সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ তথা তৃতীয়া’। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
গান-বাজনা করা কি? কেউ কেউ বলে থাকে, “ইসলামী গান”যেমন- নবীতত্ত্ব, মুর্শীদি, জারী ইত্যাদি জায়িয। কারণ হিসেবে তারা বলে, হযরত সুলত্বানুল হিন্দ খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নাকি গান-বাজনা করেছেন। তারা আরো বলে থাকে যে, বুখারী শরীফ- এর ২য় খ-ের ২২৫ পৃষ্ঠায় এবং ৫ম খ-ের ৫৫৫ পৃষ্ঠায় নাকি “গান-বাজনা”জায়িয বলে লেখা আছে।
এখন আমার সুওয়াল হচ্ছে- “গান-বাজনা”সম্পর্কে সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়সালা কি? সত্যিই কি হযরত সুলত্বানুল হিন্দ খাজা ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “গান-বাজনা”করেছেন? আর বুখারী শরীফ কিতাবের মধ্যে “গান-ব বাকি অংশ পড়ুন...
এজন্য আমরা প্রতিদিন বলে থাকি যে, অন্তরগুলি গালিজমুক্ত করতে হবে। গালিজমূক্ত হবে কিভাবে? একজন কামিল শায়েখ উনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করতে হবে, সবক নিতে হবে, যিকির-ফিকির করতে হবে। ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ অর্জন করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুটা কি? একটা নূর, আলো। যখন রাত্র অন্ধকার হয়ে যায় তখন দেখার জন্য বাতি জ্বালাতে হয়। দিনের বেলা বাতি জ্বালানো প্রয়োজন হয় না, কারণ সূর্য্য থাকে, অনেক আলো। একটা মানুষের অন্তরে গালিজ, অন্ধকার। এটাতে আলো জ্বালাতে হবে, আলো না জ্বালালে বুঝবে কি করে। যিকির-আযকার করার সাথে সাথে কোন কামিল শায়েখ উনার ছো বাকি অংশ পড়ুন...
যে ব্যক্তি পারলৌকিক সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত রয়েছে, বুঝতে হবে যে, সৌভাগ্যের পথে সে ব্যক্তি আদৌ চলেনি। না চলার কারণ অনুসন্ধান করলে জানা যাবে যে, সে ব্যক্তি সৌভাগ্যের পথ চিনতেই পারেনি অথবা চিনতে পেরেছিল বটে, কিন্তু চলতে পারেনি। চিনেও চলতে না পারার কারণ অনুসন্ধান করলে বুঝা যাবে যে, প্রবৃত্তির কবলে বন্দী হয়ে পড়েছিল। কুপ্রবৃত্তির সাথে সংগ্রাম করে জয়ী হতে পারেনি। সুতরাং পারলৌকিক সৌভাগ্যের পথ চিনেও প্রবৃত্তি কর্তৃক বাধপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে দ্বীনী পথে চলতে অক্ষম হয়েছিল। যারা পারলৌকিক পথ চিনতেই পারেনি, সেদিকে চলতে না পেরে সৌভাগ্য হতে বঞ্ বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ওহী মুবারক অবতীর্ণ ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাথে পরামর্শ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ. إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজ থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না বা কোন কাজ মুবারক করেন না, যে পর্যন্ত উনার প্রতি সম্মানিত ওহী মুবারক প্রেরণ করা হয়।” (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৪)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রত্যেকটি কথা কাজ ও সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ মহাসম্মানিত মাসে রয়েছে অনেক উল্লেখযোগ্য স্মরণীয় বরকতময় রাত ও দিন। যারা এই মহাসম্মানিত মাস উনার সম্মান রক্ষা করতে পারবে; তাদের জন্য বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছেন শাহরুন আ’যীম অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহান মাস। এ মহাসম্মানিত মহান মাসে রয়েছে ফরয রোযা ও লাইলাতুল ক্বদরস বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ওযূ করার সম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক:
ওযূ করার জন্য পবিত্র পাত্রে পাক-পবিত্র পানি নিতে হবে অথবা পাক-পবিত্র পানির স্থানে যেতে হবে। ক্বিবলামুখী হয়ে উঁচু জায়গায় বসতে হবে। পানির পাত্রের আকার যদি এরূপ হয় যে, পাত্রটি তুলে পানি ঢালা সম্ভব, তাহলে পানির পাত্রটি বাম পাশে রাখতে হবে। অন্যথায় পানির পাত্র বা উৎস ডান দিকে থাকবে। ১ মুদ বা ১৪ ছটাক পানি দ্বারা ওযূ করা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক। কিন্তু, প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করা সম্মানিত সুন্নত মুবারকের খিলাফ হবেনা। তবে অবশ্যই প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অপচয় করা ঠি বাকি অংশ পড়ুন...
স্মরণীয় যে, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পক্ষ থেকে সমস্ত সৃষ্টির জন্য, জিন-ইনসানের জন্য অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে মূল নিয়ামত মুবারক, নিয়ামতে উযমা মুবারক হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এই লক্বব মুবারকই উনাদের ছানা-ছিফত, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান বুঝা বাকি অংশ পড়ুন...












