পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
, ১৬ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৫ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
পবিত্র যোহর উনার মুস্তাহাব ওয়াক্ত :
সম্মানিত হানাফী মাযহাবের মতে, যুহরের ছলাত গরমকালে দেরিতে এবং শীতকালে তাড়াতাড়ি পড়া মুস্তাহাব। কেননা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَبْرِدُوْا بِالظُّهْرِ فَاِنَّ شِدَّةَ الْـحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ
অর্থাৎ তোমরা যুহরের ছলাত সূর্যের তাপ কমে ঠা-া হওয়ার পর আদায় করো। কেননা তাপের প্রখরতা জাহান্নামের নিশ্বাস হতে সৃষ্টি।
হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, সকল মৌসুমে যুহরের ছলাতকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব।
পবিত্র আছরের মুস্তাহাব ওয়াক্ত :
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনাদের মতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন না থাকলে সূর্যের রং বিবর্ণ হওয়ার কিছু পূর্ব পর্যন্ত বিলম্ব করে আছরের ছলাত পড়া মুস্তাহাব। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলে তাড়াতাড়ি পড়া মুস্তাহাব। কিন্তু অন্যান্যদের মতে সর্বাবস্থায় তাড়াতাড়ি পড়া মুস্তাহাব।
পবিত্র মাগরিব ও ইশা উনাদের মুস্তাহাব ওয়াক্ত :
সকল ইমাম এ কথার উপর একমত যে, পবিত্র মাগরিবের ছলাত সর্বাবস্থায় প্রথম ওয়াক্তে পড়া মুস্তাহাব। আর পবিত্র ইশার ছলাত রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরি করে পড়া মুস্তাহাব। কেননা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَزَالُ اُمَّتِىْ بِـخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْـمَغْرِبَ وَاَخَّرُوا الْعِشَاءَ
অর্থাৎ আমার উম্মত ততক্ষণ পর্যন্ত কল্যাণের উপর থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা মাগরিবের ছলাত তাড়াতাড়ি পড়বে এবং পবিত্র ইশার ছলাত বিলম্ব করে পড়বে। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র বিতির উনার মুস্তাহাব ওয়াক্ত :
যে ব্যক্তির শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার অভ্যাস আছে, অথবা সে দৃঢ় বিশ্বাসী যে সে শেষ রাতে জাগ্রত হতে পারবে, তবে তার জন্য প্রথম রাতে পবিত্র বিতির না পড়ে শেষ রাতে তাহাজ্জুদের পর পড়া মুস্তাহাব। কেননা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِجْعَلُوْا اٰخِرَ صَلٰوتِكُمْ مِّنَ اللَّيْلِ الْوِتْرَ
অর্থাৎ তোমাদের রাতের ছলাতগুলোর মধ্যে পবিত্র বিতির নামায উনাকে সর্বশেষে আদায় করো। আর শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার নিশ্চয়তা না থাকলে রাতের প্রথম ভাগে পবিত্র ইশার পরই পবিত্র বিতির পড়ে নেয়া আবশ্যক। কেননা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَيُّكُمْ خَافَ اَنْ لَّايَقُوْمَ مِنْ اٰخِرِ اللَّيْلِ فَلْيُوْتِرْ ثُـمَّ لِيُرْقِدْ
অর্থাৎ তোমাদের কেউ যদি শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়, সে যেনো বিতির পড়ে নিদ্রা যায়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়তে মদ ও জুয়া হারাম
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১৪তম পর্ব)
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পাঁচ তরীক্বার শাজরা শরীফ (১)
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












