SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মু’মিনে%' OR titleBn LIKE '%মু’মিনে%' OR descriptionEn LIKE '%মু’মিনে%' OR descriptionBn LIKE '%মু’মিনে%' OR slug LIKE '%মু’মিনে%' OR metaTag LIKE '%মু’মিনে%' OR metaDescription LIKE '%মু’মিনে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আমরা জানি, “ভাই” শব্দটি মুহব্বত ও সম্মানসূচক একটি শব্দ, এটি মুসলিম ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা এমনকি মুসলিম পরিচিতদের মধ্যে সম্বোধন হয়ে থাকে।
আর কাফের-মুশরিকরা তো মুসলমানদের মুহব্বতের ব্যক্তিদের কেউ না। তাহলে আমরা কেন তাদেরকে ভাই বলে সম্বোধন করবো?
প্রথমত: বংশীয় ভাই। সাধারণভাবে বংশীয় ভাইকে ভাই বলে সম্বোধন করি,
অমুসলিম কখনো মুসলমানদের বংশীয় ভাই হতে পারে না। কারণ কেউ যদি অমুসলিম হয়ে যায় তাহলে তার বংশ বাতিল হয়ে যায়।
যেমন: মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ يَا نُوحُ إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ أَهْلِكَ ۖ إِنَّهُ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সারা বিশ্বের মুসলমানগণ আক্রান্ত, নির্যাতিত, নিপীড়িত। বিশেষভাবে মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা উনার ভূমি ফিলিস্তিন আজ আক্রান্ত। পরগাছা ইà বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সারা বিশ্বের মুসলমানগণ আক্রান্ত, নির্যাতিত, নিপীড়িত। বিশেষভাবে মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা উনার ভূমি ফিলিস্তিন আজ আক্রান্ত। পরগাছা ইà বাকি অংশ পড়ুন...
কালেমার পতাকা উচ্চে রাখতে আমরা মুসলমান,
শহীদ হবো,তবুও মোরা হটবো না পিছুটান ॥
কলেমার ইজ্জত রক্ষা লাগি,
মোরা মুজাহিদ রইছি জাগি ॥
ইনশাল্লাহ, করবো ধ্বংস মুশরিকদের ফরমান।
কালেমা পতাকা উড়াবো মোরা বাংলাদেশের বুকে,
মুসলিম দেশ, বাংলাদেশ কালেমার আখলাকে।
মোদের বাংলাদেশের সবুজ শীরে,
কালেমা ঝান্ডা রাখি উড়ে ॥
দম্ভ নাকো আমরা মু’মিন, করি তাগুতেরে অবসান।
প্রতি মু’মিনের রক্ত স্রোতে কালেমার ধ্বনি বহে,
রক্ত বহায়ে থাকবো রে কুরআন হাদীছি মোহে ॥
কালেমা মোদের জিকির,
ইশকি কালেমায় অধির ॥
সর্বোচ্চ সচেতন রবো থাকবো নেই কোন ব্যবধান।
সুলতানুন নাছী বাকি অংশ পড়ুন...
কালেমার পতাকা উচ্চে রাখতে আমরা মুসলমান,
শহীদ হবো,তবুও মোরা হটবো না পিছুটান ॥
কলেমার ইজ্জত রক্ষা লাগি,
মোরা মুজাহিদ রইছি জাগি ॥
ইনশাল্লাহ, করবো ধ্বংস মুশরিকদের ফরমান।
কালেমা পতাকা উড়াবো মোরা বাংলাদেশের বুকে,
মুসলিম দেশ, বাংলাদেশ কালেমার আখলাকে।
মোদের বাংলাদেশের সবুজ শীরে,
কালেমা ঝান্ডা রাখি উড়ে ॥
দম্ভ নাকো আমরা মু’মিন, করি তাগুতেরে অবসান।
প্রতি মু’মিনের রক্ত স্রোতে কালেমার ধ্বনি বহে,
রক্ত বহায়ে থাকবো রে কুরআন হাদীছি মোহে ॥
কালেমা মোদের জিকির,
ইশকি কালেমায় অধির ॥
সর্বোচ্চ সচেতন রবো থাকবো নেই কোন ব্যবধান।
সুলতানুন নাছী বাকি অংশ পড়ুন...
لَايُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهِ وَمَالِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ
“তোমাদের মাঝে কেউ মু’মিন-মুসলমান হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তার পিতা-মাতা, আল-আওলাদ, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, জান-মাল এবং সমস্ত মানুষ থেকে আমাকে সবচাইতে বেশী মুহব্বত না করতে পারবে।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এই হাদীছ শরীফকে বলা হয়, উম্মুল হাদীছ শরীফ। এই হাদীছ শরীফের কথা চিন্তা করেই সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ফানা-বাক্বা হয়েছেন। কি রকম ফানা-বাকà§ বাকি অংশ পড়ুন...
لَايُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهِ وَمَالِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ
“তোমাদের মাঝে কেউ মু’মিন-মুসলমান হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তার পিতা-মাতা, আল-আওলাদ, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, জান-মাল এবং সমস্ত মানুষ থেকে আমাকে সবচাইতে বেশী মুহব্বত না করতে পারবে।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এই হাদীছ শরীফকে বলা হয়, উম্মুল হাদীছ শরীফ। এই হাদীছ শরীফের কথা চিন্তা করেই সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ফানা-বাক্বা হয়েছেন। কি রকম ফানা-বাকà§ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আন’আম শরীফের ৭০ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ সমস্ত লোকদেরকে পরিত্যাগ করুন, যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে এবং নছীহত করুন এ ব্যাপারে যে, প্রত্যেক ব্যক্à বাকি অংশ পড়ুন...
আখিরী রসূল উনার উম্মত মোরা,
শত্রু ধ্বসাতে ডরি না থোরা।
হুমকি ধমকিতে হটিনা পিছু, ॥
ইতিহাস খুলে দেখ আমরা সেরা।
মুহম্মদ বিন কাসিম, ইবনে যিয়াদ,
হায়দারী জুলফিকার দীপ্তে আবাদ,
মুসলিম শুনছি ফারুকী আওয়াজ, ॥
মোরা জিন্দা খালিদের সৌর্যে পুরা।
ঐ আমেরিকা, ভারত, ইহুদীর দেশ,
করে দিতে তাদেরে পুরো নিঃশেষ।
ভয়ংকর বোমাস্ত্র রাখছি সাজায় ॥
আকাশ পানি স্থল ভুবন জোরা।
সাড়ে তিন শত কোটি মুসলিমীন,
ঐক্য মূলেই মোরা আছি সমীচিন।
দুনিয়া আয়েশি লোভে মোজি নারে ॥
বাতিল বিনাশে রই শপথে ঘেরা।
ওই কুখ্যাত মুশরিক ভারতিরা শুন,
তোদের গায়ে ঢালতে লাভার আগুন।
আসমান জঠবাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য যে, যখন বলা হবে, মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি ঈমান আনলাম বা উনাদেরকে বিশ্বাস করলাম তখন মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতিটি বিষয় বিনা চু-চেরায় মেনে নিতে হবে এবং সে বিষয়গুলোর উপর আমল করতে হবে। কেননা, মানুষ যখন কাউকে বিশ্বাস করে, তখন সে ব্যক্তি যা বলে, সেটাই সে মেনে নেয়। আর যে বিষয় থেকে নিষেধ করে সে বিষয় থেকে বিরত থাকে।
সুতরাং যারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবà§ বাকি অংশ পড়ুন...












