের অবঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ
অর্থ: তালাক দুই বার পর্যন্ত দিতে পারবে। তারপর হয়তো ন্যায়সঙ্গতভাবে রেখে দিবে অর্থাৎ রাজায়াত করবে। অন্যথায় উত্তম পন্থায় বিদায় করে দিতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ, আয়াত শরীফ ২২৯)
অর্থাৎ দুই তালাক পর্যন্ত রাজায়াত করা যায়। রাজায়াত অর্থ : স্বাভাবিক ভাবে ফিরে নেয়া । আর তিন তালাক দিলে স্বাভাবিক ভাবে ফিরে নেয়া যায়না। ফিরে আসতে চাইলে ইদ্দত পূর্ণ করতঃ অন্য কারো সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে। অতঃপর সে আহাল বা স্বামী মারা গেলে অথবা তালাক দিà বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুমহান শান বা মর্যাদার খিলাফ আচরণ যারা প্রকাশ করবে, উনাদের সম্পর্কে কটুক্তি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করবে, অবমাননাকর বা অসম্মানসূঠবাকি অংশ পড়ুন...
অপর বর্ণনায় রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللهِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ أَرْسَلَنِىْ اَهْلِىْ اِلٰى اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلسَّادِسَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ (حَضْرَتْ اُمِّ سَلَمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ) بِقَدَحٍ مِنْ مَّاءٍ وَكَانَ إِذَا أَصَابَ الْإِنْسَانَ عَيْنٌ أَوْ شَيْءٌ بَعَثَ إِلَيْهَا مِخْضَبَه فَاَخْرَجَتْ مِنْ شَعْرِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ تُمْسِكُه فِىْ جُلْجُلٍ مِنْ فِضَّةٍ فَخَضْخَضَتْهُ لَه فَشَرِبَ مِنْهُ قَالَ فَاطَّلَعْتُ فِى الْجُلْجُلِ فَرَأَيْتُ شَعَرَاتٍ حَمْرَاءَ
অর্থ: “হযরত উসমান ইবনে আবদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আমার পরিবারের লোকেরা এক পেয়ালা পঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বাই’আতে রিদ্বওয়ান:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে সংবাদ পৌঁছলো যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করা হয়েছে। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন-
لَا نَبْرَحُ حَتَّى نُنَاجِزَ الْقَوْمَ
অর্থ: এই (কাফির) সম্প্রদায়ের সাথে জিহাদ না করা পর্যন্ত আমরা এ স্থান ত্যাগ করবো না।
অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৪২৯)
فصل: في فروع تتعلق بالإجماع دلَّ قوله تعالى: {وَأُولِي الأَمْرِ مِنْكُمْ} على أن الإجْمَاع حُجة.
অর্থ: এই পরিচ্ছেদ হচ্ছে শাখামূলক মাসয়ালায় ইজমা’ সম্পর্কে। মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম মুবারক ‘তোমরা তোমাদের মধ্যে উলিল আমর উনাদের অনুসরণ করো’ প্রমাণ করে যে, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ সম্মানিত শরীয়ত উনার দলীল বা প্রমাণ। (তাফসীরুল্ লুবাব লি ইবনি আদিল লেখক: হযরত আবূ হাফ্স উমর বিন আলী ইবনু আদিল দামিশ্কী হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৮৮০ হিজরী পবিত্র সূরা নিসা শরীফ-৫৯)
(৪৩০)
وفي أولي الأمر أربعة أقاويل: أحدها: هم الأمراء وهو قول ابن عباس رضى الله عنه وأبي هريرة رضى الله عنه والسدي وابن زيد رحمة الل বাকি অংশ পড়ুন...
(৪২৫)
فصل في دلالة الآية على حجية القياس دلت هذه الايةُ على أنَّ القياس حُجَّة.
অর্থ: এই পরিচ্ছেদ হচ্ছে কিয়াস শরীয়ত উনার দলীল হওয়ার ব্যাপারে পবিত্র আয়াত শরীফ উনার প্রমাণ। অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ প্রমাণ করেছে যে, পবিত্র কিয়াস সম্মানিত শরীয়ত উনার অকাট্য দলীল বা প্রমাণ। (তাফসীরুল লুবাব লি ইবনি আদিল, লেখক: হযরত আবূ হাফ্স উমর বিন আলী ইবনু আদিল দামিশ্কী হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৮৮০ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ-৫৯)
(৪২৬)
فصل في تقديم الكتاب والسنة على القياس دَلَّت هذه الايةُ على أنَّ الكِتَاب والسُنة مُقدِّمان على القِياسِ مُطْلقاً فلا نَتْرُك العَمَل بهما بِسَبَبِ القِياسِ.
অর্থ: এই পরিচ্ছেদ হচ্ছে- বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুমহান শান বা মর্যাদার খিলাফ আচরণ যারা প্রকাশ করবে, উনাদের সম্পর্কে কটুক্তি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করবে, অবমাননাকর বা অসম্মানসূঠবাকি অংশ পড়ুন...












