(৩৩১)
"وَإِذا قِيلَ لَهُمْ" يعنى الـمنافقين فى قول مقاتل وغيره."امِنُوا كَما آمَنَ النَّاسُ" اى صدقوا بمحمد صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وشرعه كما صدق الـمهاجرون والمحققون من اهل يثرب.
অর্থ: (যখন তাদেরকে বলা হয়) হযরত মুক্বাতিল রহমতুল্লাহি আলাইহি ও অপরাপর অনেকের মতে, যখন মুনাফিকদেরকে বলা হয় (তোমরা পবিত্র ঈমান আনো, যেরকম অন্যান্য ব্যক্তিত্ব পবিত্র ঈমান এনেছেন) অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ও উনার আনিত সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতি তারা যেন বিশ্বাস স্থাপন করে যেরকম পবিত্র ঈমান পবিত্র মক্কা শরীফ-পবিত্র মদীনা শরীফবাসী হযরত মুহাজির বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “যেমন একটা ঘটনা। এটা আসলে তোমাদের আক্বীদ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তারাবীহ নামায বিশ রাকায়াতই পড়তে হবে। কারণ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এব বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২৫)
{صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمْتَ عَلَيْهِمْ} همُ الأنبياءُ وأهلُ طاعةِ الله تعالى. (تفسير القرآن العظيم المنسوب للإمام الطبراني سورة الفاتحة رقم الاية المجيد ۶ المؤلف: العلامة المفسر المحدث أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي الطبراني رحمة الله عليه)
অর্থ: (এমন পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন) উনারা হলেন হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার অনুগত ব্যক্তিত্ব অর্থাৎ ইমাম, মুজতাহিদ, ওলীআল্লাহ ও নেককার-পরহেযগার রহমতুল্লাহি আলাইহিম। (তাফসীরুল কুরআনিল আযীম আল মানছূব লিল ইমাম ত্ববারানী, সূরা ফাতিহা শরীফ: আয়াত শরীফ: ৬, লেখক আল্লামা মুফাসসির, মুহাদ্দিছ আবুল কাসি বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২২)
اهدنا الصراط المستقيم، صراط الذين أنعمت عليهم ممن تقدم وصفهم ونعتهم، وهم أهل الهداية والاستقامة والطاعة لله ورسله، وامتثال أوامره وترك نواهيه وزواجره.
অর্থ: পবিত্র আয়াত শরীফ ত্রয়ের তাৎপর্য এই যে, “আয় মহান আল্লাহ তায়ালা! আপনি আমাদেরকে সঠিক পথ দান করুন। এমন পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন” এখানে নিয়ামতপ্রাপ্ত উনাদের পথ তালাশ করতে বলা হয়েছে। পূর্বে উনাদের গুণাগুণ বর্ণনা করা হয়েছে। উনারাই হলেন হিদায়েতপ্রাপ্ত ও হিদায়েত উনার উপর ইস্তিক্বামত তথা দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত। মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যে প্রতি বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২১)
{صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ} مفسر للصراط المستقيم. وهو بدل منه عند النحاة، ويجوز أن يكون عطف بيان. و {الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ} هم المذكورون في سورة النساء، حيث قال: {وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَالرَّسُولَ فَأُولَئِكَ مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ وَحَسُنَ أُولَئِكَ رَفِيقًا ذَلِكَ الْفَضْلُ مِنَ اللَّهِ وَكَفَى بِاللَّهِ عَلِيمًا} [النساء: ۶۹ ، ۷۰]. وقال الضحاك عن ابن عباس: صراط الذين أنعمت عليهم بطاعتك وعبادتك من ملائكتك وأنبيائك والصديقين والشهداء والصالحين وذلك نظير ما قال ربنا تعالى: {وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَالرَّسُولَ فَأُولَئِكَ مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ} الآية [النساء: ۶۹]. وقال أبو جعفر عن الربيع بن أنس: {صِرَاطَ الَّذِينَ أَ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩১৬)
قال أبو جعفر: أجمعت الأمة من أهل التأويل جميعًا على أن "الصراط المستقيم" هو الطريق الواضح الذي لا اعوجاج فيه. وكذلك ذلك في لغة جميع العرب.
অর্থ: ইমাম আবূ জা’ফর তাবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সমস্ত মুফাসসিরীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা একমত যে-اَلصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ উনার অর্থ হলো- সেই সরল, সঠিক ও সুস্পষ্ট পথ, যার কোন অংশই বাঁকা নয়। সকল আরবী অভিধানেও শব্দ দু’টির অর্থ অনুরূপ। (জামিউল্ বায়ান ফী তা’বীলিল্ কুরআন অর্থাৎ তাফসীরুত্ তাবারী, পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ৫ লেখক: হযরতুল আল্লামা মুহম্মদ বিন মুহম্মদ বিন জারীর বিন ইয়াযীদ বিন কাছীর বিন গালি বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী মুসলমানদেরকে ছহীহ আক্বীদা ও আমল থেকে বিচ্যুত করে দেয়াই এদের উদ্দেশ্য:
আমরা সবাই জানি রাফিযী, শিয়া, খারিজী, ক্বদরিয়া, জহমিয়া, মুশাব্বিয়া এসব বাতিল ফিরকার লোকেরা বদ আকীদার এবং বিদয়াতী। তাহলে এসব বর্ণনাকারী কেন ছহীহ হাদীছ শরীফ উনার কিতাবে?
বদ আকীদার রাবী সম্পর্কেও একেক ইমাম উনাদের একেক দৃষ্টি ভঙ্গি রয়েছে। যেমন, হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুতাজিলা ফেরকার লোকদের বর্ণিত হাদীছ শরীফ গ্রহণ করতেন না। (আল ফারকু বাইনাল ফিরকি ৩৫৮ পৃষ্ঠা)
হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, তাদের (শিয়া) বাকি অংশ পড়ুন...












