SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মহাদেশে%' OR titleBn LIKE '%মহাদেশে%' OR descriptionEn LIKE '%মহাদেশে%' OR descriptionBn LIKE '%মহাদেশে%' OR slug LIKE '%মহাদেশে%' OR metaTag LIKE '%মহাদেশে%' OR metaDescription LIKE '%মহাদেশে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মোঘল সালতানাতের ১৮তম শাসক হলেন আবুল মুজাফফার সিরাজুদ্দীন মুহম্মদ বাহাদুর শাহ গাজী। উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি সমধিক পরিচিত বাহাদুর শাহ জাফর নামে। তিনি ছিলেন মোঘল সালতানাতের শেষ শাসক, যিনি স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতার।
তিনি দিল্লীর লাল কেল্লায় ১৭৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যখন শাসক হিসেবে ক্ষমতায় আসেন তখন ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের আগ্রাসন চরম মাত্রা ধারণ করেছিলো। ফলে একসময় প্রবল প্রতাপশীল মোঘলদের প্রভাব লাল কেল্লার মধ্যেই আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলো। মোঘলরা পেনশনভোগী হয়ে পড়েছিলো ব্রিটিশদের কাছে। ইংরেজরা ধীরে ধীরে তাদের কর্তৃত্ব ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আজকের লালমনিরহাট বাংলাদেশের একটি সীমান্ত জেলা। কিন্তু একসময় শহরটি ছিলো উত্তর-পূর্ব ভারতীয় রেল যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। লালমনিরহাট জংশনকে কেন্দ্র করে রেলপথ ছড়িয়ে পড়েছিলো রংপুর, পার্বতীপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও আসামের দিকে। দেশভাগের আগে যে রেলপথে মানুষ ও পণ্য সীমান্তের কোনো কাঁটাতার না মেনেই চলাচল করতো৷ ১৯৪৭-র পর সেই একই রেলপথের বুকেই আঁকা হলো আন্তর্জাতিক সীমারেখা। লালমনিরহাটের রেল-ইতিহাস তাই কেবল রেলওয়ের ইতিহাস নয়। এটি উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, বাণিজ্য, নগরায়ণ, ঔপনিবেশিক শাসন এবং শেষ পর্যন্ত দেশভাগে বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকার ছোট্ট দেশ সোমালিয়া। কিছুটা প্রাকৃতিক হলেও দেশটিতে দুর্ভিক্ষের অধিকাংশই মানবসৃষ্ট। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই জাতি ও অঞ্চলগত দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে দেশটি।
সোমালিয়া ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে দেশটি এখনো স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে পারেনি। দাঙ্গা-হাঙ্গামা স্থানীয় জনগণের স্বাভাবিক আচরণে পরিণত হয়েছে। এমনকিছু অঞ্চল রয়েছে যেখানে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এখন পর্যন্ত। সামান্য কলেরায় হাজারো শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। জীবন মান উন্নয়ন ও শিক্ষার কোনো উদ্যোগ কাজে লাগতে পারেনি দেশটির সরকার। সে দেশের সেনà বাকি অংশ পড়ুন...
শিয়ালের গোশত খেলে বাতের ব্যথা সারে, তক্ষক খেলে হাঁপানি থেকে যৌনক্ষমতা নানা রোগের চিকিৎসা হয়, আবার জোঁকের তেল নাকি সারিয়ে দেয় বাত-ব্যথা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে এমন ভ্রান্ত বিশ্বাস। তবে এসব দাবির পেছনে ইসলামী ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটা?
ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে- শিয়ালের গোশত এবং তক্ষক খাওয়া হারাম (নিষিদ্ধ)।
শিয়াল দাঁত ও নখর দিয়ে শিকার করা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। হাদীছ শরীফে তীক্ষè দাঁত ও নখরবিশিষ্ট সব হিংস্র ও শিকারী প্রাণীর গোশত খেতে স্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
কোনো রোগমুক্তি বা লোকম বাকি অংশ পড়ুন...
৬৮৩ হিজরী সনের ঘটনা। দিল্লী নগরী তখন আওলিয়া কিরামগণের আবাসভূমি, ভারতীয় সুলতানগণের রাজসভা, কবিদের মঞ্চ এবং উলামাদের বিদ্যাপীঠে।
এ সময় দিল্লির রাজসভাকে অলঙ্কৃত করেছিলেন মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত আমীর খসরু দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি। হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনাকে উপমহাদেশের দ্বিতীয় তবকার আওলিয়াগণের মধ্যে পরিগণিত করেছেন। তিনি উপমহাদেশের সুবিখ্যাত ওলী হযরত নিযামুদ্দীন আওলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদান বর্গের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
হযরত আমীর খসরু দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি সুলতান ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো জানিয়েছে, এ বিষয়ে আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবে না রোম।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
আলজাজিরা জানায়, গুইদো বলেছে, ‘নৌপথটি সুরক্ষার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে। এই নৌপথ দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে তার অর্থনৈতিক পরিণতি হবে ভয়াবহ।’ তার মতে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতান্ত্রি বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্যের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করবে ইতালি। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেতো এই ঘোষণা দিয়ে জানান, এই ইস্যুতে সিদ্ধান্তের জন্য ইতালি আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অপেক্ষায় থাকবে না। খবর আল জাজিরার।
ক্রোসেতো সতর্ক করে বলেন, ‘নৌপথটি সুরক্ষার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে। এই জলপথ দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে তার অর্থনৈতিক পরিণতি হবে ভয়াবহ।’ তার মতে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতান্ত্রিক বিলম্বের কারণে বর্তমান জটিল পরিস্থিতির যেন আরও অবনতি না ঘটে, তা নিশ্চঠবাকি অংশ পড়ুন...
আফগান সাধারণ মুসলিম সমাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞতার কারণে হোক বা ইচ্ছাকৃত বিভেদ সৃষ্টির লক্ষে হোক তাদেরকে ‘কট্টরপন্থী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ আফগান সমাজ তাদের মতে ভিন্ন মতাদর্শীদের প্রতি অসহনশীল একটি সমাজ। কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি?
সর্বপ্রথম আমাদের জেনে রাখতে হবে যে, মাওলানা রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিচরণস্থল আফগানিস্তান। দেশটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অনুসারী; বিশুদ্ধ তাওহীদের দেশ যা শরীয়ত ও তরীকতের সকল দিক বাস্তবায়িত করছে।
দেশটির অধিবাসীদের প্রায় ৯০ শতাংশ বা তার বেশি মাযহাবগত হানাফী, আক্বীদাগত বাকি অংশ পড়ুন...
প্রধানমন্ত্রী শব্দের আগে ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত নিজের দপ্তর থেকেই গত ১০ই সেপ্টেম্বর বাস্তবায়ন শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।
প্রসঙ্গত সারাদেশে সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে যে, যেখাà বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। দেশের সব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সংকট মোকাবিলà বাকি অংশ পড়ুন...
বিজয় এবং আত্মগৌরব লুকিয়ে আছে স্পেনের ইতিহাসে। দেশটিতে ইসলামি স্থাপনার নিদর্শন রয়েছে। এর অন্যতম কুরতুবা মসজিদ যা কর্ডোবা মসজিদ বা কর্ডোবা ক্যাথিড্রাল মসজিদ নামেও পরিচিত। স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি ‘দ্যা গ্রেট মেজিকিতা অব কর্ডোভা’ নামে অধিক পরিচিত। মসজিদকে স্প্যানিশ ভাষায় বলা হয় মেজিকিতা।
খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় হওয়ায় ১৯৮৪ সাল থেকে তারা মসজিদটিতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক প্রত্মতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে নাউযুবিল্লাহ!
ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের মতে, বিস্ময়কর à বাকি অংশ পড়ুন...
দেড়শ বছর আগের ইতিহাসও সাক্ষ্য দেয় যে, গ্রিক কিংবা রোমানদের থেকে এই ভূখ-ের বিচার ব্যবস্থা রূপ লাভ করেনি
ইতিহাস অনুযায়ী, এ অঞ্চলে সভ্য জাতি ছিলো মুসলমানগণ। যে কারণে ব্রিটিশরা পলাশীর যুদ্ধে ক্ষমতা দখলের পরও এ অঞ্চলে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা ও বিচার ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিলো। ব্রিটিশদের আমলেও এ অঞ্চলের বিচারব্যবস্থার ভিত্তি ছিলো শরীয়াহ আইন। এ প্রসঙ্গে গবেষক ড. ওয়াকিল আহমদ তার ‘বাংলার মুসলিম বুদ্ধিজীবী’ বইয়ের ১০৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন-
“হযরত আওরঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহি যে শরীয়তী আইন প্রবর্তন করেন যার ফল “ফতোয়া ই আলমগীরী” নামক বà বাকি অংশ পড়ুন...












