ইমাম হযরত আবু বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৩৭০ হিজরী) তিনি বলেন-
روي نصف صاع من بر عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر عليه السلام وعمر عليه السلام وعثمان عليه السلام وعلي عليه السلام وابن مسعود رضى الله تعالى عنه وجابر رضى الله تعالى عنه وام المؤمنين عائشة عليها السلام وابن الزبير رضى الله تعالى عنه وأبي هريرة رضى الله تعالى عنه وأسماء بنت أبي بكر رضى الله تعالى عنها وقيس بن سعد رضي الله تعالى عنه أجمعين، وعامة التابعين، ولم يرو عن أحد من الصاحابة بأنه لا بجزئ نصف صاع من بر.
অর্থ: আধা সা’ গম সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, ছিদ্দী বাকি অংশ পড়ুন...
তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে একত্রিত হওয়ার নির্দেশ মুবারক প্রদান করলেন। এতে করে পবিত্র মদীনা শরীফের বাইরে গিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সকলেই খুশি প্রকাশ করলেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আছর নামায বাদ সম্মানিত হুজরা শরীফে প্রবেশ করলেন। হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম ও হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনারাও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের ক্বমীছের সুন্নতী হাতা :
হযরত ইবনে আবিদীন শামী আল-হানাফী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
عَلَى وِفَاقِ السُّنَّةِ بِأَنْ يَكُونَ ذَيْلُهُ لِنِصْفِ سَاقِهِ وَكُمُّهُ لِرُءُوسِ أَصَابِعِهِ وَفَمُهُ قَدْرَ شِبْرٍ كَمَا فِي النُّتَفُ بَيْنَ النَّفِيسِ وَالْخَسِيسِ.
অর্থ: পবিত্র সুন্নত মুবারক হলো- কোন ব্যক্তির ক্বমীছের ঝুল নিছফে সাক্ব হওয়া ও হাতার ঝুল আঙ্গুলের মাথা বরাবর হওয়া এবং হাতার পরিধি এক বিঘত পরিমাণ হওয়া। যেমনটি “আন-নাতাফু বাইনাল নাফীসি ওয়াল খাসীস” নামক কিতাবে উল্লেখ রয়েছে। (আদ-দুররুল মুখতার ওয়া হাশিয়াতু ইবনে আবেদীন শামী-৬/৩৫১)
আল-আদাবুশ শরইয়্যাতু ওয়াল মিনাহিল মা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “যেমন একটা ঘটনা। এটা আসলে তোমাদের আক্বীদ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তারাবীহ নামায বিশ রাকায়াতই পড়তে হবে। কারণ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এব বাকি অংশ পড়ুন...
ক্বামীছ নিছফে সাক পর্যন্ত পরিধান করা সুন্নত, হাঁটু থেকে নীচের দিকে এক হাত পর্যন্ত ঝুলানো জায়িয আছে :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهَا أَنَّ سَيِّدَتنَا حَضْرَتْ اُمَّ الْمؤْمِنِيْنَ السَّادِسَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ حَدَّثَتْهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَبَّرَ لِحَضْرَتْ سَيِّدَةِ النِّسَاءِ اَهْلِ الْجَنَّةِ زَهْرَاءَ عَلَيْها السَّلَامُ شِبْرًا مِّنْ نِطَاقِهَا-
অর্থ: হযরত উম্মে হাসান রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, নিশ্চয়ই সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম তি বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২২)
اهدنا الصراط المستقيم، صراط الذين أنعمت عليهم ممن تقدم وصفهم ونعتهم، وهم أهل الهداية والاستقامة والطاعة لله ورسله، وامتثال أوامره وترك نواهيه وزواجره.
অর্থ: পবিত্র আয়াত শরীফ ত্রয়ের তাৎপর্য এই যে, “আয় মহান আল্লাহ তায়ালা! আপনি আমাদেরকে সঠিক পথ দান করুন। এমন পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন” এখানে নিয়ামতপ্রাপ্ত উনাদের পথ তালাশ করতে বলা হয়েছে। পূর্বে উনাদের গুণাগুণ বর্ণনা করা হয়েছে। উনারাই হলেন হিদায়েতপ্রাপ্ত ও হিদায়েত উনার উপর ইস্তিক্বামত তথা দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত। মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যে প্রতি বাকি অংশ পড়ুন...
ঘরোয়া সুন্নতী পোশাক উনার আলোচনা :
ক্বমীছ পরিধান করা সুন্নত:
ক্বমীছ বা জামা বিভিন্ন রংয়ের হওয়া, সূতি কাপড়ের হওয়া, মোটা কাপড় হওয়া, ফুতহা বা গলাবন্ধনী সংশ্লিষ্ট ফাঁড়া অংশটি বুকের উপর হওয়া, গলাবন্ধনীকে আটকানোর জন্য কাপড়ের তৈরী গুটলীযুক্ত হওয়া, কোণা ফাঁড়া না হওয়া বরং গোল হওয়া, ছয় টুকরা বিশিষ্ট হওয়া, নিছফে সাক্ব হওয়া ইত্যাদি খাছ সুন্নত মুবারকের অন্তর্ভুক্ত।
মহিলাদের ক্বমীছকে دِرْعٌ (দিরউন) বলা হয় :
মহিলাদের সুন্নতী ক্বমীছ বা জামাকে دِرْعٌ (দিরউন) বলা হয়ে থাকে। যেমন এই বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাবসহ বিভিন্ন কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
دِرْ বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা যাবে না?
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা হবে না? যারা এমন কথা বলে তাদের জেনে রাখা দরকার, ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবে এমন অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন যার সনদ দ্বয়ীফ। বিখ্যাত হাদীছ শরীফ বিশারদ হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “তাকরীবুত তাহযীব” কিতাবে প্রায় ৫২ জন রাবীকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন যারা সকলেই “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবের রাবী। ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যদি দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ নাই মানতেন বা গ্রহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(১২)
হযরত ইমাম আলী ইবনে আব্দুল কাফী সুবুকী শাফি‘য়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৭৫৬ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
قَالَ حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ سَاَلْتُ اَبِىْ عَمَّنْ شَتَمَ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسْتَتَابُ قَالَ قَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْقَتْلُ وَلَا يُسْتَتَابُ حَضْرَتْ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيْدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَتَلَ رَجُلًا شَتَمَ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَـمْ يَسْتَتِبْهُ
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, একদা আমি আমার সম্মানিত পিতা (হাম্বলী মাযহাব উন বাকি অংশ পড়ুন...












