SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মিশনারীদের%' OR titleBn LIKE '%মিশনারীদের%' OR descriptionEn LIKE '%মিশনারীদের%' OR descriptionBn LIKE '%মিশনারীদের%' OR slug LIKE '%মিশনারীদের%' OR metaTag LIKE '%মিশনারীদের%' OR metaDescription LIKE '%মিশনারীদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র পূর্ব তিমুর।
পূর্ব তিমুরে ইসলামের আগমন হয়েছিল আরব বণিকদের মাধ্যমে। খ্রিস্টীয় ১৩ থেকে ১৫ শতকে মুসলিম আরব ব্যবসায়ীরা ভারত সাগর পাড়ি দিয়ে জাভা হয়ে এই অঞ্চলে আগমন করেছিলেন।
ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সুফি আলেম ও প্রতিবেশী মুসলমানরাও এখানে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
পূর্ব তিমুর ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী খ্রিস্টশক্তির ষড়যন্ত্র ও মুনাফিকির নিকটতম উদাহরণ। মিশনারীরা সেখানের স্থানীয় মুসলমান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করে এবং পরবর্তীতে পশ্চিমা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সমাবেশে ১২ দাবি জানিয়েছে হেফাজত। ১২ দাবি হলো:
১. নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন ও তাদের কোরআনবিরোধী প্রতিবেদন অবিলম্বে বাতিল করে আলেম-ওলামার পরামর্শে ধর্মপ্রাণ বৃহত্তর নারীসমাজের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন কমিশন গঠন করতে হবে। নারীদের সামাজিক উন্নয়নে পশ্চিমা মূল্যবোধ নয়, বরং আমাদের নিজস্ব সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আলোকেই বাস্তবমুখী সংস্কারের দিকে যেতে হবে।
২. সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন ক বাকি অংশ পড়ুন...
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সম্মুখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিষ্ঠিত প্লাটফর্ম স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসী কর্তৃক পূর্বপরিকল্পিত অতর্কিত হামলার প্রতিবাদ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, জেলবন্দীদের মুক্তি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ‘আদিবাসী’ সম্বোধন করাকে রাষ্ট্রদ্রোহী ঘোষণা এবং আদিবাসী দাবীতে সরব বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক-দোসরদের গ্রেপ্তাদের দাবীতে ৩ দফা দাবীসহ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা’।
গতকাল ইয়াও বাকি অংশ পড়ুন...
প্রাণপ্রিয় নবীজীর অবমামননাকারীদের ফাঁসি; শরীযতসম্মত পাঠ্যসূচী ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন; সন্ত্রাসী ইসকন নেতা এবং তাদের সহযোগীদের ‘ফাঁসি’; নেপালে সরকারীভাবে বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিল; আমদানী শুল্ক বৃদ্ধি ও ভ্যাট হ্রাসকরণ; দ্রব্যমূল্য-চিকিৎসামূল্য হ্রাসকরণ এবং শিল্প কারখানায় গ্যাসের দাম দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত বাতিল; পাঠ্যপুস্তক থেকে আদিবাসী শব্দ প্রত্যাহার এবং উপজাতিনির্ভর পার্বত্য অঞ্চলকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক চক্রান্ত প্রতিহতকরণ এবং রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের দাবীতে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা গতকা বাকি অংশ পড়ুন...
উত্তর-মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদে ইসলামের আগমন হয়েছিল হিজরী প্রথম শতকেই। সুদীর্ঘ সময়ে দেশটি বহু উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেলেও কখনো ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি। পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহৎ লেক ‘চাদ’-এর নামানুসারে দেশটির নামকরণ হয়েছে। চাদ আফ্রিকা মহাদেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।
যার চারদিকে রয়েছে লিবিয়া, নাইজার, নাইজেরিয়া, ক্যামেরুন, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকান ও সুদান। ১৯৬০ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। জাতিসংঘ, ওআইসি ও রাবেতা আলম আল ইসলামীসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য চাদ।
১৯৩৬ সালের বাকি অংশ পড়ুন...
মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ও দৈনিক আল ইহসান শরীফে প্রায় দুই যুগ আগ থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রিষ্টান মিশনারীদের অপতৎপরতা এবং আলাদা খ্রিষ্টান রাজ্য বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্কতামূলক বিশেষ লেখা অনেকবার পত্রস্থ হয়েছে। আজ সে একই কথা খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখে উচ্চারিত হয়েছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় যখন ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার ভেঙে পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিস্টান দেশ তৈরির চেষ্টা চলছে’ উচ্চারিত হয় তখন তা কত ভয়াবহ; দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এবং মুসলমানের জন্য কত বিপর্যয়ের বিষয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এটিকে প বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাতে ৩৬ জন সুলত্বানের মধ্যে সবচেয়ে পরহেযগার, তাক্বওয়াবান ও মজবুত ঈমানের অধিকারী ছিলেন সুলত্বান দ্বিতীয় মুরাদ। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি উসমানীয় সুলতান হন।
সুলত্বান মুরাদ যখন ক্ষমতায় আসেন তখন উসমানীয় রাজধানীখ্যাত ইস্তাম্বুলে মুসলমানদের পাশাপাশি ইহুদী, খৃস্টানরাও জিযিয়া করের বিনিময়ে বসবাস করতো। সে সময় উসমানীয় ভূখন্ডে খৃস্টান মিশনারীগুলোর অপতৎপরতা ক্রমাগত বেড়েই চলেছিলো। সুলত্বান মুরাদ উনার সুদক্ষ গোয়েন্দা-বাহিনীর মাধ্যমে মিশনারীদের সকল অপতৎপরতার খবর পাচ্ছিলেন। তাই তিনি মিশনারীদের শায়েস্তা করতে উসমানীয় অ বাকি অংশ পড়ুন...
মুঘল শাসক আকবরের সময় ভারতে খ্রিষ্টান পাদ্রীদের মিশনারি কাজের অনুমতি ছিল। মুঘল শাসক শাহজাহান এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। তখন পাদ্রী ডিউম ম্যাথিউস এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য শাহ জাহানের দরবারে মুসলিমদের সাথে বিতর্কের প্রস্তাব দেয়। শর্ত ছিল বিতর্কে খৃষ্টানরা জিতে গেলে তাদেরকে খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের অনুমতি দিতে হবে। রাজী হলেন বাদশাহ শাহজাহান।
বিতর্ক শুরু হলো শাহ জাহানের দরবারে। বিতর্কের সময় পাদ্রী উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্বোধন করে বলে, জনৈক ব্যক্তি কোনো ঘন জঙ্গলে পথ হারিয়ে ফেলে। একটু পর সে তার সম্মুখে দুজন মানুষকে দ বাকি অংশ পড়ুন...












