সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, বড় অঙ্কের জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে পাশের একটি দেশ।
দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের নীলনকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে সীমান্তবর্তী তথা ষড়যন্ত্রকারী দেশটি এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের বাজারে সুপর বাকি অংশ পড়ুন...
ভিটামিন-সি রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। এটি একটি অমøধর্মী জৈব যৌগ ও সাদা দানাদার পদার্থ। যা শাকসবজি ও টক ফলমূলে বেশি পাওয়া যায়। মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য এটি একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর গুরুত্ব অপরিসীম। পাশাপাশি হাড় ও দাঁতের জন্যও ভিটামিন সি অনেক উপকারী। এটি ত্বকের টিস্যুর গঠনেও সরাসরি অংশ নেয়। যেকোনো ক্ষত খুব তাড়াতাড়ি সাড়িয়ে তুলতেও এই ভিটামিনের বিকল্প নেই। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবে ক্ষতিকর ফ্রি-র্যাডিক্যাল থেকেও রক্ষা করে এটি। ভিটামিন-সি দাঁত ও বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের প্রভাব ইতোমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানির বাজারে। ইতোমধ্যে জ্বালানি গ্যাসের দাম গত ৬ দিনে বেড়েছে ৭ শতাংশ, অদূর ভবিষ্যতে আরও বাড়বে- এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
তবে সন্ত্রাসী ড্রাম্প বলেছে, এই মুহূর্তে সে জ্বালানি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একেবারেই চিন্তা করছে না। তার সব মনোযোগের কেন্দ্র এখন ইরান যুদ্ধ।
গত বৃহস্পতিবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্বালানি গ্যাসের দামবৃদ্ধি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে সন্ত্রাসী ড্রাম্প বল বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ সরকারের ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর তথা ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে সরকারের নেয়া ঋণ স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর পর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসে ঋণের এ স্থিতি ১৯ লাখ ২২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সে হিসাবে এ পাঁচ বছরে সরকারের ঋণ বাড়ে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ স্বাধীনতা-পরবর্তী ৪৭ বছরে সরকার যে পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, মাত্র পাঁচ বছরে তার চেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে পতিত শেখ হাসিনা সরকার। সরকারি এ ঋণের মধ্যে ৯ লাখ ৪০ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা নেয়া হয়েছে দেশের অভ বাকি অংশ পড়ুন...
শিল্প, কৃষি, জ্বালানি থেকে শুরু করে দেশের সব খাতকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্বার্থের অধীন করে ফেলা হয়েছে;
বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রকল্পে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের হাত-পা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
ফলে এককথায় এটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনকারী একটি চুক্তি।
চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার আগে আসন্ন সংসদ অধিবেশনের মাধ্যমে এর পুরোই সংশোধন করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পাদিত ‘বাণিজ্য চুক্তি’ প বাকি অংশ পড়ুন...
(পর্ব-২)
দেহে ক্ষতিকারক চর্বি হ্রাস ও উপকারী চর্বি সংশ্লেষ বৃদ্ধিঃ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, রমাদ্বান শরীফ মাসে আমাদের রক্তের ক্ষতিকারক চর্বির উপাদান যথাঃ লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (খউখ) এবং ভেরি লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের পরিমান হ্রাস পায়। অন্যদিকে আমাদের শরীরের সুরক্ষায় কাজ করে এমন চর্বির উপাদান যথাঃ হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (ঐউখ) এর পরিমাণ বেড়ে যায়। উপরন্তু রোযা থাকার ফলে দেহের নানাবিধ রোগের কারণ ট্রাইগ্লিসারাইড, প্রদাহ ও জারণ প্রক্রিয়ার হরমোনগুলোও কমে; যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।
রক্তের বিভিন্ন কণিকা ও উপাদানে বাকি অংশ পড়ুন...
গত এক যুগে দেশে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি যেমন বেড়েছে, সঙ্গে দ্রুতগতিতে বৈষম্যও বেড়েছে। বৈষম্যের নির্দেশক গিনি সহগ সূচক এখন দশমিক ৪৯৯ পয়েন্ট। দশমিক ৫০০ পয়েন্ট পেরোলেই উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ উচ্চ বৈষম্যের দেশ থেকে অতি সামান্য দূরত্বে আছে বাংলাদেশ।
সাধারণত গিনি (কেউ কেউ জিনি বলেন) সহগ দিয়ে একটি দেশে আয়বৈষম্য কেমন, তা বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এটি বৈষম্য মাপার একটি পদ্ধতি। ১৯১২ সালে ইতালির সংখ্যাতত্ত্ববিদ কোরাদো গিনি বা জিনি এর উদ্ভাবক। সবার আয় সমান হলে গিনি সূচক হবে শূন্য। এর অর্থ হলো চরম সাম্য অবস্থা বিরাজ করছে। আর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশের চা উৎপাদন ২০২৫ সালে আগের বছরের তুলনায় ২.০১ শতাংশ বেড়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ড (বিটিবি)। তবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং রপ্তানিতে মন্দার কারণে শিল্পটি চাপের মধ্যে রয়েছে।
দেশে ২০২৫ সালে ৯৪.৯১ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়, যা আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের উৎপাদনের পরিমাণের চেয়ে ১.৮৭ মিলিয়ন কেজি বেশি।
২০২৫ সালে চা রপ্তানি কমে ১.৬৪ মিলিয়ন কেজিতে দাঁড়িয়েছে, ২০২৪ সালে যা ছিল ২.৪৫ মিলিয়ন কেজি।
বিটিবি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় বাংলাদেশি চা বিদেশে প্রতিযোগিতা করতে পারছে না, বিশেষ ক বাকি অংশ পড়ুন...
আগে থানকুনি পাতার খুব কদর ছিলো। শরীর সুস্থ রাখতে এই পাতার জুড়ি নেই। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে এর উপকার বলে শেষ করা যাবে না। দেখে নিন থানকুনি পাতার উপকারিতা-
১. ঠান্ডা কাশি কমাতে: থানকুনি পাতার রস খুবই উপকার। তবে মধুর সঙ্গে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে কাশি এবং শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য অসুখ সারাতে সাহায্য করে। তুলসি ও গোল মরিচ দিয়ে থানকুনি পাতা খেলে তা ঠান্ডা এবং জ্বরও নিরাময় করে। গলা ব্যথা এবং কাশি নিরাময়ের জন্য, থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে পান করুন।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রোজার মাস শুরু হয়েছে। এই সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দামও। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান থেকেও স্বস্তির খবর পাওয়া যাচ্ছে না। জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৫৮ শতাংশে, যা মূল্যস্ফীতি কমার সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করেছে।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, খাদ্য মূল্যস্ফীতি গত ডিসেম্বরের ৭.৭১ শতাংশ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতি সরকারকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। সরকারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ওপর জনআস্থা ওঠানামা করে মূলত খাদ্যপণ বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাধার মুখে পড়ে ইউরোপের বাজার দখলে নিতে মূল্য ছাড় দিচ্ছে চীন। এর ফলে প্রধান বাজারে প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। তাতে কমছে প্রবৃদ্ধি, বাড়ছে ঝুঁকি।
উদ্যোক্তা নেতারা বলছেন, এ অবস্থা তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করছে। প্রস্তুতির অভাব হলে সংকট ঘনীভূত হবে।
বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বলছেন, পোশাকের দাম আর কমানো সম্ভব না। সময়ের সঙ্গে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন ইস্যুসহ বিদ্যুৎ, গ্যাস, পরিবহন, বন্দর সমস্যার মত সমস্যা পোশাক শিল্পের লিড টাইম বাড়াবে, তাতে উৎপ বাকি অংশ পড়ুন...












