SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সুলায়মান%' OR titleBn LIKE '%সুলায়মান%' OR descriptionEn LIKE '%সুলায়মান%' OR descriptionBn LIKE '%সুলায়মান%' OR slug LIKE '%সুলায়মান%' OR metaTag LIKE '%সুলায়মান%' OR metaDescription LIKE '%সুলায়মান%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
অধিক ইবাদত করেছো বলেও অহংকার করো না। কারণ, ইবলিস ৬ লক্ষ বছর ইবাদত-বন্দেগী করেছিলো। ভেবে দেখো তার কি পরিণতি হয়েছিল। অধিক ইলিম শিক্ষা করেছো বলেও অহংকার-গর্বে ফেটে পড়ো না। কেননা বালয়াম বিন বাউরা এতো ইলিম শিক্ষা করেছিলো যে, যুগশ্রেষ্ঠ ১০ হাজার আলিম তার কাছে তা’লীম নিতো। সেছিলো মুস্তাজাবুদ দাওয়াত। সে যা দোয়া করতো মহান আল্লাহ পাক তিনি তাই কবুল করতেন। ৩০০ বছর সাধনা করে ‘ইসমে আ’যম’ আয়ত্ব করেছিলো। অথচ তার নিন্দায় কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সে কুকুরের ন্যায়। কুকুরের উপর বোঝা চাপিয়ে দিলে হাঁপাতে থাকে। আর না চাপালে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মুতাবিক
পবিত্র নামায আদায়ের সুন্নত তরীক্বা
যেকোনো নেক আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করা হোক না কেনো, তা সুন্নত মুতাবিকই করা উচিত এবং সুন্নত মুতাবিক করলেই সে আমল বা ইবাদত-বন্দেগীর পূর্ণ ছওয়াব লাভের আশা করা যায়। অন্যথায় সুন্নত পরিত্যাগ করে অথবা সম্মানিত সুন্নত উনার খিলাফ কোনো আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করলে ছওয়াবের পরিবর্তে পাপের ভাগী হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।
কারণ সম্মানিত দ্বীন ইসলামের মধ্যে এমন কোনো ইবাদত নেই, যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি উত্তম হেফাজতকারী, অনেক দয়ালু, করুণাময়।”
এ প্রসঙ্গে বলা হয়ে থাকে একটি ওয়াকেয়া। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম। তিনি সারা পৃথিবীর বাদশাহ ছিলেন এবং তিনি নবীও ছিলেন। উনার একটা তখত ছিল, তখতে সুলায়মানী। সেই তখতে করে তিনি প্রত্যেকদিন সকালে এক মাসের রাস্তা সফর করতেন এবং বিকালে এক মাসের রাস্তা সফর করতেন। একদিন তিনি সফর করতেছিলেন, হঠাৎ একজন কৃষক; সে জমিনের মধ্যে ছিল। সে জমিনে থেকে লক্ষ্য করলো, হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার তখতটা আকাশে উড়ে যাচ্ছে। সেই কৃষক বললো সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত সুলায়মান আলাইঠবাকি অংশ পড়ুন...
হিন্দু প্রধান দল কংগ্রেস উপমহাদেশের মুসলমানের উপর হিন্দুত্ববাদীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যে এক জাতীয়তার ধূম্রজাল সৃষ্টি করে মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে বিরাট বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, দেওবন্দের কথিত আলেম হুসাইন আহমদ নাদানী। সে কংগ্রেসের সুরে সুর মিলিয়ে ঘোষণা করে একই ভৌগোলিক সীমারেখার ভিতরে বসবাসকারী মুসলমান অমুসলমান নির্বিশেষে মিলে এক জাতি। এই বিষয়ে সে বইও লিখে। সে দেওবন্দভিত্তিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর সভাপতি ছিলো।
মুসলিম লীগ উপমহাদেশে দ্বিজাতিতত্ত্বের (মুসলিম ও মুশরিক দুই জাতি) ভিত্তিতেই বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের সত্য কখনো কখনো কল্পকাহিনীর চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়। গত কয়েক দশক ধরে মুসলিম বিশে^র অনৈক্য, চরমপন্থা এবং ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার মূলে যে মতবাদটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে, তা হলো নজদ থেকে উদ্ভূত ‘ওহাবি’ মতবাদ। অভিশপ্ত দেওহিন্দু কর্তৃক সুদীর্ঘকাল ধরে এই মতবাদকে দ্বীন ইসলাম উনার একটি সংস্কারপন্থী ধারা হিসেবে অপপ্রচার করা হলেও, ইরাকি গোয়েন্দা সংস্থার এক টপ সিক্রেট প্রতিবেদন ভয়াবহ সত্য প্রকাশ করেছে। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাদ্দাম এর শাসনামলে ইরাকের জেনারেল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট কর্তৃক প্রণীত একটি অতি গোপনীয় নথিতà বাকি অংশ পড়ুন...
৩) মালি সাম্রাজ্যে! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষের রাজ্য!
ঘানা সাম্রাজ্যের ধ্বংসের উপরই একসময় উৎপত্তি হয় মালি সাম্রাজ্যের। এই সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক ছিলেন দুইজন। একজন হলেন মালি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা “সুন্দিয়াতা”। যিনি ১২৩০ হতে ১২৫৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। অপর বিখ্যাত শাসক ছিলেন “মানস মুসা”।
মানস মুসা ১৩১২ সাল থেকে ১৩৩৭ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ২৫ বছর মালি সাম্রাজ্য তথা আজকের মালি, মৌরতানিয়া, সেনেগাল, নাইজারকে শাসন করেছিলেন। তিনি খুবই দ্বীনদার ছিলেন। তার আগের শাসকরা যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় স্কলারের অপছন্দের ছিলেন, সে জায়গায় বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বিরঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর যà বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(২)
হযরত ইমাম সাহনূন তানূখী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অনুসারী বিশ্বখ্যাত ইমাম ও মুজতাহিদ হযরত ইমাম আহমাদ বিন আবূ সুলায়মান তিনি বলেন,
مَنْ قَالَ اِنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ اَسْوَدَ يُقْتَلُ
অর্থ: “যে ব্যক্তি এ কথা বলবে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জিসিম মুবারক কালো বর্ণের ছিলেন, না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তাকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দিতে হবে।” সুবহানাল্লাহ! (শরহুয যারক্বানী ৫/৫৩০, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১২/২৫, ঠবাকি অংশ পড়ুন...












