SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মাসয়ালা%' OR titleBn LIKE '%মাসয়ালা%' OR descriptionEn LIKE '%মাসয়ালা%' OR descriptionBn LIKE '%মাসয়ালা%' OR slug LIKE '%মাসয়ালা%' OR metaTag LIKE '%মাসয়ালা%' OR metaDescription LIKE '%মাসয়ালা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার নিয়ম
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার ক্ষেত্রে কয়েকটি ছূরত রয়েছে।
(১) ইমামের সাথে সাথে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি প্রতিটি রোকন আদায় করবে।
(২) ইমাম সাহেবের সাথে মুক্তাদী রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন আদায় করবে তবে সাথে সাথে শামিল না হয়ে কিছুক্ষণ দেরী করে শামিল হয়ে আদায় করবে। আর অবশ্যই মুক্তাদী প্রত্যেক রোকনেই ইমাম সাহেবের সাথে শামিল থাকবে।
(৩) মুক্তাদী-ইমাম সাহেবের আগে আগে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন সমূহ আদায় করার জন্য রুকূ, সিজদাতে যাবে, তবে শর্ত হচ্ছে ইমাম সাহেব যখন রুকূ, সিজদা করতে যাবে তখন মুক্তাà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিà বাকি অংশ পড়ুন...
বিজয় এবং আত্মগৌরব লুকিয়ে আছে স্পেনের ইতিহাসে। দেশটিতে ইসলামি স্থাপনার নিদর্শন রয়েছে। এর অন্যতম কুরতুবা মসজিদ যা কর্ডোবা মসজিদ বা কর্ডোবা ক্যাথিড্রাল মসজিদ নামেও পরিচিত। স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি ‘দ্যা গ্রেট মেজিকিতা অব কর্ডোভা’ নামে অধিক পরিচিত। মসজিদকে স্প্যানিশ ভাষায় বলা হয় মেজিকিতা।
খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় হওয়ায় ১৯৮৪ সাল থেকে তারা মসজিদটিতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক প্রত্মতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে নাউযুবিল্লাহ!
ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের মতে, বিস্ময়কর à বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য:
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য হল ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করে পরিপূর্ণরূপে পবিত্রতা হাছিল করা। যা বের হয়ে কাপড়ে ও শরীরে লাগার কোনই আশঙ্কা নেই।
যেমন “মাওসূআতে আহকামুত্ ত্বাহারাত” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وَالْاِسْتِبْرَاءُ اِسْتِنْقَاءُ الذِّكْرِ عَنِ الْبَوْلِ
অর্থাৎ ইসতিবরা শব্দের আভিধানিকঅর্থ হলো ছোট ইস্্তিন্জা করার পর (প্রস্রাব করার পর) ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) কোশেশ করে বের করে à বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায ভঙ্গের কারণসমূহ
১. নামাযের মধ্যে স্বেচ্ছায় বা ভুলবশতঃ কিংবা নিদ্রাবস্থায় কোনো কথা বললে।
২. ইচ্ছাপূর্বক সালাম দিলে (ভুলে নয়)।
৩. স্বেচ্ছায় বা ভুলে সালামের জবাব দিলে।
৪. বিনা ওজরে গলা খাকারি দিলে। তবে আওয়াজকে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অথবা ইমামের ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে বা সে নিজে নামাযের মধ্যে আছে, তা অবগত করানোর উদ্দেশ্যে গলা খাকরালে নামায ফাসিদ হবে না।
৫. নামাযের মধ্যে যেকোনো কারণে (পীড়িত ব্যক্তির অসহ্যের কারণ ব্যতীত) আহ! উহ! ইস! ইত্যাদি বললে অথবা উচ্চস্বরে কাঁদলে নামায ভঙ্গ হবে। অবশ্য জান্নাত, জাহান্নামের কথা মনে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইমাম নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উক্ত হাদীছ শরীফখানা :- لَايَسْتَتِرُ لَايَسْتَنْزِهُ ও لَايَسْتَبْرِئُ তিনটি মুবারক লফযে বা মুবারক শব্দে বর্ণিত হয়েছে। এরপর তিনি বলেন,
وهذه الثالثة في البخاري وغيره، وكلها صحيحة.
لَايَسْتَبْرِئُ
ইসতিবরা করতো না অর্থাৎ স্বাভাবিক ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের হওয়ার পর অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করার কেশেশ করতো না। এ তৃতীয় মুবারক শব্দটি পবিত্র বুখারী শরীফে ও অন্যান্য পবিত্র হাদীছ শরীফের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। আর প্রত্যেকটি বর্ণনাই ছহীহ্্। (আইনী ১ম খ- ৮৩ পৃষ্ঠা)
আরো বাকি অংশ পড়ুন...
যে সমস্ত স্থানে মেয়েদের নামায আদায়ের নিয়ম
পুরুষের নামায আদায়ের নিয়মের ব্যতিক্রম
১. তাকবীরে তাহরীমা বাঁধার সময় পুরুষদেরকে কান পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে। আর মেয়েদেরকে কাঁধ বরাবর হাত উঠাতে হবে।
২. পুরুষদেরকে কান পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে। আর মেয়েদেরকে হাত বের না করে কাপড়ের ভিতরে রেখেই কাঁধ পর্যন্ত উঠাতে হবে।
৩. পুরুষদেরকে হাত বাঁধার সময় ডান হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠা অঙ্গুলি দ্বারা বাম হাতের কব্জি পেঁচিয়ে ধরতে হবে এবং অনামিকা, মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলি বাম হাতের কব্জির উপর বিছিয়ে রাখতে হবে। আর মেয়েদেরকে শুধু ডান হাতের হাতলি বাম হাতের উপর বাকি অংশ পড়ুন...
(৪র্থ পর্ব)
৪
কাজেই যিনি খালিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার স্বরণটা সবসময় দায়েমী হইলো। তাইলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্বরণটা গেলো কোথায়? উনাকে তো স্বরণ করতে হবে। উনার স্বরণ মুবারক হচ্ছে এই সুন্নত মুবারক ইত্তেবা করার মাধ্যম দিয়ে সুবহানাল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
একদম মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত দায়েমীভাবে ২৪ ঘন্টা। এটা করতে হবে। এটা তো হায়াতের পূর্বে করে, হায়াতের পরেও করে মানুষ। একটা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তার মধ্যে সমস্ত সুন্নত মুবারক জারি করা বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইসতিন্জার কারণে ক্ববরের আযাব:
বিশেষ করে ছোট ইসতিন্জা (প্রস্রাব) থেকে পবিত্রতার বিষয়ে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যেমন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِسْتَنْزِهُوْا عَنِ الْبَوْلِ فَإِنَّ عَامَّةَ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنْهُ.
অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরাহ্্ রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের মাকরূহসমূহ
যেসব কাজ করলে গুনাহ হয়, ছওয়াব (নেকী) কমে যায়, অবশ্য নামায নষ্ট হয় না, তাকে মাকরূহ বলা হয়। এইসব কাজ পরিহার করার চেষ্টা করা উচিত।
১. নামাযের মধ্যে শরীর বা পরিধানের কাপড় নিয়ে খেলা করা।
২. সিজদায় যাওয়াকালে সম্মুখের বা পিছনের দিক হতে কাপড় গুটিয়ে নেয়া।
৩. সদলে ছাওব করলে অর্থাৎ কাপড় বা রুমালকে মাথা বা কাঁধে রেখে পেঁচানো ব্যতীত তার দু’মাথা দু’দিকে ঝুলিয়ে দিলে।
৪. আস্তিন উপরে উঠিয়ে নামায পড়া।
৫. ইস্তিঞ্জা ও বায়ুর বেগ থাকা সত্ত্বে¡ও নামায পড়া।
৬. কঙ্কর সরিয়ে দেয়া। কিন্তু সুন্নত অনুসারে সিজদা আদায় না হলে, একবার তা ঠবাকি অংশ পড়ুন...












