SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হজ্ব%' OR titleBn LIKE '%হজ্ব%' OR descriptionEn LIKE '%হজ্ব%' OR descriptionBn LIKE '%হজ্ব%' OR slug LIKE '%হজ্ব%' OR metaTag LIKE '%হজ্ব%' OR metaDescription LIKE '%হজ্ব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
জানার বিষয় হচ্ছে, যে ব্যক্তি তাক্বওয়া অবলম্বন করবে সে হজ্জ পালনে উপরোক্ত কাজ করা থেকে বিরত থাকবে। অন্যথায় মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক লঙ্ঘন করা হবে। আর যারা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক লঙ্ঘন করবে তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَنْ يَعْصِ اللهَ وَ رَسُوْلَه وَ يَتَعَدَّ حُدُوْدَه يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيْهَا وَ لَه عَذَابٌ مُّهِيْنٌ
অর্থ: যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নাফরমানী করবে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে; তিনি তাকে জাহান্নামে প্রবে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اَتـِمُّوْا الْحَجَّ وَ الْعُمْرَةَ لِلّهِ
অর্থ: তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য হজ্জ্ব ও উমরা আদায় কর। (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ- ১৯৬)
আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
وَ لِلّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ اِلَيْهِ سَبِيْلاً
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্যেই মানুষের প্রতি হজ্জ্ব ফরজ করা হয়েছে, যার পাথেয় ও পথের নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ৯৭)
অর্থাৎ যার পাথেয় ও পথের নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে তার জন্যই একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার সন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জ পালন করার প্রস্তুতি গ্রহণের মাস হচ্ছেন পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস। সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার বিগত আরবী মাসগুলো যেভাবে শুরু করেছে তাতে এটা নিশ্চিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস অন্যান্য মাসগুলোর মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাস। এ মাসের বহুবিধ তাৎপর্য রয়েছে। পবিত্র হিজরী মাসের দশম মাস পবিত্র শাওওয়াল শরীফ। এই মাস পবিত্র হজ্ব উনার তিনটি মাসের (পবিত্র শাওওয়াল শরীফ, পবিত্র যিলক্বদ শরীফ, পবিত্র যিলহজ্ব শরীফ) অন্তর্ভুক্ত। এ মাসের প্রথম তারিখ পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন। পহেলা শাওওয়াল শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল ফিতর ছুবহে ছাদিকের সময় পবিত্র ছদক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়, তবে এ ছদক্বা বা ফিতরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের মধ্যে আদায় করা উত্তম এবং অধিক ফযীলত মুবারক লাভের কারণ। পবিত্র ঈদুল ফিতর উন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ‘১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না’ সংক্রান্ত আলোচিত সেই নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট নোটিশের জন্য দুঃখও প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট ওই কর্মকর্তা।
এতে বলা হয়, ‘১৪/১২/২০২৫ ইং তারিখের স্মারক নং–উমাশি/বৃত্তি/২০২৫/৩২৪ পত্রটি প্রত্যাহার করা হলো এবং পত্রটি প্রকাশে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ কর বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৭০. প্রসঙ্গ : প্রচলিত ছয় উছূলী তাবলীগ করা ফরয নয়
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : প্রচলিত ছয় উছূলী তাবলীগ নবীওয়ালা কাজ। এটা সকলের উপর ফরয। চিল্লা না দিলে ঈমান ঠিক হবে না। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : ‘তাবলীগ’ অর্থ প্রচার করা। তাবলীগ দু’প্রকার- তাবলীগে আম ও তাবলীগে খাছ। তাবলীগে আম ফরযে কিফায়া আর তাবলীগে খাছ ফরযে আইন। তাবলীগে আম করবে মুবাল্লিগে খাছগণ, অর্থাৎ হক্কানী আলিম-উলামা বা পীর-মাশায়িখগণ উনারা। আর তাবলীগে খাছ মুবাল্লিগে আমের জন্যেই ফরয। অর্থাৎ প্রত্যেকের জন্যেই তার অধীনস্থদের মধ্যে তাবলীগ করা ফ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৬৪. প্রসঙ্গ : দোয়াল্লীনকে যোয়াল্লীন পড়লে নামায ফাসেদ হয়ে যায়
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : আরবী ‘দোয়াদ’ অক্ষরটিকে ‘যোয়াদ’ উচ্চারণ করতে হবে। সূরা ফাতিহা-এর ‘দোয়াল্লীন’কে ‘যোয়াল্লীন’ পড়তে হবে। নচেৎ নামায হবে না। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : আমাদের হানাফী ক্বারী এবং রাবীগণ উনাদের মতে এবং আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ফতওয়া মতে ‘দোয়াদ’কে ‘যোয়াদ’ আর ‘দোয়াল্লীন’কে ‘যোয়াল্লীন’ পড়া নাজায়িয ও হারাম এবং নামায ফাসিদ হওয়ার কারণ। এটার উপরই ফতওয়া। এর বিপরীত মত পোষণকারীরা বাতিল ও গোমরাহ্।
[এ সম্পর্কে বিস্তারিত বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৬১. প্রসঙ্গ : নিয়ত করে মাযার শরীফ যিয়ারত করা সুন্নত
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : নিয়ত করে রওজা শরীফ ও কোন ওলীর মাযার শরীফ যিয়ারত করা নাজায়িয ও বিদায়াত। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : নিয়ত করে নবীয়ে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রওজা শরীফ ও ওলীগণ উনার মাযার শরীফ যিয়ারত করা জায়িয তো অবশ্যই বরং খাছ সুন্নত। এটাকে বিদ্য়াত বলা কুফরী। কেননা, স্বয়ং আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি বছর উহুদ এবং বদরে অবস্থানরত শহীদগণ উনাদের মাযার শরীফ নিয়ত করে যিয়ারত করতেন বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৫৫. প্রসঙ্গ : কোনা ফাঁড়া কোর্তা সুন্নত নয়
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব ধরনের অর্থাৎ গোল, কোণা বন্ধ, কোণা ফাঁড়া সব ধরনের কোর্তাই পরিধান করেছেন। তাই কোণা ফাঁড়া কোর্তাও সুন্নত। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত-এ বহুবার প্রমাণ করা হয়েছে যে, বাতিলপন্থীদের উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণই ভুল। কারণ, তারা একটি দুর্বল প্রমাণও পেশ করতে পারবেনা যে, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ্, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...












