হযরত খিজির আলাইহিস সালাম তিনি যখন তোমাকে ওয়াজের পরে জিজ্ঞাসা করবেন, তুমি জাওয়াব দিয়ে দিও। বুঝতে পেরেছ? ঠিক আছে।
ওয়াজ হয়ে গেল, এখনতো উনার সিনাতে একটু সাহস হলো। তিনি ওয়াজ করলেন, ঠিক ওয়াজের সময় ঐ ব্যক্তি আবার আসলেন। হে ইবনে জাওযী! আমার যে প্রশ্নটা, মাসয়ালাটা। হ্যাঁ, কি মাসয়ালা? যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? তিনি বললেন, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন, ক্বদীম। তিনি হাদিছ না। তিনি শুরুতে যা ছিলেন এখনও তা, অনন্তকাল ধরে তা করবেন। তিনি নতুন কোন কাজ করেন না। শুরুতে যা করেছে বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
فرأت أنّ القمر وقع في حجرها وقيل رأت الشمس وقعت على صدرها وقصّتها علي أبيها أو زوجها فلطمها وقال أتريدين ملك يثرب وفي رواية ما تمنين إلا هذا الملك الذى نزل
অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল আশিরাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি একবার স্বপ্ন মুবারকে দেখলেন যে আকাশের চাঁদখানা উনার মহাসম্মানিত নূরুল আযহার মুবারকে (কোল মুবারকে) তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! অন্য বর্ণনা রয়েছেন- তিনি স্বপ্ন মুবারকে দেখেছেন আসমানের সূর্যখানা উনার মহাসম্মানিত নূরুল ইলিম মুবারকে (বক্ষ মুবারকে) তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি এই স্বপ্ন মুবারকখানা উনার পি বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ তথা তৃতীয়া’। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ন বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য, মুনাফিক সর্দার উবাই বিন সুলূল সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললো, পবিত্র মদীনা শরীফে থেকেই আমাদের জিহাদ করা হবে উত্তম। মুনাফিক সর্দার জোরালোভাবে পবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থান করা ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বাইরে বেরিয়ে জিহাদ না করার প্রতি জোর দিতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু পরবর্তীতে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বাইরে গিয়ে জিহাদ করার জন্য বললেন। এতে উবাই বিন সুলূল সে জিহাদে না যাওয়ার বিষয়ে নানান চূ-চেরা কিল-কাল করতে লাগলো। নাউযুবিল্লাহ! মূলত নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদী যুবাইর ইবনে বাতা কুরাইযী:
এবার যুবাইর বললো, ‘হিজায ভূমিতে একটা পরিবার বাস করবে, আর তাদের কোন সম্পত্তি থাকবে না, তাহলে তারা বাঁচবে কি করে?’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে গিয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘তার সহায়-সম্পত্তি?’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘তাও আপনার।’ হযরত ছাবিত ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ত বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ওহী মুবারক অবতীর্ণ ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাথে পরামর্শ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ. إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজ থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না বা কোন কাজ মুবারক করেন না, যে পর্যন্ত উনার প্রতি সম্মানিত ওহী মুবারক প্রেরণ করা হয়।” (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৪)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রত্যেকটি কথা কাজ ও সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
এক ইহুদী মহিলার মৃত্যুদন্ড প্রদান:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حضرت عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ رضى الله تعالى عنه عَنْ سيدتنا حضرت ام المؤمنين الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عليها السلام قَالَتْ لَمْ يُقْتَلْ مِنْ نِسَائِهِمْ تَعْنِي بَنِي قُرَيْظَةَ إِلاَّ امْرَأَةً إِنَّهَا لَعِنْدِي تُحَدِّثُ تَضْحَكُ ظَهْرًا وَبَطْنًا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْتُلُ رِجَالَهُمْ بِالسُّيُوفِ إِذْ هَتَفَ هَاتِفٌ بِاسْمِهَا أَيْنَ فُلاَنَةُ قَالَتْ أَنَا قُلْتُ وَمَا شَأْنُكِ قَالَتْ حَدَثٌ أَحْدَثْتُهُ قَالَتْ فَانْطَلَقَ بِهَا فَضُرِبَتْ عُنُقُهَا فَمَا أَنْسَى عَجَبًا مِنْهَا أَنَّهَا تَضْحَكُ ظَهْرًا وَبَطْنًا وَقَدْ عَلِمَتْ أَنَّهَا تُقْتَلُ.
অর্থ: “হযরত উ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আবনা তথা মহাসম্মানিত ছেলে আওলাদ আলাইহিমুস সালাম এবং মহাসম্মানিতা বানাত তথা মহাসম্মানিতা মেয়ে আওলাদ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট আট (৮) জন। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী উনাদের সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন,
১. ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত মুবারক করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা বাকি অংশ পড়ুন...












