SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সেনাপতি%' OR titleBn LIKE '%সেনাপতি%' OR descriptionEn LIKE '%সেনাপতি%' OR descriptionBn LIKE '%সেনাপতি%' OR slug LIKE '%সেনাপতি%' OR metaTag LIKE '%সেনাপতি%' OR metaDescription LIKE '%সেনাপতি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মুহম্মদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু আবি আমের। ইতিহাসে যিনি পরিচিত হাজিব আল মানসুর নামে। একাধারে তিনি ছিলেন একজন শাসক, একজন যোদ্ধা এবং একজন সেনাপতি। জীবনে তিনি ৫৪টি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং কখনো পরাজিত হননি। উনার পতাকা কখনো মাটিতে পতিত হয়নি। জিহাদের ময়দানে উনার মুখে থাকতো পবিত্র দরুদ শরীফ এবং সাথে থাকতো পবিত্র কুরআন শরীফ। তিনি পেয়েছিলেন সম্মানিত শহীদ উনার মর্যাদা।
হাজিব আল মানসুর দক্ষিণ আন্দালুসের জাজিরাতুল খাদরায় জন্মগ্রহণ করেন। শিশুকাল থেকেই উনার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বিষয়ে দক্ষ হয়ে ওঠেন। সাহিতà বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিমবিদ্বেষ ওদের জাতিগত। এ অভ্যাস ওদের বহু পুরান।
এ অভ্যাস ওদের দীর্ঘদিনের
এ অভ্যাস ওদের মজ্জাগত ও সহজাত।
মুসলমানদেরকে অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় গালি প্রদান এবং মুসলমানদের প্রতি মিথ্যা কালীমা লেপনের নিকৃষ্ট নজির স্থাপন করেছে- বঙ্কিম, ঈশ্বরচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, রঙ্গলাল, হেমচন্দ্র, দীনবন্ধু মিত্র, দামোদর মুখোপাধ্যায়, থেকে খোদ রবীন্দ্র ঠগসহ সব হিন্দু লেখকই।
বাংলা সাহিত্যে এসব হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িকতা ও চরম বিদ্বেষের শিকার হয়েছেন মুসলমানরা। বঙ্কিম তার শেখা প্রায় সবকটি গালি ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে মুসলমানদেঠবাকি অংশ পড়ুন...
কর্ম-জীবন:
আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত আমলে সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বাহরাইনে ছদকা আদায়ের দায়িত্বে নিয়োগ করতে ইচ্ছা মুবারক প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পরামর্শ চাইলে তিনি বলেন, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বুদ্ধিমান ও লেখাপড়া জানা মানুষ। উনার জন্য যে খেদমতের প্রস্তাব আপনি করেছেন আমি তা সমর্থন করি। অতঃপর সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল সালতানাতের ১৮তম শাসক হলেন আবুল মুজাফফার সিরাজুদ্দীন মুহম্মদ বাহাদুর শাহ গাজী। উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি সমধিক পরিচিত বাহাদুর শাহ জাফর নামে। তিনি ছিলেন মোঘল সালতানাতের শেষ শাসক, যিনি স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতার।
তিনি দিল্লীর লাল কেল্লায় ১৭৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যখন শাসক হিসেবে ক্ষমতায় আসেন তখন ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের আগ্রাসন চরম মাত্রা ধারণ করেছিলো। ফলে একসময় প্রবল প্রতাপশীল মোঘলদের প্রভাব লাল কেল্লার মধ্যেই আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলো। মোঘলরা পেনশনভোগী হয়ে পড়েছিলো ব্রিটিশদের কাছে। ইংরেজরা ধীরে ধীরে তাদের কর্তৃত্ব ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ০৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত আয়াত শরীফ উনাদের সংক্ষিপ্ত তাফসীর:
হযরত বাগবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেছেন, হযরত মুহম্মদ ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, আমাকে পরিখা যুদ্ধের ঘটনা বর্ণনা করেছেন, হযরত ওরওয়া ইবনে যুবায়ের রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার থেকে ইয়াযিদ ইবনে রূমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। এরকম আরো বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, জুহুরী এবং আছেম ইবনে আমর ইবনে কাতাদা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, অধিকন্তু আবদুল্লাহ ইবনে আবী বকর ইবনে মুহম্মদ ইবনে আমর ইবনে বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আরো বলেন, তারপর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের ডেকচির নিকট গিয়ে তাতেও উনার মহাসম্মানিত নূরুল বারাকাত মুবারক (থুথু মুবারক) বর্ষণ করলেন এবং বরকতের জন্য দোয়া মুবারক করলেন। আর তিনি (আমার আহলিয়াকে) বললেন, একজন মহিলা ডাকুন; সে আপনার সাথে রুটি মুবারক তৈরী করুক এবং আপনার ডেকচি থেকে (গোশত মুবারক) পাত্রে দিতে থাকুন, কিন্তু চুলা থেকে তা নামাবেন না।
হà বাকি অংশ পড়ুন...
(৪২৯)
فصل: في فروع تتعلق بالإجماع دلَّ قوله تعالى: {وَأُولِي الأَمْرِ مِنْكُمْ} على أن الإجْمَاع حُجة.
অর্থ: এই পরিচ্ছেদ হচ্ছে শাখামূলক মাসয়ালায় ইজমা’ সম্পর্কে। মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম মুবারক ‘তোমরা তোমাদের মধ্যে উলিল আমর উনাদের অনুসরণ করো’ প্রমাণ করে যে, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ সম্মানিত শরীয়ত উনার দলীল বা প্রমাণ। (তাফসীরুল্ লুবাব লি ইবনি আদিল লেখক: হযরত আবূ হাফ্স উমর বিন আলী ইবনু আদিল দামিশ্কী হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৮৮০ হিজরী পবিত্র সূরা নিসা শরীফ-৫৯)
(৪৩০)
وفي أولي الأمر أربعة أقاويل: أحدها: هم الأمراء وهو قول ابن عباس رضى الله عنه وأبي هريرة رضى الله عنه والسدي وابن زيد رحمة الل বাকি অংশ পড়ুন...
(৪২২)
اختلفوا في اولى الامر: قال ابن عباس وجابر رضى الله عنهما وهو قول جماعة: هم العلماء والفقهاء، وقال ابو هريرة رضى الله عنه: هم الولاة والسلاطين، وقيل: هم امراء السرايا الذين بعثهم رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحروب. وقال عكرمة رحمة الله عليه: اراد به ابا بكر وعمر عليهما السلام.
অর্থ: উলিল্ আমর উনার ব্যাপারে ইখতিলাফ রয়েছে। হযরত ইবনু আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও একদল মুফাসসিরীন কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উনারা হলেন হযরত উলামা ও ফুকাহা কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম।
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি বলেন, উনারা হলেন খলীফার তরফ থেকে দায়িত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, আত্বা, আবুল্ আলিয়াহ ও মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উলিল্ আমর হচ্ছেন- হযরত উলামা তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। এ মতটি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা পছন্দ করেছেন।
হযরত মাইমূন, মুক্বাতিল ও কালবী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উনারা হলেন সেনাপতি। অথবা হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের ইমাম আলাইহিমুস্ সালাম উনারা, অথবা এককভাবে হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম।
প্রকাশ্য কথা হলো, প্রত্যেক ঐ অভিভাবক যিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন কর বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবি বাকি অংশ পড়ুন...












