SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সমীকরণ%' OR titleBn LIKE '%সমীকরণ%' OR descriptionEn LIKE '%সমীকরণ%' OR descriptionBn LIKE '%সমীকরণ%' OR slug LIKE '%সমীকরণ%' OR metaTag LIKE '%সমীকরণ%' OR metaDescription LIKE '%সমীকরণ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আধুনিক ভূ-রাজনীতি এবং যেকোনো সম্ভাব্য জাতীয় নিরাপত্তার মহাবিপর্যয় মোকাবিলায় সামরিক প্রতিরক্ষার পরিধি কেবল সম্মুখ সমরাস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কোনো দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান ভিত্তি হলো তার সামরিক বাহিনীর টেকসই লজিস্টিকস এবং ব্যাক-আপ সাপোর্ট। এই সাপোর্টের মধ্যে সবচেয়ে সংবেদনশীল ও অপরিহার্য অংশটি হলো চিকিৎসা সক্ষমতা। সাম্প্রতিক বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে যদি কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রকে ৫০ লক্ষাধিক সম্ভাব্য বিশাল রিজার্ভ বা নিয়মিত সেনাবহরের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয়, তবে তার জন্য যে বিশাল পরিমাণ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সানা ‘চোখের বদলে চোখ’-এর নতুন নীতি সক্রিয় করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আকাশসীমা দিয়ে উড়তে নিষেধ করেছে।
মেহর সংবাদ সংস্থার-এর বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইয়েমেনী সশস্ত্র বাহিনী সমস্ত বিমান সংস্থাকে সৌদি আকাশসীমায় উড়তে নিষেধ করে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে।
বাহিনীটি জোর দিয়ে বলেছে, “সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর এই সতর্কতাগুলোকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত।” এভাবে সানা কর্তৃপক্ষ ‘বিমানবন্দরের বদলে বিমানবন্দর, অবরোধের বদলে অবরোধ’-এর সমী বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশলে কেবল সৈন্য সংখ্যা দিয়ে যুদ্ধ জয় অসম্ভব, যদি না প্রতিটি সেনাকে প্রযুক্তিগতভাবে সুপার-সোলজারে' রূপান্তর করা যায়। যখন বাহিনীর আকার ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বহরের হয়, তখন তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা, কার্যক্ষমতা এবং যুদ্ধের স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য পার্সোনাল ট্যাকটিক্যাল ও সারভাইভাল লজিস্টিকসের প্রয়োজনীয়তা এক বিশাল লজিস্টিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়।
একটি বিশাল বাহিনীকে শতভাগ আধুনিকায়ন করতে কী বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তিগত লজিস্টিকস লাগবে এবং এই বিশাল সরবরাহের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ কেমন হওয়া উচি বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের মানচিত্রে নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন)। হয়তো একটি ক্ষুদ্র বিন্দু, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় তার গুরুত্ব অপরিসীম। শত বছরের নদী, পলি এবং মানুষের নিরন্তর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এই ব-দ্বীপের প্রতিটি ইঞ্চি কেবল মাটি নয়; এটি সংগ্রাম, পরিচয়, সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের অস্তিত্বের এক জীবন্ত প্রতীক। তাই এই ব-দ্বীপের কোনো অংশের ভবিষ্যৎ প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ, ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং জাতীয় স্বার্থের গভীর প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
কারণ পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর তথা বঙ্গোপসাগর এর সাথে দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলের যোগাযোগ বাকি অংশ পড়ুন...
৫০ লক্ষাধিক বিশাল সমন্বিত সামরিক বহরের জন্য যে আধুনিক, এআই-চালিত এবং ত্রিমাত্রিক ‘সার্ভে ও নজরদারি’ নেটওয়ার্কের প্রয়োজন, তা রাতারাতি শূন্য থেকে গড়ে তোলা কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সফটওয়্যার আর্কিটেকচার প্রয়োজন। এই বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এশিয়ার তিনটি উদীয়মান ও পরীক্ষিত সামরিক-প্রযুক্তি পরাশক্তি-তুরস্ক, ইরান এবং পাকিস্তান-এর কাছ থেকে কৌশলগত কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিক যুদ্ধকৌশন কেবল আকাশ বা স্থলভাগের সমীকরণ দিয়ে নির্ধারিত হয় না। স্যাটেলাইট সাইডেড মিসাইল ড্রোন কনস্টেলেশন এবং দূরপাল্লার প্রিসিশন গাইডেড মারণাস্ত্রের (চএগ) এই যুগে, একটি বৃহৎ বাহিনীর টিকে থাকা এবং পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা নির্ভর করে তার সারভাইভেবিলিটি টিকে থাকার কৌশলের ওপর। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, রিজার্ভ এবং আধাসামরিক বাহিনী মিলিয়ে যদি ৫০ লক্ষাধিক সদস্যের একটি বিশাল সমন্বিত বহরকে বিন্যস্ত করতে হয়, তবে তাদের জন্য একটি দেশব্যাপী, কৌশলগত এবং উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন ভূগর্ভস্থ বাংকার নেটওয়ার্ক গড়ে তোল বাকি অংশ পড়ুন...
কি পরিমান প্রয়োজন :
৫০ লক্ষ (৫ মিলিয়ন) সৈন্যের একটি বিশাল বাহিনীর জন্য অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ও লঞ্চারের প্রয়োজনীয়তা হিসাব করতে হবে আন্তর্জাতিক সামরিক মতবাদ (মিলিটারী ডকট্রিন) এবং পদাতিক ব্যাটালিয়নের স্ট্যান্ডার্ড কাঠামো অনুযায়ী।
সাধারণত, আধুনিক সামরিক বাহিনীতে প্রতি ৮০০ থেকে ১,০০০ জন সৈন্য নিয়ে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়। সেই হিসাবে, ৫০ লক্ষ বাহিনীর মধ্যে যদি আনুমানিক ৬০% সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের পদাতিক বা কমব্যাট ফোর্স হয়, তবে মোট ব্যাটালিয়নের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০টি।
একটি স্ট্যান্ডার্ড থার্ড-জে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে সে দেশে বসবাসরত লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে বিরাজ করছে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা। দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে এই সফরের মাধ্যমে ভূরাজনৈতিক সমীকরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ঝিমিয়ে পড়া শ্রমবাজারের পুনরুজ্জীবন এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করছেন প্রবাসীরা। তাদের প্রত্যাশা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার সিন্ডিকেট মুক্ত হবে এবং প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ হলো তার সীমান্ত। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণের পরিবর্তনের কারণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে কেবল একটি গতানুগতিক সীমান্ত পাহারা দেওয়া আধা-সামরিক বাহিনী হিসেবে রেখে দেওয়ার আর সুযোগ নেই। সীমান্ত অপরাধ দমন, অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং যেকোনো ধরণের বাহ্যিক উস্কানি বা আগ্রাসনের মুখে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দিতে বিজিবি-কে একটি ক্ষিপ্র, আধুনিক এবং উচ্চ-প্রযুক্তিগত ক্ষমতা সম্পন্ন ‘স্ট্রাইকফোর্সে’ রূপান্তর করা এখন সময়ের দাব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
একটি হিব্রু ভাষার দৈনিক স্বীকার করেছে, সন্ত্রাসী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের শক্তি প্রমাণিত হয়েছে।
মেহর নিউজ এজেন্সিকে উদ্ধৃত করে পার্সটুডে জানিয়েছে, হিব্রু ভাষার সংবাদপত্র ইয়েদিওথ আহারনোথ স্বীকার করেছে, শেষ কথা ইরানই বলছে এবং একটি নতুন আঞ্চলিক সমীকরণ তৈরিতে তারা তাদের শক্তি প্রদর্শন করেছে।
সংবাদপত্রটি সন্ত্রাসী ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোর ওপর আগ্রাসনের জবাবে ইরানের বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা উল্লেখ করেছে।
এদিকে, ইসরায়েলের চ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ আমাদের সবার, অতীত চর্চা নয়, বরং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্য হিসেবে শহীদদের এই আত্মদান যুদ্ধবিরোধী, শান্তিকামী মানুষের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ৪ দশক ধরে আস্থা ও নির্ভরতার নাম সশস্ত্র বাহ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের জনসংখ্যার সূচক ৫১ কোটি ছুঁয়েছে, এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সমীকরণটি আমূল বদলে যেতে বাধ্য। এমন এক অতি-ঘনবসতিপূর্ণ ভূখ-ে সীমানা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ সদস্যের এক সুবিশাল সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য হয়ে উঠেছে। তবে একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে দাঁড়িয়ে এই বিশাল বাহিনীকে কেবল লোহা, বারুদ আর সাঁজোয়া যানের প্রাচীন কাঠামোতে বন্দি রাখলে তা হবে এক ঐতিহাসিক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আজকের যুদ্ধক্ষেত্র আর কেবল সীমান্তরেখায় সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্য, স্পর্শহী বাকি অংশ পড়ুন...












