সম্পাদকীয়
পৃথিবী চাইলেই বাংলাদেশ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চাইতে পারেনা। তাহলে সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি প্রমাণ হয়না। শিক্ষামন্ত্রী তথা সরকারকে অবিলম্বে অনলাইন শিক্ষা থেকে সরে আসতে হবে।
, ৩০ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৯ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ০৬ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
শিক্ষামন্ত্রী কি তবে প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ প্রচারণায় পরিচালিত হতে চাচ্ছে না?
গত বুধবার ১৫ই এপ্রিল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সিলেট বিভাগের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে, প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছি। কিন্তু কেউই অনলাইন ক্লাসের পক্ষে নয়।
এটাই গোটা বাংলাদেশের চিত্র। এটাই বাংলাদেশের চাওয়া। এটাই বাংলাদেশের গতিপথ।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও প্রচারণা ছিলো, “আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ। ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ।” তাই অনলাইনে শিক্ষা ব্যবস্থা নয় এটাই বাংলাদেশ। এটাই প্রধানমন্ত্রীর পথ প্রতিশ্রুতি পরিক্রমা। কিন্তু সে পথ থেকে বিচ্যুত হতে চাইছে, পথভ্রষ্ট হতে চলেছে শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছে, আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়। আমাদেরও সেই পথে এগোতে হবে।
বলার অপেক্ষা রাখে না, পৃথিবী যা চায় সে পথেই যদি হাটতে হয় তবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই দাবির সত্যতা থাকেনা।
(২)
সরকারি হিসাবে দেশে প্রায় ৬৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৭ হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২ হাজার ৫ শত কলেজ রয়েছে, মোট শিক্ষার্থী প্রায় ৫ কোটি।
এরমধ্যে গত রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় অনলাইন ক্লাস।
দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে স্মার্টফোন, ট্যাব বা স্থিতিশীল ইন্টারনেট নেই। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতীতে প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৩০ জন নিয়মিত অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারেনি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন জরিপেও দেখা যায়, গ্রামাঞ্চলে ডিজিটাল অবকাঠামোর ঘাটতি অনেক বেশি।
গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশেষ করে শিশুদের জন্যে প্রযুক্তি তেমনটা সহজলভ্য নয়
পাশাপাশি বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় এখনও অনেক বেশি।
কেবল এই অযৌক্তিক উচ্চমূল্যই একমাত্র সমস্যা নয়; গোটা দেশের ইন্টারনেট অবকাঠামো এখনও গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে সক্ষম নয়। দেশের অনেক স্থানে এখনও মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক নেই বা দুর্বল। ফোন কলে অস্পষ্ট আওয়াজ বা হঠাৎ লাইন কেটে যাওয়ার মত সমস্যা এখনও রয়ে গেছে।
(৩)
অনলাইন শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মোবাইল আসক্তির একটি গভীর সংকট। অভিভাবকরা পড়াশোনার প্রয়োজনেই সন্তানদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিয়েছেন, কিন্তু বাস্তবে সেটি অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার চেয়ে বিনোদনের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। জরিপে দেখা গেছে, তরুণদের একটি বড় অংশ প্রতিদিন ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা কিংবা তারও বেশি সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাটাচ্ছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এই অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিক্ষার্থীদের মনোযোগ কমিয়ে দিচ্ছে এবং শেখার আগ্রহ নষ্ট করছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণেও উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইন শিক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ কার্যকরভাবে পাঠে মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে না।
(৪)
মোবাইলের শারীরিক ও মানসিক প্রভাবও উদ্বেগজনক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা, যেমন ল্যানসেট ও ইউনেস্কোর প্রতিবেদন, ইঙ্গিত দেয়, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে থাকার কারণে শিশু-কিশোরদের মধ্যে চোখের সমস্যা, ঘুমের ব্যাঘাত, স্থূলতা এবং মানসিক চাপ বাড়ছে। আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপটেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। কেস মেডিক্যাল জরিপ অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ হতাশা এবং ৪৮ শতাংশ উচ্চমাত্রার উদ্বেগে ভুগছে। আবার একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৪৬.৯ শতাংশ শিশু-কিশোর উচ্চমাত্রার গ্যাজেট আসক্তিতে আক্রান্ত হয়েছে। এসব তথ্য ইঙ্গিত করে, অনলাইন শিক্ষা শুধু একাডেমিক নয়, একটি বড় সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত সংকটও তৈরি করেছে। প্রযুক্তির অতি ব্যবহার কেবল শিক্ষার্থী নয়, শিক্ষকদেরও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে। মানুষ দিনের পর দিন ঘরে বন্দি থেকে অভ্যস্ত নয়।
এমনিতে সশরীরে যখন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়, তখনই বাচ্চাদের অনেকে ক্লাসে খুব বেশি মনযোগী হয় না। তার ওপর যখন অনলাইনে ক্লাস হয় আমাদের আগের অভিজ্ঞতা বলছে, শিক্ষার্থীদের একদিকে যেমন মোবাইল ফোনে আসক্তি বাড়ে, অন্যদিকে তারা পড়াশোনা বিমুখও হয়ে পড়ে।
(৫)
সর্বস্তরের শিক্ষার্থী প্রযুক্তির ব্যবহারে সমানভাবে সক্ষম নয়; এক্ষেত্রে বয়স যেমন একটি বিবেচ্য, তেমনি সবাই প্রযুক্তি ব্যবহারে সমানভাবে আগ্রহী বা দক্ষ থাকে না। একই কথা শিক্ষকদের বেলাতেও প্রযোজ্য; সব শিক্ষক কি প্রযুক্তি ব্যবহারে সমানভাবে আগ্রহী বা সমান দক্ষ? নিশ্চয়ই নয়।
অনলাইন পদ্ধতি বা ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে যে বৈষম্য সৃষ্টি হবে, সেই সম্ভাবনা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য সরকারি পরিকাঠামোর অপ্রতুলতা মানুষকে দিশেহারা করে তুলবে।
দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার ঘোষণা বাদ দেয়ায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে’- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বিবৃতিকে আরো সমুন্নত করে ‘শক্ত প্রতিবাদ’ ও ‘প্রতিহতের কথা’ সংযুক্ত করতে হবে।
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ বিশেষ সম্মানিত, ফযীলত এবং রহমত, বরকতযুক্ত তথা ঐতিহাসিক ২৪শে যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
শিশু কিশোরদের মাঝে ডায়াবেটিসের প্রকোপ ভয়াবহ যা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধে জরুরীভাবে নজর দেয়া উচিত।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নির্বাচন, গণতন্ত্র শুধু বাংলাদেশে নয় ভারতেও হারাম। সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদও কাট্টা হারাম। মমতাই কৌশলে তার শিষ্য ও চরম যালিম কুভেন্দুকে বসিয়ে তার মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদ প্রচারের ব্যবস্থা করে দিলো। হারাম থেকে বাচলে মুসলমান মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী হেফাজত পাবে- ‘ইনশাআল্লাহ’।
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বিগত জালেমশাহী সরকারগুলোর মত শুধু লবন প্রদানেই আর চামড়া সংরক্ষণেই নজর দিলে হবে না। চামড়ার দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে লাখ লাখ মাদরাসা, তালিব ইলম-ইয়াতীমদের সারা বছর ভালোভাবে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে ইনশাআল্লাহ
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সংখ্যালঘুদের উৎসব স্থানগুলিতে নিরাপত্তা দেয়া হলেও ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের কুরবানীর পশু ব্যবসায়ীদের জন্য এবং কুরবানীর হাটে যথাযথ নিরাপত্তাও থাকে না কুরবানীর হাটকে কেন্দ্র করে এবং কুরবানীর পশু বিক্রির সময় ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে। হাটের হাসিলের টাকা সরকারী কোষাগার থেকেই ব্যবস্থা করতে হবে।
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘সবার আগে বাংলাদেশ’- শ্লোগানই যথার্থ। সব সমস্যার সমাধান সবার আগে বাংলাদেশেই আছে। জ্বালানী সংকটের উপায় পাওয়া যাচ্ছে কুষ্টিয়ার মনিরুল আবিস্কৃত বিকল্প ও সাশ্রয়ী ডিজেল উদ্ভাবনে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় এর সুফল সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে ইনশাআল্লাহ
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অতীতের মত উচ্চাভিলাসী বাজেট দিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স বাড়ালে জনজীবন আরো বিপর্যস্থ হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাজেটের পরিবর্তে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও জনসেবায় ব্যায় বাড়াতে হবে।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহিমান্বিত ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












