SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সৌরজগত%' OR titleBn LIKE '%সৌরজগত%' OR descriptionEn LIKE '%সৌরজগত%' OR descriptionBn LIKE '%সৌরজগত%' OR slug LIKE '%সৌরজগত%' OR metaTag LIKE '%সৌরজগত%' OR metaDescription LIKE '%সৌরজগত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাকাশে এমন এক নতুন ধরনের মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান মিলেছে, যা মানুষ আগে কখনো দেখেনি। বিজ্ঞানীরা এই বস্তুর নাম দিয়েছে ‘ব্ল্যাক হোল স্টার’। এটি মূলত একটি বিশাল হাইড্রোজেন মেঘ, যার ঠিক কেন্দ্রে রয়েছে একটি ব্ল্যাক হোল। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে দেখা রহস্যময় লাল বিন্দুগুলোর পেছনের কারণ বুঝতে এই আবিষ্কার সাহায্য করবে।
ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই বস্তুটি আবিষ্কার করেছে। ‘এমওএম-বিএইচ-১’ নামের এই বস্তুটি বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের বহু বছর পরের মহাকাশে শনাক্ত হয়েছে।
গবেষকরা জানিয়েছে, এট বাকি অংশ পড়ুন...
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টার অনাধিকার চর্চার
গভীর রহস্যের সমাধান সরকার প্রধানকেই করতে হবে ইনশাআল্লাহ
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
নতুন সরকারের কাছে অনেকের অনেক প্রত্যাশা ছিল। উচ্ছৃঙ্খল চাদাবাজ মুক্ত করার পাশাপাশি, রাজনীতিতে, বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বজগত কিভাবে চলে-এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধারণা দিয়েছে। তারা বলছে, পরিচিত চারটি মৌলিক বলের বাইরে আরও একটি রহস্যময় ‘পঞ্চম বল’ থাকতে পারে, যার প্রমাণ মিলতে পারে আমাদের নিজের সৌরজগতেই।
এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা চারটি মৌলিক বলের কথা জানে-মহাকর্ষ (আকর্ষণ শক্তি), তড়িৎচুম্বকত্ব, শক্তিশালী পারমাণবিক বল ও দুর্বল পারমাণবিক বল। এসব বলই মহাবিশ্বের সব ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়। কিন্তু গবেষকদের মতে, এগুলো দিয়েও সবকিছু পুরোপুরি বোঝা যায় না।
নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী তুরিশেভ এক গবেষণায় বলেছে, সৌরজগতের ভেত বাকি অংশ পড়ুন...
রাতের আকাশে তাকালে অনেক সময় তারা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। কিন্তু কিছু সময় আসে, যখন আকাশে দেখা দেয় এক বিশেষ অতিথি। এমনই এক অতিথি হলো নতুন ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)। এটি এখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের দিকে এগিয়ে আসছে।
এই ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এটি খুঁজে পায়। ধূমকেতুটি এসেছে সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ থেকে, যাকে বলা হয় ওর্ট মেঘ (বরফে ভরা বিশাল অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ধূমকেতু জন্ম নেয়)। সূর্যের দিকে আসতে আসতে এটি এখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছে, ধূমকেতু বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। প্রথম নিয়ামত মুবারক হলেন- মহা বাকি অংশ পড়ুন...
সৌরজগতের সময় ও গতির নিয়ম আমাদের পৃথিবীর মতোই হবে, এমন ধারণা মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সবসময় খাটে না। আমাদের প্রতিবেশী গ্রহ শুক্র বা ভেনাস এমনই এক অদ্ভুত জগত, যেখানে সময়ের হিসেব পৃথিবীর সম্পূর্ণ উল্টো। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, শুক্র গ্রহে একটি দিন পার হতে যে সময় লাগে, তার আগেই সেখানে একটি বছর শেষ হয়ে যায়। অর্থাৎ, শুক্র গ্রহের একদিন তার এক বছরের চেয়েও দীর্ঘ। শুনতে রহস্যজনক মনে হলেও মহাকাশীয় গতির বিচারে এটিই বাস্তব।
নাসা এবং মহাকাশ গবেষকদের মতে, এই অদ্ভুত ঘটনার মূল কারণ হলো শুক্র গ্রহের অত্যন্ত ধীরগতির ঘূর্ণন। পৃথিবী য বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশ অনুসন্ধানে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন একটি মাত্র ছবি বিজ্ঞানীদের তাদের জ্ঞান পুনর্বিবেচনা করতে এবং প্রশ্ন করতে বাধ্য করে। ঠিক তাই ঘটেছিলো যখন নাসার পারসিভারেন্স রোভার জেজেরো ক্রেটার অঞ্চলে একা বসে থাকা একটি অদ্ভুত পাথর দেখতে পায়। এর গঠন, রঙ এবং অবস্থান তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্রাচীন হ্রদের তলদেশে সাধারণত যে ধরণের পাথর প্রত্যাশিত ছিলো তা এটি ছিলো না। কোটি কোটি বছর ধরে মঙ্গল গ্রহ কিভাবে তার ভূদৃশ্য তৈরি করেছিলো তা বোঝার চেষ্টা করা গবেষকদের জন্য আবিষ্কারটি এখন সর্বশেষ ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত সপ্তাহে, মিশন দলটি বাকি অংশ পড়ুন...
মনে করুন, সৌরজগতের বাইরে থেকে ছুটে আসা রহস্যময় কোনো বস্তু হঠাৎই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলো। ঠিক কোথায় আঘাত হানতে পারে? এটা জানতে নতুন এক গবেষণায় উচ্চঝুঁকির অঞ্চল চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলের (ইকুয়েটর এলাকা) প্রতি আন্তর্মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলকভাবে উত্তর গোলার্ধ যেখানে পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ বাস করে, সেখানে আঘাত লাগার সম্ভাবনাও সামান্য বেশি।
গবেষকরা কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে এসব বস্তু পৃথিবীর দিকে এলে তাদের গ বাকি অংশ পড়ুন...












