SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মদীনা%' OR titleBn LIKE '%মদীনা%' OR descriptionEn LIKE '%মদীনা%' OR descriptionBn LIKE '%মদীনা%' OR slug LIKE '%মদীনা%' OR metaTag LIKE '%মদীনা%' OR metaDescription LIKE '%মদীনা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কৃত্রিম চুল ব্যবহার ও উল্কি করা, ভ্রু উপড়িয়ে ফেলা, রেত দ্বারা ঘষে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি হারাম :
عن حَضْرَتْ حُميد ابنِ عبدِ الرحمن رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ أنه سَمعَ حَضْرَتْ معاويةَ بنَ أبي سفيانَ رضي اللهُ تَعَالٰى عَنهُما عام حجَّ وهو على المِنبرِ وتناول قُصَّةً مِنْ شَعرٍ كانت في يَدِ حَرَسِنيّ يقولُ يا أهْلَ المدينةِ اْين عُلمَاؤُكم؟ سمعتُ رسولَ الله صلَّى الله عليه وسلم ينهى عن مِثل هذه ويقول إنما هَلَكَتْ بَنو إسرائيلَ حين اتَّخَذَ هذه نِساؤُهُمْ.
অর্থ: হযরত হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, হযরত মুয়াবিয়া ইবনে আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা তিনি উনার খিলাফতকালীন সময়ে হজ্জের বৎস বাকি অংশ পড়ুন...
يَوْمَ الْأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ
একটা হচ্ছে কুরবানীর দিন আরেকটা হচ্ছে ফিতরের দিন বা ইফতারির দিন। সেখানে কিন্তু ঈদ বলা হয়নি। এই দু’দিন তোমাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো। এখন এই দু’দিন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কে নির্দিষ্ট করে দিলেন? আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এখন এটা হিজরতের পরে রোযার ঈদ এবং কুরবানীর ঈদ সাব্যস্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট হয়েছে। এবং এ হাদীছ শরীফের দ্বারাই মূল বিষয়টা সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু এর পক্ষে কুরআন শরীফের আয়াত শরীফও দলীল দেয়া হয়ে থাকে, ইমাম-মুজতাহিদ যারা অতীত হয়েছেন, উনারাও দলী বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ আমির আল ফাসিক্ব ছিলো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার ‘আউস’ গোত্রের সাবেক নেতা এবং খাযরাজ গোত্রেও তার প্রভাব ছিলো। এক বর্ণনা মতে, সে ছিলো মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলুলের মামা। সে হুনাইনের জিহাদ মুবারক শেষে সব দিক থেকে ব্যর্থ ও নিরাশ হয়ে ৮ম হিজরী শরীফ উনার শেষ দিকে শাম (সিরিয়া) অভিমুখে পাড়ি জমায়। সেখানে গিয়ে সে ‘নাছারা’ হয়ে যায় এবং রোমের শাসককে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ আক্রমণের জন্য প্ররোচনা দিতে থাকে। এই উদ্দেশ্যে সে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থানরত মুনাফিক্বদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগায বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থানরত ছিলাম, কিন্তু যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় করলেন, তখন আমি চুপিচুপি তায়েফ চলে গেলাম এবং সেখানেই অবস্থান করতে লাগলাম। যখন তায়েফের প্রতিনিধিদল সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গেলেন, তখন আমি হতবুদ্ধি ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লাম। একবার ভাবলাম সিরিয়া, ইয়ামান কিংবা অন্য কোন দেশে চলে যাবো। মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত সা‘দ ইবনে মু‘আয রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার দৃঢ়তাপূর্ণ জবাব মুবারক:
এরপর হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরামর্শ পেশ করার সময় হযরত সা‘দ ইবনে মু‘আয রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি হয়তো ভাবছেন যে, হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা যে চুক্তি করেছেন, তা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। না; মহান আল্লাহ উনার ক বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বহু সংখ্যক বর্ণনার মধ্যে রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমবুছি করেছেন। আর তিনি উনাদের কদমবুছী গ্রহন করেছেন। অনুরূপভাবে একজন ছাহাবী আরেকজন ছাহাবী র বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক-এ বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
এই জিহাদ মুবারকে সম্মানিত মুসলমান সৈন্য সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন এবং কাফিরদের সৈন্য সংখ্যা ছিলো ১০০০ জন। সম্মানিত মুসলমান উনাদের নিকট ছিলো ৩টি ঘোড়া, ৭০টি উট, ৬টি বর্ম এবং ৮টি তরবারি। আর মুশরিকদের সঙ্গে ছিলো ৩০০ ঘোড়া ও যুদ্ধ সম্ভারে বোঝাই সাতশত বা তার চাইতেও অধিক সংখ্যক উট। তাদের অশ্বারোহী প্রত্যেকটি সৈনিক ছিলো বর্মাচ্ছাদিত; এমনকি পদাতিক সৈন্যগণও বর্মধারী ছিলো। তাদের সঙ্গে আরো ছিলো বাদ্যযন্ত্রসহ জিহাদে উন্মাদনা সৃষ্টিকারী একদল গায়িকা বাকি অংশ পড়ুন...
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
হযরত বায়হাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘হায়াতুল আম্বিয়া’ কিতাবে উল্লেখ করেছেন-
عَنْ حضرت سُلَيْمَانَ بْنِ سُحَيْمٍ رحمة الله عليه قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّوْمِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَأْتُونَكَ فَيُسَلِّمُونَ عَلَيْكَ أَتَفْقَهُ سَلَامَهُمْ؟ قَالَ نَعَمْ وَأَرُدُّ عَلَيْهِمْ
অর্থ: হযরত সুলাইমান ইবনে সুহাইম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া র বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণিত রয়েছেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যাওযাতুম মুকাররমাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু ইমামিস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেসহ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হজ্জ মুবারক আদায় করার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখেন। অতঃপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ আসার সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আবওয়া শরীফ নামক স্থানে বাকি অংশ পড়ুন...












