নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই দুআ মু’মিনের তরবারী বা অস্ত্র স্বরূপ।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই দুআ মু’মিনের তরবারী বা অস্ত্র স্বরূপ। সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। তাই, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্তে মুসলমানদের জন্য নেক দুআ এবং ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে শক্ত বদ দুআ করা।
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। তাই, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্তে মুসলমানদের জন্য নেক দুআ এবং ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে শক্ত বদ দুআ করা।
, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই দুআ মু’মিনের তরবারী বা অস্ত্র, দ্বীনের ভিত্তি এবং আসমান-যমীনের জন্য নূর স্বরূপ।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাফির মুশরিকদের মধ্য হতে অত্যধিক সীমালঙ্ঘনকারীদের প্রতি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বদদোয়া করতেন। প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বদদোয়ার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতেন। যেমন, উহুদ যুদ্ধের পর বীরে মাঊনাহবাসীকে ইসলাম উনার দাওয়াত দেয়ার জন্য সত্তর জন ক্বারী ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রেরণ করলেন। কিন্তু রিল, যাকওয়ান ও আসিয়্যা গোত্রের লোকেরা উনাদেরকে শহীদ করে। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অত্যধিক কষ্ট পেয়ে দীর্ঘ একমাস যাবৎ বদদোয়া করে বলেন, “আয় আল্লাহ পাক! আপনি রিল, যাকওয়ান এবং আছিয়্যা গোত্রের উপর লা’নত বর্ষণ করুন।” অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আয় আল্লাহ পাক! আপনি মুদ্বার গোত্রকে কঠোর শাস্তি দিন এবং তাদের উপর দুর্ভিক্ষ দিয়ে দিন। যেমনটি দুর্ভিক্ষ হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনার সময়ে হয়েছিলো।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নাম ধরে ধরে মুশরিকদের বদদোয়া দিতেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ্ পাক উনার, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত মুসলমান উনাদের বিরুদ্ধে চক্রান্তকারী, জুলুমকারী, অপবাদ লেপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে বদদোয়া করা খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষ তা ফরয-ওয়াজিব।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মুসলমানদের উপর জুলুম-নির্যাতনের কঠিনক্ষণে আমরা প্রতিদিন পবিত্র মুনাজাত শরীফে ও জুমুয়ার মুবারক খুতবায় কাফির-মুশরিকদের প্রতি বদদোয়া করি এবং এভাবেই বদ দুআ করার নির্দেশনা দেই যে, “আয় আল্লাহ পাক! আপনি কাফির, ইয়াহূদী, নাছারা এবং মুশরিকদেরকে ধ্বংস করুন। আয় আল্লাহ পাক! তাদের চক্রান্তসমূহ নস্যাৎ করে দিন। ইসলাম বিরোধীদের ঐক্য বিনষ্ট করে দিন। তাদের বাসস্থানগুলো গুঁড়িয়ে দিন। মুসলমানদের মানহানীকারীদেরকে আপনি লাঞ্ছিত করুন। হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দ্বীন অর্থাৎ ইসলামকে হেয় প্রতিপন্নকারীদেরকে আপনি অপমানিত করুন।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। বর্তমান সময়ে ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক। তাই, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্তে মুসলমানদের জন্য নেক দুআ এবং ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে শক্ত বদ দুআ করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশে পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে রবীউছ ছানী শরীফ ১৪৪৮ হিজরী, ১২ই খমীস ১৩৯৪ শামসী, ১১ই অক্টোবর ২০২৬ খৃঃ. ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) দিবাগত সন্ধ্যায়। প্রতি আরবী মাসের বিশেষ বিশেষ দিনসমূহ সম্পর্কে জানার জন্য বর্ষপঞ্জিকার ব্যবহার অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৩শে রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বরকতময় নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উক্ত দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার মুবারক গোলামীতে যথাযথ আঞ্জাম দেয়া।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল বুলন্দী শান মুবারকে বেয়াদবী ও মানহানীকারী প্রত্যেকেই কাট্টা মুরতাদের অন্তর্ভুক্ত। এদের প্রত্যেকের জন্য শরয়ী শাস্তি মৃত্যুদন্ড।
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সরকারের জন্য আদিবাসী শব্দের অপব্যবহারে নিরব ভূমিকা পালন করা মোটেই কাম্য নয়। তাই অবিলম্বে সরকারকে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। যে সমস্ত উপজাতিগুলো নিজেদেরকে ‘আদিবাসী’ বলে দাবি করছে এবং যারা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে আদিবাসী বলে সম্বোধন করছে বা সমর্থন করছে, তারা অবশ্যই দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এবং তারা দেশদ্রোহী হিসেবেও সাব্যস্ত হয়েছে। পার্বত্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে কোনভাবেই ‘আদিবাসী’ বলে সম্বোধন করা যাবে না।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘কোনো ব্যক্তি আমার প্রতি মুহব্বতের সাথে পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করলে তা আমি সরাসরি শুনি এবং আমি পাঠকারীদেরকে চিনি।’ সুবহানাল্লাহ!
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ১৯শে রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, আত্বওয়ালু ইয়াদান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ১৮ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং অষ্টম হিজরী শতাব্দির মুজাদ্দিদ, হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক জানা, উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম করা ও অনুসরণ করা।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য হালাল কামাই করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। সুবহানাল্লাহ! গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা হযরত সাইয়্যিদ আবূ ছালেহ মূসা জঙ্গী দোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হালাল রিযিককে গুরুত্ব দেয়া ও হালাল খাদ্য খাওয়ার কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার ঘরে গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতো ওলীআল্লাহ উনাকে পাঠিয়েছেন।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য হালাল কামাই করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। সুবহানাল্লাহ! গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা হযরত সাইয়্যিদ আবূ ছালেহ মূসা জঙ্গী দোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হালাল রিযিককে গুরুত্ব দেয়া ও হালাল খাদ্য খাওয়ার কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার ঘরে গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতো ওলীআল্লাহ উনাকে পাঠিয়েছেন। যার থেকে সকলকেই ইবরত-নছীহত হাছিল করতে হবে। অর্থাৎ সকলকেই হালাল কামাই করতে হবে এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খেতে হবে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৬ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ইবনু খলীফাতিল উমাম আলাইহিস সালাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আক্বীক্বা মুবারক উনার দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমান দাবীদার যারা মুশরিকদের পূজামন্ডপ ও মূর্তি পাহারা দিয়েছে, পরিদর্শন করেছে, গীতা বা মন্ত্র পাঠ করেছে, সেখানে তথাকথিত ইসলামী গজল পরিবেশন করেছে, প্রসাদ খেয়েছে ও পূজায় আর্থিক সাহায্য-সহায়তা করেছে- তারা সবাই কুফরী করার কারণে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে মুরতাদ হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- হারাম-নাজায়েজ, কুফরী, শিরকী বিষয়গুলো হতে বিরত থাকা, শরয়ী পর্দা পালন করা এবং কাফির-মুশরিকদের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকা। মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ‘যে ব্যক্তি পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দায় রাখে না, সে দাইয়্যূছ।’ নাউযুবিল্লাহ! ছবি, টিভি চ্যানেল, সিনেমা, নাটক, ফ্যাশন শো, সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা, সেলফি, গান-বাজনা, খেলাধুলা এগুলো মুসলমানদেরকে ‘দাইয়্যূছ’ বানানোর অর্থাৎ বেপর্দা-বেহায়া করার বিধর্মীয় বা বিজাতীয় সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র। নাউযুবিল্লাহ!
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












