SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বস্তাপ্রতি%' OR titleBn LIKE '%বস্তাপ্রতি%' OR descriptionEn LIKE '%বস্তাপ্রতি%' OR descriptionBn LIKE '%বস্তাপ্রতি%' OR slug LIKE '%বস্তাপ্রতি%' OR metaTag LIKE '%বস্তাপ্রতি%' OR metaDescription LIKE '%বস্তাপ্রতি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কাঁচামালের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং তীব্র গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে চাপে পড়েছে দেশের বেকারি শিল্প। পরিস্থিতি সামাল দিতে আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে পাউরুটি, বিস্কুট, কেকসহ বিভিন্ন বেকারি পণ্যের দাম সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি। সংগঠনটির দাবি, বর্তমান দামে পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে টিকে থাকা বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
বেকারি মালিকদের ভাষ্য, ভোর হওয়ার আগেই যেসব কারখানঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আমন মৌসুমের শুরুতে দেশজুড়ে সারের অস্বাভাবিক ঘাটতি ও চড়া দামের কারণে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সরকারের পক্ষ থেকে গুদামে পর্যাপ্ত মজুত থাকার তথ্য তুলে ধরা হলেও, মাঠপর্যায়ে মিলছে না প্রয়োজনীয় সার। উল্টো খুচরা বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে চাষিদের।
মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, ডিলারদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে কৃষকদের গুদাম ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহের কৃষকেরা অভিযোগ করছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশিতে খুচরা দোকান থেকে স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি আমন মৌসুমে জয়পুরহাট ও মেহেরপুরে সারের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। জয়পুরহাটে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সারের দাম নেওয়া হচ্ছে আকাশচুম্বী। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন অসৎ ব্যবসায়ীরা।
এদিকে মেহেরপুরে দেখা দিয়েছে টিএসপি সারের ব্যাপক সংকট। রসিদ ছাড়াই ইচ্ছেমতো চড়া দামে সার বেচাকেনা করছে স্থানীয় সিন্ডিকেট। এভাবে বাড়তি দামে সার কিনে আবাদের উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।
চাষিরা জানান, ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া সারের সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৩৫০ টাকা। বাকি অংশ পড়ুন...
গত সাত বছরে দেশে সুগন্ধি চালের উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। প্রচলিত সেদ্ধ চালের তুলনায় কৃষকরা বেশি দাম পাওয়ায় তারা এই ধান উৎপাদনে আগ্রহী।
ব্রি'র তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে ৩৩ ধরনের সুগন্ধি ধানের চাষ হচ্ছে।
স্থানীয় জাতগুলো চাষে বিঘাপ্রতি ধান পাওয়া যায় ১৮৭ থেকে ২৯৯ কেজি। উচ্চ ফলনশীল জাতে প্রতি বিঘায় ধান পাওয়া যায় ৪৪৮ থেকে ৮২১ কেজি।
রপ্তানি নীতি আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমোদন নিয়ে সুগন্ধি চাল রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সরকার সুগন্ধি ও অন্যান্য চাল রপ্তানি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কৃষক মাঠে নেমেছিলেন স্বপ্ন নিয়ে। উচ্চ মূল্যে সার, বীজ কিনে ফলিয়েছিলেন আলু। ফলনও হয়েছে ভালো। কিন্তু সেই আলু এখন কৃষকের ঘাড়ে বোঝা। বাজারে দাম নেই; হিমাগারে পড়ে আছে স্বপ্নের ফসল। সেই ফসল তুলতে গেলেই পকেট থেকে গুনতে হচ্ছে আরও টাকা। লাভের আশায় যে আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল, তাই এখন বেদনার কারণ। নতুন আলু বাজারে আসতেই পুরোনো আলুর দাম আরও পড়ে গেছে। কোথাও কোথাও পাঁচ-ছয় টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আলুর দর এতটাই নেমেছে, বিক্রি করেও হিমাগারের ভাড়া মেটানো যাচ্ছে না। উল্টো সংরক্ষিত আলু তুলতে গেলে বস্তাপ্রতি পকেট থেকে গà§ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দেশের সার কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটারে ১৩ টাকা ২৫ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে সার কারখানার গ্যাসের দাম ঘনমিটারে ১৬ থেকে বেড়ে ২৯ টাকা ২৫ পয়সা হয়েছে। এর মাধ্যমে সার কারখাà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরবরাহ নেই অথবা অতিরিক্ত দামে কিনতে হচ্ছে- সার নিয়ে কৃষকদের এমন নানা অভিযোগের মধ্যেই সার কারখানায় গ্যাসের দাম দেড়শ শতাংশ বাড়ানোর গণশুনানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি। ফলে সারের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার এবং কৃষক পর্যায়ে এর দাম আরো বৃদ্ধির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আমনের ভরা মৌসুমে সার পেতে চরম ভোগান্তির অভিযোগ তুলেছেন অনেক কৃষক। বিশেষ করে, ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট বা ডিএপি এবং ইউরিয়া সারের জন্য ডিলার পয়েন্ট ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ঘুরে শূন্য হাতে ফেরার অভিযোগ করেছেন অনেকে।
এমনকি কুড়িগà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশে রেকর্ড উৎপাদন, মজুত এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন- সব মিলিয়ে চালের দাম কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টো। দাম বাড়ছে লাগামছাড়া হারে। চালের বাজার প্রায় পুরোপুরি করপোরেট কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় এটি ঘটছে। বাজার বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, অস্বাভাবিক এ পরিস্থিতি শুধু ভোক্তাকে নয়, শেষ সময়ে এসে সরকারকেও বড় ধরনের সংকটে ফেলতে পারে।
এ অবস্থায় ভোক্তারা এক প্রকার অসহায়। কারণ শুধু বাজার নয়, করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো এখন উৎপাদন ব্যবস্থার ওপরও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। মাঠপর্যায়ের মিলার ও পাঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঈদের পর চালের বাজারে শুরু হওয়া অস্থিরতা কমানো যাচ্ছে না। সম্প্রতি বিভিন্ন অঞ্চলে সৃষ্ট বন্যায় ফের বাড়ছে চালের দাম। গত কয়েক দিনে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৩-৮ টাকা। বোরো ধানের ভরা মৌসুমের আড়াই মাস পার না হতেই চালের বাজারে এমন অস্থিরতার জন্য মিল মালিক ও করপোরেট সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। তবে মিল মালিকদের দাবি চালের দাম বাড়ার জন্য করপোরেট গ্রুপগুলো একমাত্র দায়ী। বাজারে সুষ্ঠু তদারকি নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের পর থেকে চালের বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখা দেয়à বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভরা মৌসুমে বাজারে চালের দাম হঠাৎ কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ ভোক্তারা।
বিক্রেতারা জানান, হঠাৎ কোরবানির ঈদের পরে চালের দাম বেড়ে যায়। এ সময়ে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি মিনিকেট চালের দাম পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ দশ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চার সপ্তাহ ধরে বাজারে সরু তথা মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামেই। নতুন করে মোটা চালের দামও বস্তাপ্রতি ৫০ টাকা বেড়েছে।
রাজধানীতে চালের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার বাবুবাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের তিন-চারদিন পর হঠাৎ করেই মিনিকেট চালের দাম বস্তা বাকি অংশ পড়ুন...












